পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কবি আমিনুল ইসলাম এর কবিতা ‘আহ্বান’

ছবি
আহ্বান  আমিনুল ইসলাম  এসো হে নবীন তারুণ্যের ছায়াপথে,  আর কত থাকবি বসে অতল গহ্বরে,  শীর নত  করবি কত আর ইবলিশের পদতলে। ভেঙে ফেল তোর পচা মনের ওই রাজ সিংহাসন, এঁকেদে আজ ধরণীর বুকে যৌবনের ব্যাকরন।  ছুরে দে তোর আত্মঅহংকার যাক ধুলোয় লুটিয়ে, বিভেদ, অভেদ, ক্ষান্তি আর রক্তিম সম্মুখে। থাকবি কত বিধাতার দেয়া ভাগ্য পানে চেয়ে, কাটাবি কতো নকশা ওয়ালা রাজটিকা টি পড়ে। দেখো তুই আজ ধরণীর বুকে চেয়ে, কেমন করে রবি কিরণ দেয় ওইদূর নীলিমায় বসে  পাহাড়-পর্বত মহাসাগর আর হিমালয় করি জয়, দুর্লভ কান্তি দিতে হবে পাড়ি মনে নেই কোন সংশয়। তেজোদ্দীপ্ত অশ্বরশি মস্তক ধাবিত বেশে, উঠবে দিবাকর ফুটবে হাসি বিভাবরী যাবে প্রান্তে। মিকাইলের মেঘ বর্ষণ হতে দেব না'ক আজ মোরা, শোন সব শয়তান আত্মভিমান ভুলে পরাস্ত হয়ে ছিস যারা। হীনমান্য, প্রাপ্ত চারণ্য রপ্ত করি বেশে, অহি-নকুল সমাপনী আজ বর্ত পরিবেশে। শোনো হে নবীন বলি তোমারে পুঁথীবিদ্যা ছেরে,  ...

কবি হিমু রাশেদের কবিতা ‘‘বাংলা আমার’’

ছবি
বাংলা আমার            -হিমু রাশেদ বাংলা আমার মায়ের ভায়া, রাখবো তাঁকে; যতনকরে দিবা-নিসি অহরবেলা। বাংলা সে যে, ব-দ্বীপ রেখা, রাখবো তাঁকে; জ্বলে ধুয়ে সারাবেলা। বাংলা আমার ঝিঁঝিঁ পোঁকার বাঁসিওয়ালা, সেজে বাঁজে সান্ধো বেলা। বাংলা আমার-দেশত্ব বোধেরমাতৃসুধা, রাখলো ধরে; তাঁরা জীবনদিয়া।  বাংলা আমার লালন ধারা, চেনে তাঁকে; বাউল,সাধু,গুরু, সন্ন্যাসী-রা। বাংলা আমার নকসি কাথার চরনতলা, রাখবো তাঁকে; মাটি,পাটি,চালাই পাড়া।  বাংলা আমার বোনের বকুল ফুলের গাঁথা মালা, রাখবো তাঁকে; গলেভরে জোড়া জোড়া। বাংলা আমার প্রানে রক্তোধারা, রাখবো বজায়; সেই স্রোতধারা। বাংলা আমার পান্তা ইলিশ গাঁয়ে ভরা , খাবো তাঁকে; সবাই মিলে পেটভরা। বাংলা আমার বায়স্কোপে খুদিরামের ছবি দেখা, রাখবো তাঁকে; মন-নয়নে যতনকরা।  বাংলা আমার রাঁখাল ছেলের বাঁসিওয়ালা, রাখবো তাঁকে; বাবলা তলায় খোলাকাশের বাতাসদিয়া। বাংলা আমার সাঁখ বাঁজানো সাজেরবেলা, রাখছে ধরে; মা,পিসি-মাসি,জেঠি,দিদি সবাই তাঁরা।   একুশ হলো; ছালাম,রাফিক,বরকত ভাই এর রক্তদানে- প্রান...

কবি জাহাঙ্গীর এ. মল্লিক এর কবিতা ‘‘কবিতার ছোঁয়া’’

ছবি
কবিতার ছোঁয়া      জাহাঙ্গীর এ. মল্লিক সব শব্দ গুলো নির্বাক আজ মৃদুল বাতাসও অবাক ! নিস্তরঙ্গ মৃদু কল্পিত শিহরনকে জাগাতে । কি উড়ন্তময় বাসন্তিকে দেখছি আমি  মুঠোকন্ঠের শব্দে যেখানে কবিতার শব্দগুলো বিভোর হতো ; সেখানে আজ স্বয়ং কবিতারই কল্পমূর্তি ! আমি কি আত্মা ভরে দেখবো ? নাকি কবিতার গভীরে স্পর্শ নেব ?  নিরাভরন শব্দগুলো নির্বাক, তাই বাতাসও অবাক । শুধু আত্মা কথা বলে যায়; পরমাত্মার সাথে   উদ্বেলিত আমি ; উচ্ছসিত হাসির কলরোলে- যেন শতাব্দির পর শতাব্দি- অন্তর-দোঁলানো হাসির প্রতিধ্বনি বাঁজে, সারা প্রকৃতি জুড়ে । তোমার গভীর দৃষ্টিতে দৃষ্টি সমর্পন করি             জলছবি ছুঁয়ে, আর উড়ে চলি, ছবির দেশে - কবিতার দেশে, নির্মলীন স্পর্শের আবেশ বুকে নিয়ে …..।