পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভালোবাসা নিখোঁজ -মো.ইউনুছ আলী

ছবি
ভালোবাসা নিখোঁজ মো.ইউনুছ আলী ভালোবাসা কই আছে, তা কোথায় গেলে মিলে? হিংসা নামক দৈত্য বুঝি সব খেয়েছে গিলে! সভ্যতার এই স্বর্ণযুগে 'ভালোবাসা' নিখোঁজ! শান্তিপ্রিয় মানুষগুলা করছে ওটার কি খোঁজ!! খোঁজলে শুধু মিলবে না তা স্বার্থ ছেড়ে আগান, সবার ভেতর তৈরী করুন ভালোবাসার বাগান।★

নয়নজুলি -বিপ্লব হোসেন মোল্লা

ছবি
নয়নজুলি -বিপ্লব হোসেন মোল্লা বাংলাদেশের সাহিত্য জগৎতে যে  সাহিত্যিকরে অভাব পরিলক্ষিত হয় ,এবং মাঝে মাঝে বিভিন্ন Tv Channel বা প্রত্রিকার Headling এ দৃষ্টি পড়ে । নতুন সাহিত্যিকরা লিখতে চায় । তাদের কলম আছ,লেখার  জন্য সাদা পৃষ্ঠা আছে,লেখার ভাষা আছে,কিন্তু প্রকাশরে মাধ্যম নেই  । সমাজে বিভিন্ন ধরনের মানুষ আছে, চলার জন্য পা আছে,দেখার জন্য  চোখ আছে,নেই মানুষের প্রতি দেখানোর মত মূল্যবোধ । নয়নজুলি নাম মাত্র ,এর অর্থ হইলো বস্তিজীবন ।সমাজের অগনিত লোকের মত তাহারও সমাজে বসবাস করিয়া থাকে ।শহরের অগনিত দালান-কোঠা,বাস-রিকশা ও জনমানবের ভিড়ে তাহারাও বাঁচিয়া রই । তবে সম্পূর্ন আলাদা ।  কিছু দিন আগের কথা । দিনটি ছিল ২০১৪ সালের মাঝামাঝি । ঢাকা ,মিরপুর ১২নং ,টেকার বাড়ি বস্তিতে আমার সয়ংসম্পূর্ন দেহখান গিয়া দাড়াইল । আমার চোখের সম্মুখে হাজির হইলো অনেক লোক । তাহাদের মধ্যে ঊল্লখেযোগ্য ব্যক্তিত্ব হইলো বস্তির টোকায় । যাহার জন্য আমার এই মানুষিক কথা বা লেখনি । যাহাদের বয়স ১২ বছররে উদ্ধে বা নিম্মে হইতে পারে । গায়ে নাই জামা,পায়ে নাই জুতা,পড়নে লজ্জা স্থান গোপন করিবার মত এ...

মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে তারানার গল্প -শরীফ সাথী

ছবি
মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে তারানার গল্প শরীফ সাথী অল্প করে গল্প বলার অভ্যাস ছিল তারানার, থেমে থেমে বলতে পারতো টাকার ভিতর বারানার। দিন গোনা মাস নেই মনে তার জন্ম ষাটের কবে? বয়স খুবই কম ছিল তার সাত না আটের হবে। মায়ের হাতের রান্না খেয়ে বাবার বুকে ঘুম দিতো, বাবার কত হাসি মুখের আদর সোহাগ চুম নিতো। বলতো বাবা, আমরা আছি পরাধীন এক দেশ নিয়ে, শোষণ দূষণ শাসন ভরা কষ্ট ব্যথা ক্লেশ নিয়ে। স্বাধীন সোনার বাংলা গড়ব স্বপ্ন চোখে উঁকি দেয়, একাত্তরে শেখ মুজিবের ডাকে বাবা ঝুঁকি নেয়। আকাশ বাতাস ভারী তখন বড্ড ভয়াল রাত ছিল, চারিদিকে নির্মমতার দংশনী সংঘাত ছিল। সবার চোখে সাগরের জল কখন জানি ছেঁয়ে গেছে, বুকের মাঝে রক্ত নদীর উতলা ঢেউ বেয়ে গেছে। বিকট শব্দের মাঝে হঠাৎ কান্নাকাটির আওয়াজে, আহাজারি আকুতি আর কত কিছু পাওয়া যে। করুণ কণ্ঠে বোনের ডাকা আর্তনাদের দুখ দেখেছি, ছেলে হারা কত মায়ের শোকবিহ্বল মুখ দেখেছি। মেঠো পথে সবুজ মাঠে রক্তে ভেজার ছাপ দেখেছি, বিবর্ণমুখ পাগলীনির খোকারে সংলাপ দেখেছি। সুদীর্ঘ পথ ন' মাসের এক ইতিহাসের নতুন রবি, উদিত হয় বাংলাদেশে চিত্রিত হয় বঙ্গ ছবি।...

মৃত্যুচ্ছায়া -ব্রজকিশোর রজক

ছবি
মৃত্যুচ্ছায়া ব্রজকিশোর রজক মৃত্যুর পরে দেখেছি ছায়াটি তার বেআব্রু চিতে ঘরে এসে বাঁধে প্রিয়ে। সহস্র রিপু বেঁধে রেখে আছে মন ছিল সব তবু, গেছে বোধহয় নিয়ে। দেখেছি মৃত্যু কত অসহায় প্রানে প্রেমভরে ডাকে পীড়িত-কান্না দেহে, বঞ্চিত তবু রয়ে যায় কৃপা চেয়ে ডোবে না মৃত্যু অশ্রুকনার মোহে। চারিদিকে ওই আলোর ভেতরে এসে মৃত্যুছায়ারা ঘুরে ফেরে নাচে হাসে, চন্ডাল মাতা স্তন্যমাতনে মেতে শিশুদের রাখে বুভুক্ষু করে পাশে। রাত্রির কোলে আলো ও আঁধার নাচে চাঁদের সঙ্গে লুকোচুরি খেলা খেলে, বালির ভেতরে ডুবে যায় নদী এসে ওই তো পৃথিবী ক্রমশ পিছিয়ে চলে। কার দেশে কে দ্বেষ নিয়ে বেঁচে থাকে কার কুলুপে কাজল পেড়েছে দুখে কার চোখে কে এঁকে দেয় কালো রাত মৃত্যুছায়ারা বাসা বাঁধে কার সুখে।। টাঙ্গিনোয়াদা, হুড়া, পুরুলিয়া পশ্চিমবঙ্গ, ভারতবর্ষ

কবি এম.রেজাউল করিম রকি এর কবিতা 'টাকার খেল'

ছবি
টাকার খেল এম.রেজাউল করিম রকি টাকার কাছে হারছে সবে টাকায় যেনো সব, টাকার কাছে বিকিয়ে মন হারিয়ে ফেলে রব। টাকা যাদের গৌরব বাড়ে মান কমাবে শেষে, বোকা মানুষ পেলেই টাকা চতুর হয়ে হাসে। টাকার যতো রঙের খেলা দেখতে বাকি নাই, টাকায় মেলে সনদ শিক্ষা তাইতো টাকা চাই। টাকায় হারে মামলা লড়ে ফতুর হয়ে ফিরে, আরেক বেটা মামলা জিতে ছল চাতুরী করে। টাকায় দিয়ে মেয়ের বিয়ে জামাই কিনে আনে, টাকায় ঝরে বিয়ের ফুল টাকায় কষ্ট টানে। টাকায় গড়ে নেতা হাজার টাকা বানায় কবি, টাকায় মেলে সম্মানী আজ মিথ্যে ফুটায় রবি। আমরা সবে টাকার দাসী টাকা মোদের রাজা, টাকার কাছে ঠকে মানব নির্দোষী পায় সাজা। টাকার আছে গতীরে ভাই ঘুরছে ভবে টাকা, টাকার তলে পিষ্ট হয়েই মরছে ভাগ্য চাকা। টাকা হাতের ময়লা জানি আজকে তব আছে, কালযে টাকা ছুড়ে ফেলবে থাকবে তুমি নিছে। টাকায় জোটে কোরমা ভালে টাকায় কিনে গাড়ি, ক্ষুধার্ত রাখে টাকায় পথে নামায় ছেড়ে বাড়ি। টাকায় খেলা টাকায় মেলা টাকা ফুটায় ফুল, টাকা ভাঙছে মন মানুষে টাকা বুঝায় ভুল। লিখতে গেলে টাকার কথা মাথায় লাগে তেল, দেখছি আমি টাকার কীর্তি দেখি টাকার খেল। রচনাকাল:-১৫/০৯/২০১৯ খ্রিষ্টাব...

কবি শরীফ সাথীর একগুচ্ছ কবিতা

ছবি
মুজিব নামের ফুল -শরীফ সাথী গোপালগঞ্জের টুঙ্গি পাড়ায় যেথায় যেতে মনকে তাড়ায় ৷ মুজিব নামের ফুল ফুটেছে খোকা খুকির দল ছুটেছে দু'চোখ ভরে দেখতে তাঁকে বাবা মায়ের সঙ্গে, বিশ্ব সেরা সুবাস মাখা লাল সবুজের চিত্র আঁকা নতুন স্বপ্নের দিগন্ত চাষ এমন মধুর ফুলের আবাস মমতারি অন্তরঙ্গে আমার সোনার বঙ্গে ৷৷ বিশ্বকবি -শরীফ সাথী দু ঠোঁট ভরে মিষ্টি হেসে পুষ্পে সুবাস মেখে কলি, এই বাঙালির ভালোবেসে উঠল ফুটে গীতাঞ্জলি। বাস্তবতার জ্ঞান আলোকে লিখে হলেন বিশ্বকবি, জোড়া সাঁকোর ঠাকুর বাড়ি আলো হয়ে এসে রবি। বঙ্গবাসীর ঐতিহ্য রূপ লেখা সত্তায় বিকাশ ঘটায়, জগত চেনে বাংলা ভাষা বিশ্বকবির আলোকছটায়। গান কবিতা গল্প নাটক কালজয়ী সব সৃষ্টি তার, নোবেল পাওয়া অমর সাধক মায়া ভরা দৃষ্টি তার। -শরীফ সাথী একাত্তরের ছাব্বিশে মার্চ, চতুর্দিকে স্বাধীন সুবাস। মিষ্টি মায়া পরিবেশে, স্বাধীন সোনার বাংলাদেশে। উৎফুল্লতায় সব জনতার এই বাঙালির প্রতি ঘরে, ঊর্ধ্বমূখী সবার হাতে লাল সবুজের নিশান ওড়ে।

অনন্তকালেও তুমি -বিপ্লব হোসেন মোল্লা

ছবি
 বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান  ( ছবি সংগৃহীত) অনন্তকালেও তুমি      -বিপ্লব হোসেন মোল্লা                                 বিনম্র শ্রদ্ধা হে আমার নেতা শুধু শতবর্ষে নয়,অনন্তকালেও তুমি লাল সবুজ পতাকা। তুুমি প্রদীপের উজ্জল আলো তুমি সমুদ্র স্রতের স্পষ্ট হুংকার বাংলা আমার। ১৯৫২ এর ভাষার দাবিতে তুমি সেই হরতাল, এনেছো ছিনিয়ে,দিয়েছো গাইতে অ আ ক খ বর্ণমালার গান। তুমি বলেছিলে বাঙ্গালীর মুক্তির কথা             তুমি সেই ছয়-দফা। তুমি গনউভ্যুথানের অন্ন খোঁজা দূত তুমি শতকষ্টে পাওয়া একমুঠো সুখ। তুমি সেই ২৫শে মার্চের বিপ্লবী সূচনা দিয়েছো তুমি স্বাধীনতার ঘোষনা। তুমি কোটি কোটি জনতার প্রাণ, হাজারো পাখির কিচিমিচির গান জয় বাংলা, জয় বাংলা'র স্লোগান। তুমি বাংলা'য় প্রথম বক্তা জাতিসংঘের  তুমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান                  সমগ্র ব...

ভাষান্তরিত কবিতা

ছবি
বদরুজ্জামান আলমগী: শিল্পযাত্রায় নানা ঘরানার চিহ্নঅঙ্কিত এক কবি। মাচাদো আধুনিক- তারমধ্যেই আবার প্রতীকবাদিতা, রোম্যান্টিকতা, এবং তাওবাদী স্থিতধী ধ্যানমগ্নতাও দুর্লক্ষ্য নয়। অনেক বিদ্যার জাহাজ, জ্ঞানী লোকেরা মেধার ঔদ্ধত্যে সবকিছু নির্দিষ্টভাবে জেনে ফেলে; কিন্তু মাচাডোর জানা ছিল না- নির্দিষ্টতা কী! মাচাদো কোন বোঝকে আগাম ধরে নিতে পারতেন না, তাঁর জিজ্ঞাসায় শিশুচিত্তের ঝকমকানি থাকতো। তাঁর যদি মনে জাগতো যে, একটি চিনাবাদামের পাতা কীভাবে সকালের দমকা হাওয়ার সঙ্গে ভাববিনিময় করে- এই কথাটি লিখবেন- তাহলে তিনি বিহানকালে একটি বাদাম ক্ষেতের আল ধরে হেঁটে যেতেন। মার্কিন কবি আয়রন জনখ্যাত রবার্ট ব্লাই উত্তর অ্যামেরিকার কবিতার বাইরে ভিনদেশি কবিতায় আগ্রহ, মনোযোগ ও সম্মাননার কারণে রীতিমতো প্রবাদপ্রতিম। মাতস্যু বাশো, ইয়োসা বুসন, মাসাউকা শিকির হাইকু থেকে উমর খৈয়ামের রুবাই, জালালউদ্দিন রুমির সুফী প্রগাঢ়তা কী আন্তোনিও মাচাদোর জগত- সবখানেই রবার্ট ব্লাইকে পাওয়া যাবে। হাওয়া, প্রসন্ন দিন হাওয়া, আর একটি প্রসন্ন দিন ছুঁঁয়ে গেল আহা ফুলের সুবাস! আমি দিয়েছি জুঁই মৌমৌ শোভা আমাকে দাও সকল গোলাপ। গোলা...