পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০১৭ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পিছে নয়, সৎসাহস থাকলে সামনে এসে বলবেন

ছবি
আমার ওপর ঈর্ষা থেকে ওদের মনে জন্ম নেবে ক্ষোভ। সেই ক্ষোভ থেকে অনেকেই আমার নামে গীবত রটিয়ে বেড়াবে, আমি যা করিনি বলিনি তাই বলে বেড়াবে, আমার সম্পর্কে নানা মিথ্যা কথা বানিয়ে বলবে, আমার উঠতে বসতে হাঁটতে শুতে দোষ খুঁজবে। ওরা সংঘবদ্ধভাবে আমার পিছে লাগবে। ওরা চায় আমাকে অশান্তিতে রাখতে, যাতে আমি আমার কাজ করতে না পারি, এগিয়ে যেতে না পারি। আমি এগিয়ে গেলে ওদের ক্ষতি! এমনকি ওরা সুযোগ পেলে আমার সর্বোচ্চ ক্ষতি করতেও পিছপা হবে না, আমি জানি। আর আপনি আমার প্রকৃত বন্ধু হলে, আমার বিশ্বাস আপনি ওদের বানানো কথা বিশ্বাস করবেন না।  কোনো কিছু জানার থাকলে বা কোনো কিছু নিয়ে সন্দেহ থাকলে সরাসরি আমার কাছেই জানতে চাইবেন, আমি খুশি হবো। আর এই যে আপনি, যিনি আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়ে বেড়াচ্ছেন, আপনার কথার ভিত্তি থাকলে বা সৎসাহস থাকলে পিছে না বলে সামনে এসে বলবেন। . দুনিয়ার অধিকাংশ নির্ভেজাল নিরীহ গুণী মানুষই একা। তারা অন্যের সম্পর্কে বাজে কথা বলে বেড়ান না, এত সময় তাঁদের নেই। পরচর্চা করার চেয়ে ঐ সময়টা অন্য কোনো গঠনমূলক কাজে লাগানো ভালো বলে মনে করেন তাঁরা। তাঁরা শুধু নিরবে কাজ করে যান। আর খারাপ লোকগুলো সবসময় সং...

সিঙ্গাপুরে অবর্ণনীয় দুর্ভোগে বাংলাদেশি এক ডজন শ্রমিক

ছবি
সিঙ্গাপুরে অবর্ণনীয় দুর্ভোগের শিকার ১২ বাংলাদেশি নির্মাণ শ্রমিক। বেতন না পেয়ে তারা না পারছেন দেশে আসতে, না পারছেন সিঙ্গাপুরে থাকতে। এসব বাংলাদেশির প্রতিজনের পাওনা কয়েক হাজার সিঙ্গাপুরী ডলার। কিন্তু তাদের নিয়োগকারী এসজেএইচ ট্রেডিংয়ের শাহজাহান এ দাবিকে অস্বীকার করছেন। বাংলাদেশি এসব শ্রমিকের দুর্ভোগকে ইংরেজিতে ‘লিম্বো’ দিয়ে আখ্যায়িত করেছে সিঙ্গাপুরের অনলাইন দ্য স্ট্রেইটস টাইমস। লিম্বো শব্দে অর্থ হতে পারে নরক যন্ত্রণা। তার মানে এসব বাংলাদেশির দুর্ভোগকে স্ট্রেইটস টাইমস নরক যন্ত্রণা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। এসব শ্রমিকের মধ্যে কয়েকজন হলেন আমিনুল (৪৬), হাসান মেহেদি (৪৬), সাইজুদ্দিন (৪৮), জামান (৪৬), কাদির (৪৭), শফিকুল (৩৭), মোহাম্মদ লিটন (৪৫) ও মনিরুল ইসলাম (২৯)। প্রথমে বেতনভাতা না পাওয়া এ শ্রমিকরা তাদের বকেয়া বেতন দাবি করে এ বছরের প্রথম দিকে সিঙ্গাপুরের মানবসম্পদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছিলেন। সেখান থেকে এ বিষয়ে মধ্যস্থতা করা হয়। কিন্তু তা ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্ত হয় ট্রাইপার্টিট এলায়েন্স ফর ডিসপুট ম্যানেজমেন্ট। তারপর এ বিষয়টি চলে যায় এমপ্লয়মেন্ট ক্লেইমস ট্রাইব্যুনালে। কিন্তু এখন পর্যন্ত মাম...

বিআইজেএফ সভাপতি আরাফাত, সাধারণ সম্পাদক সাব্বিন

ছবি
দেশের তথ্যপ্রযুক্তি বিটের সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের (বিআইজেএফ) নতুন সভাপতি আরাফাত সিদ্দিকী সোহাগ এবং সাব্বিন হাসান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ ২০১৭-১৮ মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। আরাফাত সিদ্দিকী সোহাগ বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন এটিএন নিউজ এবং সাব্বিন হাসান টেক ওয়ার্ল্ড বিডিতে কর্মরত। শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ শেষে প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার মোস্তাফা জব্বার। তারা ছাড়াও কার্য-নির্বাহী পরিষদে সহ-সভাপতি পদে টেক ওয়াের্ল্ডর নাজনীন নাহার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে সকালের খবরের তরিকুর রহমান বাদল, প্রকাশনা ও গবেষণা সম্পাদক পদে প্রিয় ডটকমের মিজানুর রহমান সোহেল, কোষাধ্যক্ষ পদে সিনিউজের গোলাম দস্তগীর তৌহিদ, কম্পিউটার বিচিত্রার ভূঁইয়া মোহাম্মদ ইমরাদ তুষার সাংগঠনিক সম্পাদক এবং নির্বাহী সদস্য পদে মাসিক কম্পিউটার বার্তা খালেদ আহসান ও বণিক বার্তার সুমন আফসার নির্বাচিত হন। এবারে মোট ভোটার ছিলেন ৬৬ জন। স...

একজন গণমানুষের উপাচার্য-অলি মাহমুদ

ছবি
বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি শিক্ষার্থীর হয়ত স্বপ্ন থাকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার।আর সেই বিশ্ববিদ্যালয় যদি হয় প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাহলেত আর কোনো কথাই নেই। তারওপর বিষয়টি যদি এমন হয় সে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ অভিভাবক যদি তাঁর ছাত্রদের মতই সাধারণ জীবনাচরণে অভ্যস্ত হয় তাহলে বিষয়টা কেমন দাঁড়ায়? শিরোনাম দেখে অধিকাংশ পাঠকের নিশ্চয় বুঝার বাকি থাকবেনা কাঁর কথা বলছি। জ্বি আমি অধ্যাপক ড. আবুল আহসান মোহাম্মদ শামসুল আরেফিন সিদ্দিক স্যারের কথা বলছি। যিনি ছাত্র- শিক্ষক আর অভিভাবকের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সাধারন মানুষের সাথে মেশার এবং তাদের কথা মনোনিবেশ করে শোনার অফুরান ইচ্ছাশক্তি অর্জন করেছেন।তিনি সাধারন কর্মচারী থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার ছাড়াও সমাজের প্রতিটি শ্রেণীপেশার মানুষের অকৃত্রিম বন্ধুতে রুপ নিয়েছেন। তাঁর ডায়রীতে দিন আর রাত বলতে কিছু নেই;সকাল আর বিকেলের কোন তফাৎ নেই ; সন্ধা কিংবা গভীর রাতের মাঝে কোন অমিল নেই। সকাল সাতটা টা থেকে রাত তিনটা এখানে সময়ের অনেক তফাৎ শুধুমাত্র একটা জায়গায় মিল তা হলো প্রতিটি মুহুর্তে তিনি কাজের মাঝে ...