পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০১৭ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

উৎসবমুখর পরিবেশে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের এক্স-ক্যাডেটদের প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

ছবি
সিডনি (অস্ট্রেলিয়া) প্রতিনিধিঃ পারষ্পারিক সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি বৃদ্ধি আর সার্বিক সহযোগিতার হাত প্রসারিত করার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরাতে এবার রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের এক্স-ক্যাডেটদের প্রথম পুনর্মিলনী। গত ১৪ই এপ্রিল শুক্রবার থেকে ১৬ই এপ্রিল রবিবার (তিন দিন ব্যাপী) ক্যানবেরাতে এক্স-ক্যাডেটরা স্বপরিবারে উদযাপন করে তাঁদের প্রথম পুনর্মিলনী। বাংলা নববর্ষের আমেজ আর এক্স-ক্যাডেটদের মিলনমেলা তিনটি দিনকে আনন্দ-উল্লাসে পরিপূর্ণ করে তুলেছিল নিঃসন্দেহে। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এবং পরে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে শুরু হয় তাদের অনুষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন এবং সংগঠনটিকে আরো এগিয়ে নিতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। অনুষ্ঠানের তিন দিনের পর্বে ছিলো- এক্স-ক্যাডেটদের অপরাপর পরিবারের সাথে পরিচিত পর্ব, আড্ডা,পিঠা পর্ব,বারবারকিউ, সাধারন মিটিং,ক্যানবেরাতে বাস ট্যুর, ফটো সেশন এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে জনপ্রিয় ব্যান্ড সোলস সঙ্গীত পরিবেশন করেন সবশেষ দিনটিতে। এভাবেই রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের এক্স-ক্যাডেটদের প্রথম পুনর...

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির গ্লেনফিল্ডে বৈশাখ মেলা অনুষ্টিত

ছবি
সিডনি (অস্ট্রেলিয়া) প্রতিনিধিঃ আঁধার কেটে যাক, আসুক আলো, হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে বৈশাখের উৎসবের আনন্দে মেতে উঠুক প্রতিটি প্রাণ। আর এই প্রাণের ছোঁয়া পেতেই সাব্বির এলাহী তান্না ও তাসলিমা আহমেদ (মুন্নি) সিডনির গ্লেনফিল্ডে বৈশাখ মেলার আয়োজন করে। বাংলা নববর্ষ এখন আমাদের প্রধান জাতীয় উৎসবও। প্রতিবছর এ উৎসব বহু মানুষের অংশগ্রহণে এখন প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়েছে। পহেলা বৈশাখ ছাড়া এত বড় সর্বজনীন উৎসবের উপলক্ষ বাঙালির আর নেই। এই উৎসবের মধ্য দিয়ে বাঙালি তার আপন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আলোকে জাতিসত্তার পরিচয়কে নতুন তাৎপর্যে উপলব্ধি করে গৌরববোধ করে। এই গৌরব ও চেতনাই বাঙালিকে প্রেরণা জোগায় আপন অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে। মেলায় উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী বাংলাদেশী পরিবারগুলো। দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই মেলা চলে। বর্ষবরণের অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের দেশীয় বিভিন্ন রকমারী খাবারের আয়োজন ছিল। আপ্যায়ন তালিকায় ছিল ভাত,পোলাও, রকমারী ভর্তা, পান্তা-ইলিশ,মাছ, মাংস এবং রকমারী মিষ্টি ও দধি।মেলাতে শিশুদের ও মহিলাদের কিছু খেলার আয়োজন ছিল। বিজয়ীদের পুরষ্কারও প্রদান করা হয়। আয়োজকরা তান্না ও মুন্নি বলেন, “ এ উৎস...

নারী পুরুষ মিলেইতো নারীর মুক্তি নাকি?

ছবি
পুরুষ যুগ যুগ ধরে যা গ্রহণ করে এসেছে নারী তাই দিয়ে আসছে....... নারী পুরুষ মিলেইতো নারীর মুক্তি, নাকি? নারী একা অথবা পুরুষ একা চিৎকার করে কিছুইকি হবে? কোন নারী ফেইসবুকে একটা হট পিকচার আপলোড করলেই অমনি পুরুষের প্রশংসায় সেই পোস্ট এবং সেই নারীর ইনবক্স ভর্তি হয়ে যায়। তাহলে বেচারি নারী আর করবে কি? মগজটাকে পকেটে ঢুকিয়ে চেহারাটাকে শো অফ করে। এর কারনটা অত্যন্ত সিম্পল। নারী পুরুষের জন্মই হয়েছে একে অন্যকে চাইতে। পুরুষ নারীকে চাইবে, আর নারী পুরুষকে তাঁকে চাওয়াবে। পুরুষ যুগ যুগ ধরে যা গ্ ... রহণ করে এসেছে, তাই নারী দিয়ে এসেছে পুরুষকে। প্রেম, প্রীতি, ভালোবাসা, সন্তান, সংসার সবই। তাইলে নারী পুরুষ মিলে আজ নতুন করে কার মুক্তির কথা, কিসের মুক্তির কথা বলে বুঝিনা!! কিসের এতো আন্দোলন? অনাদিকাল ধরেই পুরুষের একটা অবস্হান তৈরী এসেছে, সাথে নারীর ও। পুরুষ নারীকে ভালোবাসবে, নারীরা ভালোবাসাবে। পুরুষ চাইবে, নারী চাওয়াবে। পুরুষ নেবে, নারী দেবে। এখন কথা হোলো শুরু থেকেই গিভ এন্ড টেক কিন্তু এক রকমই চলছিলো। এবার পুরুষ নারীকে শর্ত দিয়ে বসলো, 'তুমি যদি তোমাকে সব পুরুষকে দাও তাহলে আমি তোমাকে চাইনা!' নারীতো ম...

জরিনার কাবিননামা -কবি জেসমীন আলম মিনমিন

ছবি
জরিনার কাবিননামা  -কবি জেসমীন আলম মিনমিন টাকার কাছে বাঁধা ছিলো,জরিনার কাবিননামা আর বাসর রাত,গারর্মেনটস মালিকের ওভার টাইমে ... তাই বলে কি ভালবাসার সাত কাহন সুখ পাখি সাত রঙ্গে মাখবে না আবীর রং ? কিশোরী জরিনা দেখেছে ক্ষুধা কি? হাডডি ছোয়া বাবার রিকশা চালানো, এদো কাদা মাখা স্যাঁতস্যাতে বস্তি ঘরের আবহাওয়া পচা পানতা খেয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রাম । বারো ছুঁই ছুঁই জরিনার প্রথম কাজ ছিলো আমাদের বাসায় হাড়ি ,পাতিল মাজার, বলেছিলো,আফা ,আমনে কতো সুন্দর ! বই খাতা আছে,আমার নাই। সেই জরিনা চৌদ্দতে গারর্মেনটস শ্রমিক, পাশাপাশি আরো হাজার হায়েনার লোলুপ দৃষ্টি এড়িয়ে ধরেছিলো ছমিরের হাত, বিয়ের ফুল পুরোপুরি ফুটেছিলো জরিনার নাম হয়েছিলো বিবাহিতা, হয়নি কাবিননামা,হয়নি বাসর রাত।

নারী পুরুষ মিলেইতো নারীর মুক্তি নাকি?

ছবি
পুরুষ যুগ যুগ ধরে যা গ্রহণ করে এসেছে নারী তাই দিয়ে আসছে....... নারী পুরুষ মিলেইতো নারীর মুক্তি, নাকি? নারী একা অথবা পুরুষ একা চিৎকার করে কিছুইকি হবে? কোন নারী ফেইসবুকে একটা হট পিকচার আপলোড করলেই অমনি পুরুষের প্রশংসায় সেই পোস্ট এবং সেই নারীর ইনবক্স ভর্তি হয়ে যায়। তাহলে বেচারি নারী আর করবে কি? মগজটাকে পকেটে ঢুকিয়ে চেহারাটাকে শো অফ করে। এর কারনটা অত্যন্ত সিম্পল। নারী পুরুষের জন্মই হয়েছে একে অন্যকে চাইতে। পুরুষ নারীকে চাইবে, আর নারী পুরুষকে তাঁকে চাওয়াবে। পুরুষ যুগ যুগ ধরে যা গ্ ... রহণ করে এসেছে, তাই নারী দিয়ে এসেছে পুরুষকে। প্রেম, প্রীতি, ভালোবাসা, সন্তান, সংসার সবই। তাইলে নারী পুরুষ মিলে আজ নতুন করে কার মুক্তির কথা, কিসের মুক্তির কথা বলে বুঝিনা!! কিসের এতো আন্দোলন? অনাদিকাল ধরেই পুরুষের একটা অবস্হান তৈরী এসেছে, সাথে নারীর ও। পুরুষ নারীকে ভালোবাসবে, নারীরা ভালোবাসাবে। পুরুষ চাইবে, নারী চাওয়াবে। পুরুষ নেবে, নারী দেবে। এখন কথা হোলো শুরু থেকেই গিভ এন্ড টেক কিন্তু এক রকমই চলছিলো। এবার পুরুষ নারীকে শর্ত দিয়ে বসলো, 'তুমি যদি তোমাকে সব পুরুষকে দাও তাহলে আমি তোমাকে চাইনা!' না...

উৎসবের দিনে মানুষ বৃহৎ -ফেরদৌসি বিকন

ছবি
"প্রতিদিন মানুষ ক্ষুদ্র, দীন, একাকী।  কিন্তু উৎসবের দিনে মানুষ বৃহৎ!" বাংলা মাসের কত তারিখ আজ? বাংলা মাসের হিসাব এখন আর আমরা বাঙালিরা রাখি না। ষড়ঢঋতুর দেশ বাংলাদেশ। বঙ্গদেশের জলবায়ুকে ষড়ঋতুর ছয়টি ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে। বছর ঘুরে আসে এই ছয়টি ঋতু। এগুলো হচ্ছে বসন্ত, গ্রীষ্ম, হেমন্ত এবং শীত ঋতুর সাথে বর্ষা ও শরৎ ঋতু। বাংলা সনের মাসগুলোর উপর ভিত্তি করেই এই ঋতু বিভাজন করা হয়েছে। প্রতিটি ঋতুতে নানা গন্ধ, বর্ণের ফুলের সৌরভে সুবাসিত হয়ে থাকে এদেশের মাঠ, ঘাট, বাড়ির আঙিনা। বঙ্গদেশের ঋতু বৈচিত্রকে ধারণ করবার কারণে বাংলা সনের জনপ্রিয়তা এসেছে। গ্রীষ্ম ষড়ঋতুর প্রথম ও বসন্ত ষড়ঋতুর শেষ ঋতু। ফাল্গুন এবং চৈত্র মাস মিলে হয় বসন্ত ঋতু। বসন্ত ঋতুর আগমন ঘটে শীত চলে যাবার পর এবং গ্রীষ্ম আসার আগে। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এলাকায় তাপমাত্রা বাড়তে থাকে কারণ পৃথিবী সূর্যের দিকে হেলে থাকে। পৃথিবীর অনেক প্রান্তে এই ঋতুতে ফুল ফুটে, গাছে নতুন পাতা গজায়, নতুন গাছের জন্ম হয়। প্রকৃতির সাথে প্রতিটি মানুষের এক রহস্যময় অলৌকিক অবিচ্ছেদ্য সম্বন্ধ আছে যা হয়তো তার নিজের অলক্ষ্যে তারই অস্তিত্বের সাক্ষর বহন করে চ...

সন্ধ্যায় দেখা নরসুন্দা -কবি ফখরুল হাসান

ছবি
সন্ধ্যায় দেখা নরসুন্দা -কবি ফখরুল হাসান এসেছো নীরবে নির্রঝরে বৈশাখী হাও ... আবার চলে গেলে রংধনুর আবির ছড়িয়ে । কে গো তুমি মায়াবিনী ? হ্নদয় মন্দিরে ঘন্টা বাজালে ; পথিকের পথ চলা কাশ ফুলে সাজালে ! ঐ মায়াবী হরিণী চোখের মায়া জালে জড়ালে । গোলাপের পাপড়িতে চোখ দুটো সাজালে নিস্পাপ মুখ দেখেছে কবির অপলক চোখ । লাজলজ্জা ভুলে গিয়ে ঐ চোখে রেখেছি দুইটি চোখ , ঐ ময়ূরী চোখের গভীরে বহুকাল ডুবে ছিলো মন । এমন কি ডুবে ছিলো , মন পবনের প্রেমের ডিঙি নাউ কন্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসে তোমার ঐ চোখ ভাষা পড়ে অমাবস্যার অন্ধকারের মতো , রাতের নরসুন্দাকে দেখেছি চোখে । নিদ্রায় বিভোর ক্লান্ত দেহে বিছানায় আশ্রয় নেয় মায়াবী ঐ চোখ । তন্দ্রাজাগরণে বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখি ঐ চোখেই পৃথিবী থেমে গেছে । অন্তহীন পথের পথিক , চোখের পাপড়িতে গন্তব্য পেয়েছে । ঝিনুকের মুক্তার মত দুটো চোখ যখন খোল ! ভুলে যায় আত্মঘাতি জঙ্গী ধর্মের নামে ভুল জিহাদের কথা । দুর্লভ উর্বশী তুমি , অমূল্য মায়াবী চোখের মায়া হরিণী । য়া হয়ে ,

স্তব্ধতা -কবি ফখরুল হাসান

ছবি
স্তব্ধতা -কবি ফখরুল হাসান মধুমাসের ঝিঁ ঝিঁ পোকার ডাক যেন তোমার হাসি মুখে ... এই হাসির জন্য ঘোষণা করতে চেয়েছিলাম তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ । পাড়ি দিতে চেয়েছিলাম জিরো ডিগ্রির তেরো নদী আর সাত সমুদ্র । টিনের চালের বৃষ্টির শব্দের মতো হাসি দেখতে সহস্রবার হয়েছি বারো ভূঁইয়াদের শ্রেষ্ঠ বীর ঈশা খাঁ তাজমহলের রূপকার সম্রাট শাহ্জাহান লাইলীর মজনু আর শিরীর ফরহাদ । এক চিলতে পদ্ম ফোঁটা হাসির জন্য জল্লাদের কাছে নিজেকে উৎস্বর্গে ছিলাম প্রস্তুত জাতিসংঘে বহুবার আবেদন করেছিলাম একটি প্রেমময় হাসি দিবস চাই । কদমের মতো মনোহর হাসির জন্য মরু সাহারায় বানাতে চেয়েছিলাম সীমাহীন সাগর । ডেকে দিতে চেয়েছিলাম চাঁদের ঐ মুখ হিমালয়ে ওড়াতে চেয়েছিলাম তুষার এর মতো শুভ্র হাসির পতাকা । আকাশে উড়িয়ে ছিলাম হাজার রঙের প্রণয়ের ঘুড়ি । অথচ হাসিহীন তোমাকে দেখে আজ আমার পৃথিবী স্তব্ধ । হাসিহীন তুমি গ্রন্থিত চোরাকাঁটা অথবা মৃত লাশ আজ ঠোঁটে জমা পৃথিবীর সমস্ত মেঘ চোখে এখন মৃত্যুর পরোয়ানা জীবন যেন বেদনার আলপনার নীল সীমানা প্রাচীর ।

নির্বাসনে জঙ্গীবাদ -কবি ফখরুল হাসান

ছবি
নির্বাসনে জঙ্গীবাদ -কবি ফখরুল হাসান কাফনের কাপড়ে ডাকা হচ্ছে যখন অসাম্প্রদায়িকতা ... নির্মম-বর্বর হত্যাকাণ্ডের নীলনকশার জঙ্গীবাদকে কৌশলে পাঠালে নির্বাসনে । মৌলবাদীদের তৎপরতা ও সাম্প্রদায়িকতা মোকাবেলার জন্য। সুপরিকল্পিতভাবে প্রণয় করলে সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক দূরদর্শীতা । তোমার নিরন্তর প্রচেষ্টা হবে না ভূলুণ্ঠিত । নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে ভবিষ্যৎভাবনায় পালন করলে বীরোচিত কর্তব্য । নিত্যসঙ্গি হয়ে আছে অসাম্প্রদায়িক মৃত্যুর দ্রুত কিন্তু বিধাতার ইশারায় বারবার আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে । সাম্প্রদায়িক ও অসাম্প্রদায়িক দ্বৈতনীতির কারণে অসাম্প্রদায়িক বুদ্ধিজীবিদের কাছে তুমি হলে মীরজাফর ! প্রশ্ন তুলবো না রাজনৈতিক প্রজ্ঞা আর বিচক্ষণতা নিয়ে । কৈশোরেই রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু হিসাবে পেয়েছ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি । কৌশল নীতির কারণে প্রজন্মের কাছে ভবিষ্যতে উদ্ভাসিত হবে স্বমহিমায় । উদারনৈতিকতা অসাম্প্রদায়িক সাম্য-মৈত্রীর চিরন্তন আদর্শে উদ্ভাসিত হবে তোমার নাম ।