ফখরুল হাসান এর ছোট গল্প 'নিষিদ্ধ চিহ্ন'
হোটেল রুমে মৃদু নীল আলো জ্বলছে। লাইট অফ করা আছে তবুও রুমের ভেতর তেমন অন্ধকার নেই। নীল কালারের ডিম লাইটের আলোতে চমৎকার একটা পরিবেশ তৈরি হলো। রুমের চারপাশটা ভালো করে একবার দেখে নিলো সুধীর। চার ফিট বাই ছয় ফিটের নিচু খাট। খাটের সামনে আয়না। আয়নাটায় চোখ পড়তেই মনে হচ্ছে সঠিক জায়গায় বসিয়েছে হোটেল কতৃপক্ষ । যতটুকু দেয়াল দেখা যায়। নীল রঙের কারুকাজ! আয়নার জন্য দেয়ালটা যেনো একটা ফ্ল্যাটস্ক্রিন পঁয়ষট্টি ইঞ্চি টিভি। রুমটা দেখেই বুঝা যাচ্ছে হোটেল কতৃপক্ষ ক্রিয়েটিভ। হোটেল রুমের বিছানায় কি এক অদ্ভুত ভঙ্গিমায় শুয়ে আছে চিত্রা । হঠাৎ চোখ থমকে গেলো, চিত্রার জলপাই রঙের ব্রা-র স্ট্র্যাপে । চিত্রার ট্যালকম পাউডারের মতো ধবধবে সাদা বুকটা দখল করে নিয়েছে আটত্রিশ সাইজের জলপাই কালারের ব্রা টা। স্পাইক করা চুল! মনে হচ্ছে বাবুই পাখির বাসার মতোই শিল্পের কারুকার্যময়। খয়েরী কালারের লিপিস্টিকে ঠোঁট দুটিতে যেন জ্বলন্তআগুন। চিত্রার কপাল জুড়ে টকটকে লালটিপ! দেখে যে কেউ ভাববে কৃষ্ণচূঁড়ার বন। যে কোন পুরুষের মাথা ঘুরে যাবে প্রথম দেখাতেই। অথচ চিত্রা এক বাচ্চার মা! তাঁর সংসার জীবন বারো বছরের, আর সেই কিনা আমাকে বলছে 'তোম...