অস্ট্রেলিয়ার সিডনির গ্লেনফিল্ডে বৈশাখ মেলা অনুষ্টিত


সিডনি (অস্ট্রেলিয়া) প্রতিনিধিঃ আঁধার কেটে যাক, আসুক আলো, হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে বৈশাখের উৎসবের আনন্দে মেতে উঠুক প্রতিটি প্রাণ। আর এই প্রাণের ছোঁয়া পেতেই সাব্বির এলাহী তান্না ও তাসলিমা আহমেদ (মুন্নি) সিডনির গ্লেনফিল্ডে বৈশাখ মেলার আয়োজন করে। বাংলা নববর্ষ এখন আমাদের প্রধান জাতীয় উৎসবও। প্রতিবছর এ উৎসব বহু মানুষের অংশগ্রহণে এখন প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়েছে। পহেলা বৈশাখ ছাড়া এত বড় সর্বজনীন উৎসবের উপলক্ষ বাঙালির আর নেই। এই উৎসবের মধ্য দিয়ে বাঙালি তার আপন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আলোকে জাতিসত্তার পরিচয়কে নতুন তাৎপর্যে উপলব্ধি করে গৌরববোধ করে। এই গৌরব ও চেতনাই বাঙালিকে প্রেরণা জোগায় আপন অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে।
মেলায় উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী বাংলাদেশী পরিবারগুলো। দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই মেলা চলে। বর্ষবরণের অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের দেশীয় বিভিন্ন রকমারী খাবারের আয়োজন ছিল। আপ্যায়ন তালিকায় ছিল ভাত,পোলাও, রকমারী ভর্তা, পান্তা-ইলিশ,মাছ, মাংস এবং রকমারী মিষ্টি ও দধি।মেলাতে শিশুদের ও মহিলাদের কিছু খেলার আয়োজন ছিল। বিজয়ীদের পুরষ্কারও প্রদান করা হয়।


আয়োজকরা তান্না ও মুন্নি বলেন, “ এ উৎসবটি বাঙালির জীবনাচার, চিন্তা-চেতনা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাথে মিশে আছে একাকার হয়ে। বাংলা নববর্ষ তাই কেবল আনুষ্ঠানিকতা নির্ভর কোনো উৎসব নয়; তা বাঙালির ধর্মনিরপেক্ষতা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা, শেকড় সন্ধানের মহান চেতনাবাহী দিন।”সবশেষে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে এবং "বাংলা নববর্ষ-১৪২৫" আগাম দাওয়াত জানিয়ে মেলার সমাপ্তি টানা হয়।

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

একজন গণমানুষের উপাচার্য-অলি মাহমুদ

কবিতা-ব্যর্থতা কবি- আয়েশা মুন্নি

কবিতা দুর্ভিক্ষ চলছে কবি আইরিন সুলতানা লিমা