পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০১৮ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সনেট কবিতা কোরবানি কবি মোঃ আঃ কুদদূস

দিকে দিকে আজ শুনি, আহা কী আনন্দ! পশুরা জবেহ হতে তৈরি প্রভূ রাহে আমরাও প্রস্তুত আজ নানান উৎসাহে প্রাণে প্রাণে বহে কত সুখ-সুর-ছন্দ! নিঃস্বরাও তো ভরপূর আনন্দ-উল্লাসে বহু দিন পরে আজ মাংস-রুটি খাবে ধনীরা সবে খুশি মনে গোশত বিলাবে কোলাকুলিতে ব্যস্ত হবে নামাজ শেষে। মহানন্দে একাকার, সব মুসলমান সুখ-দুঃখ ভাগ করে ভুলিয়া বিবাদ ভাই ভাই তারা আজ নেই বিসম্বাদ ভোগে নয় ত্যাগে সুখ- তাদের ঈমান। সকল দ্বারে পৌঁছুক-ত্যাগের সংবাদ পশু নয় পশুত্বকে- করো কোরবান।

তোমার প্রিয় কবি আঞ্জুমন আরা কবিতা

নাইবা হলাম আপন তোমার নাইবা গেলাম কাছে, এই পোড়া মন রাখবো জমা তোমার হিয়ার মাঝে। সোনার শেকল দিলাম খুলে ঐ রাঙা চরণে, চাইনা হতে জীবন সাথী ডাক দিও মরণে। তোমার কাছে আসবো ফিরে যখন হবে ভোর, তন্দ্রা এসে ভিড়লে চোখে খুলে রেখো দোর। পাখির সাথে বন্ধু হয়ে দোলোন চাঁপার ডালে, রইবো ফুঁটে তরু শাখে নাচবো হাওয়ার তালে। মৌমাছিরা তুলবে মধু আমার বক্ষ চিরে, ভ্রমর হয়ে গুন গুনিয়ে রাখবো তোমায় ঘিরে। খিরকি ছুঁয়ে যে সমীরণ শীতল করে মন, আমার স্মৃতি তেমনি ঘিরে রইবে সারাক্ষণ । নিশীথ রাতে একটু আলোর ঝলক যদি পাও, ওটাই আমি তোমার প্রিয় বসত সুদূর গাঁও।

মনি রায় ঘোষ এর অনু গল্প অতৃপ্তি

ছবি
অতৃপ্তি #মনি_রায়_ঘোষ সারাদিন ঘরের কাজ করে সন্ধ্যের পর যেটুকু টাইম পায় ততটুকু সময় হাতে খাতা কলম নিয়ে বসে মিলি। সব দায়িত্ব পালন করে নিজের দিকে তাকানোর আর সময় হয়না ওর। বাবা মা ভালো ছেলে দেখে নিজেদের ঘাড় থেকে বোঝা নামিয়েছে।একবার জানতেও চায়নি ও কি চায়।এমনকি এই বিয়েতে মত আছে কিনা সেটাও একবার জানতে চায়নি।খুব অভিমান হয় ওর বাবা মা এর ওপর।বড় লেখিকা হওয়ার ইচ্ছে ছিল ওর।কিন্তু আজ লেখার সময় টুকু বার করতে ও হিমসিম খায়।সন্ধ্যে বেলা লিখতে বসলেও নানান দিক থেকে নানান কথা ভেসে আসে।নানান ধরনের মন্তব্য পেরিয়ে লেখার ইচ্ছেটাই চলে যায়। মিলির স্বামী বলে কি হবে এসব ছাইপাশ লিখে।ইনকাম তো হয়না এক পয়সাও।মিলির জানা ছিলনা মানুষ সবকিছু কি টাকার জন্য করে? যার স্বপ্নের মর্যাদা বাবা মা দিতে পারেনি অন্যরা তার কথা ভাবতে যাবেই বা কেন। আজ মিলির শ্বশুর বাড়িতে অনেক লোক।সবাই সমবেদনা জানাতে এসেছে।মিলির নিথর দেহ টা ঘিরে অনেকেই মিলির সুখ্যাতি করছে।স্বামী শ্বশুর শাশুড়ি সবাই দুঃখে ফেটে পড়ছে।আত্মহত্যা করলে তো আর পুলিশ কিছু করতে পারেনা। তাই কারো কোন শাস্তি হয়নি।একরাশ অতৃপ্তি নিয়ে মিলি চলে গেছে।কেউ ছুঁয়ে দেখেনি ওর না পাওয়া গু...

মনি রায় ঘোষ এর কবিতা গুচ্ছ

ছবি
মনি রায় ঘোষ যদি বলতে ------------------------------ যদি বলতে পাশে আছো তুমি তবে দুর্গম পথও আমি হেসে পেরোতাম। যদি বলতে ভালবাসো আকাশের বুক চিরে বৃষ্টি হতাম। যদি চোখে চোখ রেখে আশ্বাস দিতে তবে বিশ্বাসের বেড়াজালে তোমায় জড়িয়ে নিতাম। যদি একবার বলতে পাশে আছো থাকবে সারাজীবন। তবে সবকিছু ভুলে নিজেকে তোমার হাতে সপে দিতাম। আমার স্বপ্নের বিছানা -------------------------------- আমার স্বপ্নের বিছানা তেও রোদ পড়ে দুপুর বেলা। খোলা জানালা দিয়ে দেখি অকাল বর্ষন। কখনো বা ভেজা তুলোর মত মেঘ ঝড়ে পড়ে। কতটা বাস্তব কতটা কল্পনা সেসবের ধার ধারিনা। রাগ দুঃখ আবেগ আর একরাশ অভিমান নিয়ে রঙ্গমন্চে উঠি। হাজার কবিতার ভিড়ে আমি আমার কবিতা খুঁজি। হঠাত নিজেকে দেখে চমকে উঠি হাজার কবিদের ভিড়ে। আমার স্বপ্নের আঙিনায় হঠাৎ করেই এক পশলা বৃষ্টি ঝরে। আমি চোখ বন্ধ করে ভিজি। চোখ মেললেই যদি বাস্তবের কড়া রোদ গায়ে এসে পড়ে, সেই ভয়ে গুমড়ে থাকি। স্বপ্ন আর বাস্তবের মাঝামাঝি নিজেকে খুঁজি। ফিরে এসো একটিবার ----------------------------------- যদি যৌবনে আর বসন্ত না আসে, যদি বয়সের খাঁদে পরে হারিয়ে যায় রুপ লাবণ্যের ভাস...

ফেলনা ছোট গল্প মাহমুদ নোমান

ছবি
হার না মানা কয়লাকালো শরীরের কাঁধ ঘুরিয়ে, ধবধবে সাদা কাফনের রঙের শাড়িটি প্যাঁচানো। পথিকের কৌতূহলী আড়চোখের দৃষ্টি এড়ায় না। কেননা মাথার প্রায় চুল সাদা হলেও ব্লাউজ ছাড়া অংশটুকুতে বোঝা যায় শরীরের বাঁধন আজো অনড় জীবনের তাগিদ ও কর্মে। এখানে বয়স কেবল ঠেস্ দিয়ে আছে। সন্ধ্যা নাগাদ কৃষ্ণচূড়া গাছের ফাঁকে,একটু পুবে জেল গেইটের আশপাশে বাতি জ্বলে উঠে। আর রাস্তার উত্তরে বিখ্যাত মাজারের ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে রঙ বেরঙের বাতির চিকিমিকি বাহার! অথচ মাঠের পশ্চিমে পথচারী চলাচলপথে জীর্ণ কাঁথা বিছিয়ে,  সাত-আট মাসের বুকের বাচ্চাটিকে শুয়ে রেখেছে আলেয়া। জায়গাটিতে আলো নেই,আবার অন্ধকারও না। একটা মশার কয়েলের ধোঁয়া ও ক্ষীণ আলোয় বাচ্চাটি আকাশে হাত-পা ছুঁড়ছে বালিশহীন। গায়ে একটা সুতোও নেই। এদের জন্য তবে গরমকাল আশির্বাদ! বাচ্চাটিকে পিছ দিয়ে মনের সুখে বিড়ি ফুঁকছে আলেয়া,ভাবলেশহীন। ভাঙা দেয়ালের উপর থেকে এক মধ্যবয়স্ক পুরুষের চেয়ে থাকা শাড়ির ভেতর ঢুকতে চায়,হয়তো মুখে কুত্তার মতো লালা গিলছে। আলেয়া হঠাৎ হঠাৎ ঘাড় বাঁকিয়ে ডান হাতে বাচ্চার মুখ টেনে টেনে আদর করে, ও সোনা, ও যাদু...আমার রা - জা,আমার মা- নিক... বাচ্চাটি মুখের কা...

নীলিমা নীলুর কবিতা সুখের দহন

ছবি
সুখের দহন নীলিমা নীলু এখন সব থেকে বেশি দরকার সুশীতল হাওয়ায় তুমি খুলে দিলে খিল এক ঝটকায় কখনো বসন্ত যদি দোলায় পল্লব এই নিলিমায় তুমি তো আছো আমার চোখের অন্তঃতায় জেগে আছে নীল আকাশ, লাল  জবা, কত পাখি আজ হৃদয় বড় বেশি শুকাতুর বেদনায়। আমাকে কি দেবে  কেবল আঘাত? নাকি  দেবে হিমঝরা সুখের জলধি আর কত পারি দেবো একাই নিরবধি শুধু কি দু:খ দিবে? তবে ভেবে নিবো এ আমার সুখের দহন.. কাঁদি জীবনে কত যে রুদন অবেলায়।

দরিদ্র ও মেধাবী ছাএ-ছাএীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেছে নরসিংদী সদর থানা ছাএলীগ

ছবি
আসলাম ভুইয়া: সারা বাংলাদেশ জুড়ে যখন নিরাপদ সড়ক আন্দোলন এর নামে চলছে সরকার বিরোধী সহিংসতা আর সকল দোষারপ এর স্বীকার হচ্ছে জাতির পিতার নিজ হাতে গড়া ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঠিক এই সময়টাতেই নরসিংদী সদর থানা ছাত্রলীগ কতৃক আয়োজন করা হলো ছাত্র/ছাত্রী দের মধ্যে শিক্ষা সামগ্রী বিতরন সহ শোকাবহ আগষ্ট এর আলোচনা সভা  এবং এই অনুষ্ঠান প্রামান করে দেয় ছাত্রলীগ সব সময় ছাত্র/ছাত্রী বান্ধব। উক্ত অনুষ্ঠান  এ প্রধান অতিথি হিসেবে  উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী জেলা আওয়ামী যুবলীগ এর বিপ্লবী সাধারন সম্পাদক, ভি.পি মাহমুদুল হাসান শামীম নেওয়াজ উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাজী মফিজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদ এর সভাপতি এম এ মোমেন চৌধুরী,  প্রধান আলোচক নরসিংদী  জেলা ছাত্রলীগ এর সভাপতি ইসহাক খলিল বাবু,  বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর সাবেক সহ-সম্পাদক নাদিম উদ্দিন সোজাল, সভাপতিত্ব করেন নরসিংদী সদর থানা ছাত্রলীগ এর সভাপতি সারোয়ার হোসেন ফয়সাল, সঞ্চালনা করেন নরসিংদী  সদর থানা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক শেখ শামীম এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন    যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শামীম খান,  ন...

নরসিংদীতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা

ছবি
জহিরুল ইসলাম : নিরাপদ সড়কের দাবী ও নৌমন্ত্রী সাজাহান খানের ক্ষমা চাওয়া সহ ৯ দফা দাবীতে নরসিংদীতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছে শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) সকাল ১১ টা থেকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। এসময় বিভিন্ন দাবী সম্বলিত প্লেকার্ড হাতে নিয়ে স্লোগান দেয় তারা। জরুরি রোগী বহনকারী এম্বুলেন্স ছাড়া সব ধরণের যানবাহন চলাচলে বাধা দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা। অবরোধের ফলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ছোট বড় সব ধরণের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। দমকল বাহিনী, প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ সকলন ধরনের যানবাহন চলাচলে বাধা দেয়া হচ্ছে। এতে কিশোরগঞ্জ, সিলেট, বিবাড়িয়া, ভৈরব, নেত্রকোনা জেলায় যাতায়াতকারী যাত্রীবাহি শত শত বাস আটকা পড়েছে। নরসিংদীর জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন অবরোধকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে অবরোধ তুলে নেয়ার অনুরোধ জানালে ৯ দফা দাবী বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ চালিয়ে যাওয়া হবে বলে ঘোষণা দেয় শিক্ষার্থীরা। এসময় বাসচাপায় শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার প্রতিবাদ ও বিচার দাবী করে তারা। এর আগে ন...

আপনার পক্ষেই সম্ভব ওদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনা :- ড. মাসুদুজ্জামান

ফখরুল হাসান -: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি নিজের মুখে ঘোষণা দিয়ে ওদের দাবি মেনে নিন। আপনার পক্ষেই সম্ভব ওদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনা। আমি নিশ্চিত, আপনি নিজেও হয়তো জানতেন না রাস্তায় লাইসেন্সবিহীন কত চালক গাড়ি চালায়। গতকাল ও আজ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা তাদের গাড়ি আটক করে দেখিয়ে দিচ্ছে লাইসেন্সবিহীন কত চালক গাড়ি চালায়। আমি একজন শিক্ষক হিসেবে এইসব শিক্ষার্থীর জন্য গর্ব অনুভব করছি। আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই, আপনি নিজে এইসব নৈরাজ্য বন্ধের ঘোষণা দিন। ওরা ক্লাসে ফিরে যাক। আপনি নিশ্চয়ই ইতিমধ্যে জেনে গেছেন, ঢাকার রাস্তায় রাস্তায় শিক্ষার্থীরা কোনো সহিংসতা না করে শান্তিপূর্ণভাবে সবধরনের যন্ত্রচালিত গাড়ির চালকের লাইসেন্স পরীক্ষা করছে। পরীক্ষা করে লাইসেন্স না পেলে বা মেয়াদ-উত্তীর্ণ লাইসেন্স পেলে সেইসব গাড়ি আটক করে পুলিশকে জানাচ্ছে। পুলিশ সেইসব চালকের বিরুদ্ধে মামলা করছে। যেসব ড্রাইভারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে তাদের কয়েকজন : (১) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) দুটি গাড়ি। (২) প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবর রহমানের গাড়ির চালক। (৩) পুলিশের একটি ভ্যানের চালক। (৪) সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড়ের একটি বাস। (৫)  উইনার প...

এক অভাবনীয় দৃশ্য :- স্বকৃত নোমান

ফখরুল হাসান:- এ এক অভাবনীয় দৃশ্য। মনে হচ্ছে ফকনার, হুয়ান রুলফো কিংবা গার্সিয়া মার্কেজের গল্পের মঞ্চায়ন হচ্ছে বাংলাদশে। রং সাইড দিয়ে যাওয়ার সময় একজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর গাড়ি ফিরিয়ে দিয়েছে বাচ্চারা। একজন মেয়রের গাড়ি আটকে দিয়েছে। মেয়র পুলিশকে ফোন দিচ্ছেন। পুলিশ বলছে, আমাদের কিচ্ছু করার নেই। কী অভাবনীয় ঘটনা! প্রতিটি গাড়ির কাগজপত্র চেক করছে বাচ্চারা। বাদ যাচ্ছে না পুলিশ-র‌্যাবের গাড়িও। অসীম ক্ষমতাধর পুলিশ-র‌্যাব তাদের গাড়ির বৈধ কাগজপত্র দেখাতে বাধ্য হচ্ছে। রাজধানীর যানবাহনগুলো কী সুন্দর লাইন ধরে চলছে। অবৈধ চালকরা রাস্তায় গাড়ি বের করার সাহস পাচ্ছে না। আমাদের কল্পনাকেও হার মানিয়ে দিচ্ছে বাচ্চারা। তাদের এই আন্দোলন সফল হবে। যদি না কোনো অশুভ শক্তি, যদি না কোনো মধ্যস্বত্বভোগী গোষ্ঠী সফলতা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। বাংলাদেশ পথ হারাবে না। লাইনে এসে যাবে। তরুণ প্রজন্মই লাইনে উঠিয়ে দেবে। একদিন এই তরুণরাই শুরু করবে ভেজাল-বিরোধী আন্দোলন। প্রতিটি হোটেলে, প্রতিটি বাজারে, প্রতিটি দোকানে হানা দিয়ে ভেজাল পণ্য যাচাই করবে তারা। ভেজালকারীদের নাস্তানাবুদ করে ছাড়বে। সেদিন আর বেশি দূরে নয়। একদিন এই তরুণরাই শুরু করব...

নরসিংদীতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন

ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক:  বাস চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহতের প্রতিবাদে নরসিংদী প্রেসক্লাবের সামনে মানব-বন্ধন করেছে বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকবৃন্দ সহ সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা।   উক্ত মানব-বন্ধন থেকে ঘাতক বাসের চালক ও মালিকের   সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এরকম মর্মান্তিক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাণের দাবি “নিরাপদ সড়ক চাই” স্লোগানে মুখরিত হয় প্রেসক্লাব এলাকা। উল্লেখ্য, রবিবার দুপুরে জাবালে নূর পরিবহনের দুটি বাসের প্রতিযোগিতার বলি হয়ে নির্মমভাবে প্রাণ হারিয়েছেন শহীদ রমিজউদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থী, আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। তারা ফুটপাথে দাঁড়িয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বেপরোয়া বাসের চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় তিনটি বাসের দুই চালক ও দুই হেলপারকে আটক করেছে র‌্যাব-১। সোমবার তাদের আটক করার বিষয়টি র‌্যাবের এক বার্তায় জানানো হয়। চালকদের আটক করলেও সুস্থ বিচার কার্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে। সুস্থ বিচার কার্য প্রক্রিয়াধীন করতে...