পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ফখরুল হাসান এর ছোট গল্প 'নিষিদ্ধ চিহ্ন'

ছবি
হোটেল রুমে মৃদু নীল আলো জ্বলছে। লাইট অফ করা আছে তবুও রুমের ভেতর তেমন অন্ধকার নেই। নীল কালারের ডিম লাইটের আলোতে চমৎকার একটা পরিবেশ তৈরি হলো। রুমের চারপাশটা ভালো করে একবার দেখে নিলো সুধীর। চার ফিট বাই ছয় ফিটের নিচু খাট। খাটের সামনে আয়না। আয়নাটায় চোখ পড়তেই মনে হচ্ছে সঠিক জায়গায় বসিয়েছে হোটেল কতৃপক্ষ । যতটুকু দেয়াল দেখা যায়। নীল রঙের কারুকাজ! আয়নার জন্য দেয়ালটা যেনো একটা ফ্ল্যাটস্ক্রিন পঁয়ষট্টি ইঞ্চি টিভি। রুমটা দেখেই বুঝা যাচ্ছে হোটেল কতৃপক্ষ ক্রিয়েটিভ। হোটেল রুমের বিছানায় কি এক অদ্ভুত ভঙ্গিমায় শুয়ে আছে চিত্রা । হঠাৎ চোখ থমকে গেলো, চিত্রার জলপাই রঙের ব্রা-র স্ট্র্যাপে । চিত্রার ট্যালকম পাউডারের মতো ধবধবে সাদা বুকটা দখল করে নিয়েছে আটত্রিশ সাইজের জলপাই কালারের ব্রা টা। স্পাইক করা চুল! মনে হচ্ছে বাবুই পাখির বাসার মতোই শিল্পের কারুকার্যময়। খয়েরী কালারের লিপিস্টিকে ঠোঁট দুটিতে যেন জ্বলন্তআগুন। চিত্রার কপাল জুড়ে টকটকে লালটিপ! দেখে যে কেউ ভাববে কৃষ্ণচূঁড়ার বন। যে কোন পুরুষের মাথা ঘুরে যাবে প্রথম দেখাতেই। অথচ চিত্রা এক বাচ্চার মা! তাঁর সংসার জীবন বারো বছরের, আর সেই কিনা আমাকে বলছে 'তোম...

ছোট গল্প 'মৃত বৃক্ষ' শফিক নহোর

ছবি
অনেকদিন ধরে বোয়ালমাছ খাবার বায়না ধরেছে মিনু, ও চারমাসের অন্তঃসত্ত্বা । আজ চলতি মাসের একুশ তারিখ । হাতের অবস্থা বড়ই নাজুক । মিথ্যা সান্ত্বনা দিয়ে বললাম, বেতন হাতে পেলে তুমি যা-যা খেতে চাও? সব এনে দিবো ,চিন্তা করো না। ‘এখন খাবার দাও ?' আমার অফিসে যাবার সময় হলো । ভিলেন মার্কা অভদ্র একজন অফিসার আছে ,সবসময় মানুষের পিছনে একটা পিন বিধিয়ে দেবার পায়তারা চলে অবিরাম ।‘কাকে কি ভাবে পিন দিবে !'আস্তাগফিরুল্লাহ মানুষ কী তাই এত খারাপ হয় । এ অফিসে চাকরি না হলে হয়তো বুঝতাম না ।সকালে বউ রসুনের পাতা দিয়ে টমেটো ভর্তা করেছে ,আহা কি স্বাদ ।গরম ভাতের সঙ্গে হালকা একটু বলরাম কাকার হাতের তৈরিকরা ঘি, ঢেলে নিলাম ।স্বাদ দ্বিগুণ বেড়ে-গেল ।বউ আমার পিছনে দাঁড়িয়ে বলছে, - এই শুনছো, -হ্যাঁ বল, -আমাদের তো একদিনও চিড়িয়াখানা নিয়ে গেলে না । এ সময় চিড়িয়াখানা যেতে নেই । লোকমুখে শুনেছি , ছেলেমেয়ে দেখতে না-কি বানরের মত হয় । ও আল্লাহ্ তুমি এসব কি বলও ।হুম সত্যি বলছি গো বউ ।তা না হলে তোমাকে নিয়ে যাবো না কেন ? তুমি আমার একমাত্র আদরের লক্ষিসোনা বউ । আমার খাওয়া শেষ, বউয়ের শাড়ির আঁচল দিয়ে হাত মুছে খাঁটের উপর বসলাম ।...

লেখক হিসেবে সাইমের প্রথম আত্মপ্রকাশ

ছবি
সাহিত্য প্রতিবেদক:  নতুন লেখকদের কবিতা সংকলন, হিমু পরিবারের প্রযত্মে তারুণ্যের মিছিল। কবিতা সংকলনে প্রথমবারের মত খায়রুল ইসলাম সাইমের পৃন্টেড হরফে নতুন দুটি কবিতা বের হয়। চরিত্রহীন এবং লাশের জবানবন্দি। আধুনিক সমাজের রূপরেখার পটভূমি রোমান্টিসিজম এর মিলন থাকায় কবিতা দুটো তরুণ সমাজে ব্যাপক সমাদৃত হয়। খায়রুল ইসলাম সাইমের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি জানান, " আমি এখনো ভালো লেখক হয়ে উঠিনি। তবে চেষ্টা করছি আরো পড়ার, আরো জানার, আরো ভালো লেখার। সকলের ভালোবাসা আর দোয়া থাকলে, ইনশাল্লাহ আমি লিখে যাব।  গল্প, কবিতাই হচ্ছে সমাজের প্রতিচ্ছবি, হোক সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার।" কবি খায়রুল ইসলাম সাইম এর  লেখা  একটি কবিতা তুলে ধরা হলো  "চরিত্রহীন" এ শহরের রাস্তার মোড়ে মোড়ে, যখন নেড়ে কুকুর জুটিকে অসভ্য ভংগিতে প্রণয় করতে দেখি, অজান্তেই ভাবি, তুমি আর আমি, লোক চোখে  এমনটাই ছিলাম বুঝি!! তোমার হৃদয়ে নাকি আজ নবপ্রেমের ঘনঘটা, চলছে নাকি ভালোবাসাবাসি..!! তোমার নব্যজুটি, আমি কিন্তু ঠিক তেমনটাই দেখি।। এটাকে কি জেলাসি বলবে..!! নাকি আমার ভালোবাসাটাই শুদ্ধ ও খাঁটি..!! কি জানি..!! ...

নবীনগরে ৩০পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ গ্রেপ্তার-১

ছবি
মোঃআক্তারুজ্জামান,নবীনগর: ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর থানার সলিমগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই আব্দুল রহিমের নেতৃত্বে এএসআই ইউসুফ সহ সংগীয়ফোর্সের সহায়তায় উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের কুলাসিন গ্রামে রবিবার (২৪/০২)দিবাগত রাতে মাদকের বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩০পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মাদক ব্যবসায়ী দিলীপ দও কে গ্রেপ্তার করেছে সলিমগঞ্জ ক্যাম্পের পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আসামী উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নে কুলাসিন গ্রামের মৃত সুধন দত্তের ছেলে দিলীপ দত্ত(৫০) সলিমগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই মো.আব্দুর রহিম জানান,দিলীপ দত্ত কে কুলাসিন গ্রামের মিন্টু মিয়ার দোকানের সামনে থেকে ৩০পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার করেন। নবীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)রনোজিত রায়,সাংবাদিকদের বলেন,উপরোক্ত আসামী কে মাদকের নিয়মিত মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

হিমু কে উৎসর্গ করে কবি সাইম এর নতুন কবিতা "অনেক বছর পর"

ছবি
সাহিত্য প্রতিবেদক: ১ কিরে কেমন আছিস? ভালো আছিস? না মরে গেছিস? সেই যে কবে দেখা হলো !! দপ্তরি শেষ ঘন্টা দিল। চিনেছিস আমাকে? আমি মৃন্ময়, ছিলাম ক্লাশের ফার্স্ট বয়। এক বেঞ্চিতে বসতাম, গণিতে ভয় পেতাম। ।  আছিস কেমন? চল চায়ের দোকানটায় বসি। আমি আজকাল এ এলাকায় খুব আসি। মনে আছে? কৈশরে লিমার পেছন ঘুরতাম। ওর বাবা দেখলে কি দৌড়টাই না দিতাম। সব কুকর্মের সাক্ষী ছিলি তুই। এই তো সেদিনকার কথা, হাত বাড়ালেই যেন ছুই। । স্কুলের পেছন সিগারেট খাওয়ার কথা মনে আছে? সেবার মনা স্যারের কাছে ধরা খেলে, প্রাণের মায়ায় দৌড় দিলে। দিলাম ছুট নদীর দিকে। ঝাপ দিলেম অথৈ জলে। তুই আর আমি, সেই শৈশবের সাথী। কিরে? চুপ কেন? আছিস কেমন? কাজের চাপে চুপসে গেছিস, তাই কি তোকে লাগছে এমন? ২ তুই ত গেছিস শহর ছেড়ে, আমার কথা খেয়াল আছে!! গেল বর্ষায় দাদা গেল, পরের বার বাবা। মাকে নিয়েই চলছে জীবন, সময় ধরা বাধা। । ইরিনের কথা মনে আছে? রোজ বেলা সম্বন্ধ আসে। আমায় বলে নিয়ে যাও। যা খাও, তাই খাওয়াও। আমার কি আর সাধ্য!! মায়ার বাধায় বাধ্য। আছি বেশ জঞ্জালে। চলছে জীবন সেই তালে। অহিনকুল বেড়াজালে। বাবার অভাব দুকূ...

বইমেলায় এসেছে নুসরাত সুলতানার "ছায়া সহিস"

ছবি
বুক রিভিউ- "ছায়া সহিস" নিয়ে আজিজ ইসলাম নুসরাত সুলতানা বর্তমান সময়ের আধুনিক বাংলা সাহিত্যের  এক আলোচিত নাম। ফেসবুক কেন্দ্রিক বিভিন্ন সাহিত্যিক গ্রুপগুলোতে নিয়মিত তার পদচারণা।  সহজ সাবলীল শব্দে গভীর বিষয়কে উপস্থাপন করে যে পাঠক মনে দাগ কাটা যায় তা নুসরাত সুলতানার কবিতা পড়ে অতি সহজে অনুধাবন করা যায়। তার কবিতায় মূলত গ্রামবাংলার মুগ্ধ প্রকৃতি, সংগ্রামী জীবনধারা, প্রেম, অভিমান, নারীত্ব, দেশ প্রেম, শিশু অধিকার আর এক বিদ্রোহী সত্ত্বাকে খুঁজে পাই। প্রচলিত বিধি বিধানের অসঙ্গতিকে তার কবিতায় আমাদেরকে চোখে  আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন। নিজেকে বারবার ভেঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন রুপে তার কবিতায় হাজির হয়েছেন। তার কবিতায় জীবনের সকাল শাখায় বিচরণ পরিলক্ষিত হয়। বিভিন্ন সাহিত্যিক গ্রুপে পাঠক সমাদৃত নির্বাচিত এক গুচ্ছ কবিতা নিয়ে এবারের একুশের বইমেলায় এসেছে তার প্রথম একক কাব্যগ্রন্থ "ছায়া সহিস" "রচয়িতা "প্রকাশনা থেকে। এর আগে বিভিন্ন সংকলনে তার লেখা প্রকাশিত হয়ে বহুবার পাঠক সমাজে প্রশংসিত হয়েছেন। আপনাদের শুভকামনা, অনুপ্রেরণা,উৎসাহই কবির আগামীর পথ চলার অনুপ্রেরণা। কবিতা পড়ুন "ছ...

বইমেলায় পাওয়া যাচ্ছে আফরোজা ইয়াসমিন মুক্তার কাব্যগ্রন্থ "মেঘবাড়িতে রোদ"।

ছবি
অমর একুশে বইমেলা উপলক্ষে ঢাকায় এবার হাওলাদার প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত আফরোজা ইয়াসমিন মুক্তা এর  একক কাব্যগ্রন্থ  "মেঘ বাড়ি‌তে রোদ"বই‌টি পাওয়া যা‌বে হাওলাদার প্রকাশনীর ১১৭ ও১১৮ নং স্ট‌লে। এছাড়া স্টে‌ডিয়া‌মে অনু‌ষ্ঠিত চট্টগ্রাম বই‌মেলা‌তেও হাওলাদার প্রকাশনী‌তে পাওয়া যা‌বে বই‌টি। কবি অাফ‌রোজা ইয়াসমীন মুক্তা ৪ সে‌প্টেম্বর চট্টগ্রা‌মে জন্মগ্রহণ ক‌রেন। বাবা মরহুম মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী জাতীয় গো‌য়েন্দা বিভা‌গের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছি‌লেন। মা ফ‌রিদা বেগম একজন গৃ‌হিনী। অাফ‌রোজা ইয়াসমীন মুক্তা লেখাপড়া ক‌রে‌ছেন রসায়ন  শ্রা‌স্ত্রে। বর্তমা‌নে অাবৃ‌ত্তি‌শিল্পী হি‌সে‌বে তারু‌ণ্যের উচ্ছ্বা‌সের সা‌থে যুক্ত অা‌ছেন।

"মৌনতায় ধ্বংস " শেখ ফরহাদ রহমান

ছলছল আঁখীমেলে, একবুক নীলকষ্টের আহাকার নিয়ে তাকিয়ে ঐ সর্বহারা স্বকরূন সুরে করে যায় আর্তনাত মানবতার তরে। টলেনা মমতায় মন, আত্মা, বিবেক পাথর মূর্তি তোমরা আমরা সবে নয়তো বিচলিত মৃত্যুর মহামিছিলে। মৌনতায় মহাবিপদ আপাদ মস্তক  পৃথিবীময় হিংস্র হায়েনা আসতে পারে তোমার আমার জনপদে, প্রতিবাদে প্রতিহত যদি না করা যায় কাঁদবে ওদের মত সহসায়। ধর্ম, বর্ণে গোত্রে কিবা আসে যায় মনুষত্য সেতো এক ধারায় প্রবাহিত, ছুঁড়ে ফেলো প্রতিহিংসা জরা; আর বলি হে হিন্দু, মুসলিম,খৃষ্টান  আছে যতো ধর্মপ্রাণ প্রবাহিত রক্ত ধমনীতে তোমার আমার সেতো চীরকালই লাল। আগমন, বিচরনে প্রকৃয়াই নাইতো ব্যাবধান তবে কেন রচ বিজ ব্যাবধান, ক্ষণীকের পৃথিবীতে কিসের এত দম্ভ, পরিশেষে মৃত্যুই যদি হয় শেষ ঠিকানা; ঠাকুর, পুরহিত, পোপ, ইমাম কোথায় তোমাদের অবস্থান কোন সে হিমাতলে? খুলে ফেলো ঐ লেবাসি মিথ্যা অহংকার যদি নাপারো বাঁচাতে মানবতারে। মসনদ ছেড়েছো মৃত্যুর ভয়ে, গোপনে করেছো আতাত নিশ্চয় ! জেনেরাখো পৃথিবীবাসী তোমার, আমার মৌনতায় ধ্বংস হবে আবাসন।

১৫ ফেব্রুয়ারী নরসিংদী মাতাতে আসছে সেরা ব্যান্ড দল

ছবি
জহিরুল ইসলাম: আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারী নরসিংদী নতুন শিল্পকলা একাডেমীতে নরসিংদী জেলা মাতাতে  আসছে বাংলাদেশের সেরা ব্যান্ড দল। এই অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নরসিংদী জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান শামীম নেওয়াজ।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবে নরসিংদী পৌরসভার মেয়র কামরুজ্জামান কামরুল।ব্যান্ড এডভার্ব এর গিটারীস্ট লিংকন জানায় নরসিংদীতে এই প্রথম আমাদের ব্যাতিক্রম এই আয়োজন। মানুষ ব্যান্ড দল কে অনেক ভালোবাসে। মুক্ত মঞ্চে ব্যান্ড দলের গানের মজা বেশি পায় না। এই কারনে আমাদের নতুন উদ্যোগ। আশা করি যারা আসবে তারা অনেক আনন্দ পাবে। আমরা আমাদের সেরা গান গুলা উপহার দিবো দর্শকদের। এই  অনুষ্ঠান টি যারা মাতাবে তারা হলেন বাংলাদেশের সেরা ব্যান্ড দল সুতরাং,মাহটিম সাকিব,ব্যান্ড চাতক,ব্যান্ড ওয়ার,ব্যান্ড এডভার্ব,ব্যান্ড শহরবন্দী। অনুষ্ঠানের টিকেট এর মূল্য নির্ধারন করা হয়েছে  পাঁচ শত টাকা। ছাত্রছাত্রীদের জন্য দুই শত পঞ্চাশ টাকা। যোগাযোগের জন্য:01681881292 টিকেট প্রাপ্তির স্থান : cuitar shop,facefood,KAC,IASJ spicy chicken,Stylus Restaurant,Fries park,S...

কবিতা আমার কাছে যতোটা শিল্প তার চেয়ে বেশি সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার। কবি হানিফ মোহাম্মদ

ছবি
হানিফ মোহাম্মদ। অন্তর্মুখী একজন মানুষ। সূর্যের মতো নিজেকে পুড়িয়ে জীবন জাগাতে ভালবাসেন। . ঢাকা জেলার ডেমরা শিল্পাঞ্চলে জন্ম ২৫ নভেম্বর একটি বাম প্রগতিশীল শ্রমিক পরিবারে। পিতা মরহুম ইদ্রিশ আলী ছিলেন লতিফ বাওয়ানী জুট মিলের প্রকৌশল বিভাগের শ্রমিক, মাতা হনুফা বেগম সাদামাটা গৃহকর্ত্রী। . বাওয়ানী আদর্শ বিদ্যালয়, ডেমরা থেকে এস,এস,সি এবং ঢাকা সিটি কলেজ থেকে এইচ,এস,সি পাশ করে ভর্তি হোন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে বি,এসসি'তে। প্রথম বর্ষ সমাপ্ত করেই ঝাঁপিয়ে পড়েন জীবনযুদ্ধে। সেই থেকে অবিরাম চলছে যুদ্ধ। . ১৯৮৮ সালে স্বৈরাচার-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন এবং যোগ দেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)এ। . কর্মক্ষেত্রে স্কাইল্যান্ড এন্ড ফ্যাম লিঃ সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে সহকারী মাননিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা এবং মাননিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা পদে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।বর্তমানে বেসরকারি সাহায্যসংস্থা সামাজিক উন্নয়ন পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। . কবিতা, নাটক আর রাজনীতি নিয়েই তার কর্মমুখর জীবন। স্কুলে পড়ার সময় থেকেই লেখলেখির শুরু। তারপর থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে লিখে যাচ্ছেন বিভিন্ন পত্রিকায় এবং লিটলম...

ছোট গল্প "জীবন" আব্দুল্লাহ আল ওয়াসিব

ছবি
জীবনে যত বার এগিয়েছি ঠিক তত বারেই পিছন ফিরে তাঁকিয়েছি। জীবনের সিন্ধান্ত গুলো কোথাও না কোথাও গিয়ে ধাক্কা খেয়েছে। জীবনের এক সময় সেই ধাক্কা গুলো প্রকট রুপ ধারণ করেছে। ধাক্কা গুলো খাওয়ার পরে জীবন হয়তো থমকে গেছে, জীবনের স্বাভাবিক গতি হারিয়েছে।  নিজেকে হারিয়ে খুঁজে ফিরি ভূল গুলোর মাঝে।  মাঝে মাঝে মনে হয় যদি জীবনে পিছন ফিরে তাঁকাতে না হতো তাহলে আজ হয়তো বহুদুর এগিয়ে যেতাম। জীবন যখন থম যায় তখন নিজেকে পরাজিতদের কাঁতারে বসাতে হয়। তবে যদি ধাক্কা গুলো স্বাভাবিক ভাবে নিয়ে, জীবনকে এগিয়ে নিতে পারি তাহলে ভূল হওয়ার সম্ভবনা কমে যাবে। আবার সেই ভুল গুলোকে মূল চালিকা শক্তি হিসাবে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে পারি। তাহলে হয়তো জীবনে বাকি পদক্ষেপ গুলো গুলো সঠিক ভাবে নিতে পারবো। যদি ভূল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারি তবেই সম্ভব।  আর এই জীবন নামক যুদ্ধে সবাই জয়ী হতে চায়। হয়তো কেউ পায় আবার কেউ পায় না। কিন্তু তাদের জীবন থেমে থাকে না। জীবন যুদ্ধ সবাই টিকে থাকে কেউ জয়ী কেউবা পরাজয়ী হয়ে। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত বেঁচে থাকার নামই "জীবন"।