পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০১৯ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

লন্ডন প্রবাসী কবি ফাহমিদা ইয়াসমিনের একক কবিতা পাঠের আসর

ছবি
গত ১৬ই আগস্ট সোমাবার প্রাকৃত প্রকাশের উদ্যোগে কবি ফাহমিদা ইয়াসমিনের একক কবিতা পাঠের আয়োজন করা হয়। কবি মামুন সুলতানের সভাপতিত্বে গল্পকার মিনহাজ ফয়সলের সাবলীল উপস্থাপনায় কবি সাবিনা আনোয়ার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন কবি ফাহমিদা প্রবাসে জীবন যাপন করলেও দেশের প্রতি রয়েছে গভীর মমত্ববোধ। তার কবিতায় যেমন প্রেমের কথা আছে তেমনি দেশের কথাও আছে।  তার কবিতায় এক ধরনের ভালো লাগা আছে। কবির কাব্যচর্চা  যেন অব্যাহত থাকে এই আশাবাদ উপস্থিত সকলেই ব্যক্ত করেছেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কবি এম মোশাহিদ খান। কবির কবিতা থেকে আবৃত্তি করেন ছড়াকার দেলোয়ার হোসেন দিলু,কবি শফিকুল ইসলাম সোহাগ, কবি মোশাররফ হোসেন সুজাত, কবি জুবের আহমদ সার্জন, কবি নাসিম আহমদ লস্কর, কবি কামরুল ইসলাম বুলবুল,  কবি জেনারুল ইসলাম,কবি সাইফ মুহাম্মদ খালিদ, মুকিত খান,ও মাহবুবর রহমান।

বঙ্গবন্ধু স্মরণে খেলাঘরের সাহিত্য বাসর অনুষ্ঠিত

ছবি
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেষ মুজিবুর রহমান স্মরণে খেলাঘরের বিশেষ সাহিত্য বাসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরসি মজুমদার সেমিনার হলে ১৭ আগষ্ট, শনিবার বিকাল ৪টায় শিশুদের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়। আয়োজনে বঙ্গবন্ধুকে কেন্দ্র করে স্বরচিত কবিতা পাঠ, আবৃত্তি, স্মৃতি চারণ ও শিশুরা সংগীত পরিবেশন করে। খেলাঘর কেন্দ্রী কমিটির সম্পাদক সৌমেন পোদ্দর’র সঞ্চালনায় স্বগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন খেলাঘর কেন্দ্রী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রুনু আলী। খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারপার্সন প্রফেসর মাহফুজা খানম’র সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে  শিশুসাহিত্যক আখতার হুসেন, কবি কাজি রোজী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ভীষ্মদেব চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক ড. সেলু বাসিত, কবি অসিম সাহা, সুরকার সেলিম রেজা, অধ্যাপক মিল্টন বিশ্বাস, ড. তপন বাগচী, ড. মামুন সিদ্দিকী শিশু, ড. শাহদৎ হোসেন নিপু, ছড়াকার সিরাজুল ফরিদ, স্যামসন বুড়ন প্রমুখ। এছাড়া এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির প্...

'রাজাকার' এখন লজ্জার নয় গৌরবের নাম: সুস্ময় শরিফ

ছবি
ছোটবেলা থেকেই ‘রাজাকার’ শব্দটিকে আমি চরম ঘৃণা করতাম, আমার চরম অপছন্দের শব্দটি ছিল ‘রাজাকার’। আমি যখন ছোট ছিলাম, তখন রাজাকার শব্দটি শোনামাত্রই আমি রেগে যেতাম আর আমার মেজাজ খারাপ হয়ে যেত। ভাবতাম, যদি রাজাকারকে কখনো কোথাও পাই তাহলে তাকে ধোলাই করবো। এমনই ঘৃণিত আর অপছন্দের শব্দ ছিল ‘রাজাকার’। কিন্তু বর্তমানে আমরা যে সময়ে, যে অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছি, এ সময়ে রাজাকার একটি বিউটিফুল শব্দ।  কেননা আজ যাদের রাজাকার খেতাব দেয়া হচ্ছে আদৌ তাদের বয়স ৪০ হয়নি। না তারা ৭১ এর যুদ্ধ দেখেছে, না তারা যুদ্ধাপরাধী! তারা কোনো অন্যায়ের সাথে জড়িত না। আজ যাদের রাজাকার খেতাব দেওয়া হচ্ছে, তারা সবাই ধার্মিক-আদর্শবান। তারা সবাই দেশকে ভালবাসে, দেশের পক্ষে কথা বলে, গণতন্ত্রের কথা বলে। তারা সুদ খায়না ঘুষ খায়না, তারা কারো দালালি করেনা। আজকের রাজাকারের সংজ্ঞা হল, “সীমান্তে ভারত একের পর এক হত্যাকান্ড চালাচ্ছে। সেক্ষেত্রে প্রতিবাদ করা, ফেলানি হত্যার বিচার চাওয়া, দেশে লুটপাট, চুরি-ছিনতাই, ধর্ষণ, শেয়ার বাজার লোপাট নিয়ে মুখ খোলা, ভোটাধিকার চাওয়া, তিস্তা সমাধান চাওয়া, সীমান্ত হত্যা বন্ধে সুষ্ঠু সমাধান চাওয়া,দিনে-দুপু...

সামাজিক সংগঠন প্রয়াসের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত

ছবি
জহিরুল ইসলাম: সামাজিক সংগঠন প্রয়াসের  উদ্যোগে “গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান” বৃক্ষরোপন কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে ঘোড়াদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে  প্রয়াসের সাংগঠনিক সম্পাদক মারজানুল হকের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঘোড়াদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক  দেওয়ান হেমায়েত হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রয়াসের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ডা.লুৎফা হক লাভলী। আরো  অতিথির হিসেবে উপস্থিত  ছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা ও ছাত্র ছাত্রীবৃন্দ। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয় ও বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অতিথিরা  সুপারি, বকুল, কৃষ্ণচূড়া, নীম, জাম গাছসহ ইত্যাদি বিভিন্ন রকম চারাগাছ   রোপন করেন। এই সময় প্রয়াসের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলাম,মেহেদী হাসান,ফয়সাল, আলমঙ্গীর,তামান্নাসহ সকল সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলো। 

বাস্তব জীবনের গল্পে বন্ধুদের ভালোবাসা: রাজীব শীল জীবন

ছবি
চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ার সময় পরপর তিনদিন স্কুলে যায়নি। ক্লাসের বন্ধুবান্ধবীরা খোঁজ নিয়ে জানল আমি অসুস্থ। যদিও তৃতীয় দিন একটু ভালো লাগলেও মা যেতে দেয়নি। কী আর করা ঐ দিন দুপুর গড়িয়ে বিকেল শুরু হলে রাস্তায় বেরুলেই দেখলাম কিছু পরিচিত মুখ আসছে। দৌড় দিয়ে ঘরের বাঁশের তৈরি বানানো মাছার উপর অসুস্থ রোগীর মতো শুয়ে পড়লাম এবং মাকে বললাম আমার স্কুলের বন্ধুরা দেখতে আসতেছে। মা একটু এগিয়ে গিয়ে ওদেরকে নিয়ে আসল। পাউরুটি, বিস্কুট, দুধ, চায়ের পাতা, চিনি নিয়ে জ্বরে আক্রান্ত রোগী আমাকে ওরা দেখতে আসল। আমার চারপাশে প্রিয় বন্ধু জনি, ইয়াসমিন, টিটু, সরোয়ার, নয়ন, তন্মম, রহমত, পারভেজ, মৌসুমী, তসলিমা, বাচা  ডাক নাম মাহফুজ, সাহিদ, সবাই বসল এবং মাথায় হাত দিয়ে বন্ধুত্বের থার্মোমিটারে ছোঁয়া দিয়ে মাপল জ্বর আছে কিনা। সকলের হাতের স্পর্শে শরীর মন যেনো এক বন্ধনের ঔষধ পেল, সকলের টলমল চোখের ভাষা দেখে মনে জানান দিল কত প্রেম বন্ধুদের ভালবাসায়। দারিদ্রতার সাথে প্রতিনিয়ত অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিল আমাদের পরিবারটি। চোখ ভেজা ভালবাসার জলে ওরা শেখাল বন্ধুত্ব আগে দারিদ্রতা দূরে। মা মুড়ি এবং চিনির শরবত বানি...