পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০১৭ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ওয়ার্ল্ড এডুকেশন কংগ্রেস গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড পেলেন আফরোজা

ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক :নারী উন্নয়ন শক্তির নির্বাহী পরিচালক  ড. আফরোজা পারভীন ওয়ার্ল্ড এডুকেশন কংগ্রেস গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড-২০১৭ পদক লাভ করেছেন। ভারতের মুম্বাই শহরের তাজ হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে এ পদক প্রদান করা হয়।  জানা যায়, ভারতের মুম্বাই শহরের তাজ হোটেলে ওয়ার্ল্ড এডুকেশন কংগ্রেস গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড-২০১৭ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে নারী উন্নয়ন শক্তির নির্বাহী পরিচালক ড. আফরোজা পারভীন ওয়ার্ল্ড এডুকেশন কংগ্রেস গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড-২০১৭ পদক লাভ করেন। নারী উন্নয়নে একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে অবদান রাখায় তাকে এ পদক প্রদান করা হয়।  ওয়ার্ল্ড এডুকেশন কংগ্রেস গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড কমিটির চেয়ারম্যান এডওয়ার্ড স্মিথ তার নাম ঘোষণা করেন। নারী উন্নয়ন শক্তি ১৯৯২ সাল থেকে দুস্থ জনসাধারণের মাঝে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, শিশু সুরক্ষা, মানবাধিকার ও জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।  বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং ঢাকার চেরি ব্লসম ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রিন্সিপাল ড. সালেহা কাদেরও একই অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

আগামীকাল সিডনিতে 'হোয়াইট রিবন ডে-২০১৭'

ছবি
সিডনি প্রতিনিধি: আজ ২৫শে নভেম্বর 'হোয়াইট রিবন অষ্ট্রেলিয়া ডে।' পারিবারিক নির্যাতন বন্ধের সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে হোয়াইট রিবন অষ্ট্রেলিয়া ও নবধারা নিউজ'র আয়োজনে আগামীকাল সিডনির একটি স্হানীয় রেষ্টুরেন্টে “হোয়াইট রিবন ডে-২০১৭” অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমান বিশ্বের অনেক দেশেই বেড়েছে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা। বেড়েছে যৌন হয়রানি, ধর্ষণসহ, অপহরণের ঘটনা। এগুলোর মধ্যে কিছু ঘটনা প্রকাশিত হলেও বেশির ভাগ ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায় লোকলজ্জার কারণে। এসব ঘটনায় নির্যাতিতদের পরামর্শ, বিভিন্ন সহযোগীতা, হটলাইন ও আইনি সুবিধা চাইলে সে জন্য কোথায় যেতে হবে, কার কাছে যেতে হবে সে সম্পর্কে কিছু জানে না। তাই কীভাবে প্রতিকারসহ সুবিধাগুলি পাবেন তা বিস্তারিত জানতে হোয়াইট রিবন অষ্ট্রেলিয়া দল কমিউনিটিতে কাজ করে থাকেন। এই দলে হোয়াইট রিবন অ্যাম্বাসেডর ও হোয়াইট রিবন মেইল এডভোকেটরা কাজ করে থাকেন। 'হোয়াইট রিবন অষ্ট্রেলিয়া ডে-২০১৭' উপলক্ষ্যে হোয়াইট রিবন অ্যাম্বাসেডর আবুল কালাম আজাদ খোকন বলেন, "এখন থেকে নারী ও শিশু পাচার, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়, ধর্ষণ, ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু, যৌন নিপীড়ন ও শিশুকে অঙ্গহা...

প্রত্যেকের প্রায়োরিটি আলাদা। সেটাকে অনুসরণ করার দরকার নেই, অন্তত সম্মান করুন।

ছবি
প্রতিটা মানুষের প্রায়োরিটি আলাদা। প্রায়োরিটি আলাদা মানে কিন্তু মানুষটা ‘ফালতু’, তা নয়। নিজের প্রায়োরিটি দিয়ে অন্যকে বিচার করতে গেলেই তখন অন্য একজনকে ফালতু বা ‘ইউজলেস’ বলে মনে হতে পারে। কিন্তু সবার চিন্তা এবং গুরুত্বের জায়গাটুকু আলাদা- এটা মাথায় রাখলেই অনেক সমস্যা থেকে বেঁচে থাকা যায়। যেমন আমি নিজেকে দিয়েই উদাহরণ দিতে পারি। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আমি ক্লাস ও একাডেমিক কাজ থেকে দূরে ছিলাম(ঠিক অতটা দূরে নয়)।কারণ, আমার প্রায়োরিটি ভিন্ন ছিল।একদিকে বিভাগের শিক্ষক ও পরিবেশ সম্পর্কে এক ধরণের বিতৃষ্ণা এবং অন্যদিকে পারিবারিক স্ট্রং ফাইনান্সের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার একাডেমিক লাইফ খুবই ভালই কেটেছে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের প্রথম স্টাডি ট্যুরে যখন সবাই দলবেঁধে আশুলিয়াতে গেল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস এক্সপ্লোরিং করতে তখন আমি সাভারে, রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে আছি রেড-ক্রিসেন্ট এর কর্মী হিসেবে। আমার কাছে স্টাডি ট্যুরের থেকে গুরুত্বপূর্ণ ছিল রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপে যাওয়া। আমি নিজেকে মহৎ প্রমাণের চেষ্টা করছিনা। আমার প্রায়োরিটি যেমন আমার কাছে, আমার বাকি ক্লাসমেটদের প্রায়োরিটি তাদের কা...

কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আয়েবার মহাসচিবের সাক্ষাৎ

ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক :কানাডার রাজধানী অটোয়ায় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন আয়েবার সাধারণ সম্পাদক কাজী এনায়েত উল্লাহ ইনু সম্প্রতি সৌজন্য সাক্ষাৎ করছেন। অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন আয়েবার উদ্যোগে গত বছরের ১৯ ও ২০ নভেম্বর মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন পেশায় প্রতিষ্ঠিত প্রবাসী ও বাংলাদেশের খ্যাতিমান সাংবাদিকদের উপস্থিতে গ্লোবাল সামিট অনুষ্ঠিত হয়। প্রবাসীদের স্বার্থরক্ষা, প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ অর্গানাইজেশন গঠন করে অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী এনায়েত উল্লাহ ইনুকে সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়। তিনি গত মাসে আমেরিকা ও কানাডায় সাংগঠনিক সফরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগায়। এ সময় মন্ট্রিয়ালের সংসদ সদস্য মার্ক মিলার ও ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ অর্গানাইজেশন কানাডার সমন্বয়ক মাইনুর সরকার উপস্থিত ছিলেন।

ফেসবুকের কবি:নারীর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও সৌন্দর্য বর্ণনা করার নামই কি কবিতা?

ছবি
সকল শ্রেণীর লেখক ও লেখার মধ্যে পাঠককে কেবল আধ্যাত্মিক খোরাক দিতে পারে কবি ও কবিতা । লেখালেখির জগতে কবিতা লেখাই সবচেয়ে জটিল-কঠিন ব্যাপার । সবাই যেমন কবি হতে পারে না তেমনি সবাই কবিতার পাঠকও হতে পারে না । কবিতা লিখতে যেমন ঈশ্বর প্রদত্ত্ব ক্ষমতা থাকা চাই তেমনি কবিতা বুঝতেও ‍উচ্চমাত্রার ভাষাজ্ঞান থাকা আবশ্যক । কবি তার কবিতায় ফুটিয়ে তোলেন সমাজের সমকালীন চিত্র, রাষ্ট্র ও রাজনীতির ভবিষ্যত । কবিগণের অন্য সকল পরিচয়ে পূর্বেই তাদের পরিচয় দার্শনিক হিসেবে । কবিতারও বহু প্রকারভেদ হয় । কবিরা সর্ব সময় সমাজের আধ্মাত্মিক গুরু । শুধু কবি পরিচয়ে আমাদের দেশে কিংবা দেশের বাইরে অসংখ্য কবি খ্যাতির শীর্ষে আরোহন করেছে । তাদের খ্যাতি ছোঁয়ার ক্ষমতা অন্য শ্রেণীর লেখকদের নাই কিংবা তারা এটা ধারণাও করতে পারবে না । অতীতের অনেক কবির নাম উল্লেখ করা যায় যাদের কবিতা পাঠকের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে । কাঁদিয়েছে, হাসিয়েছে আবার যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করেছে । সমকালীন সময়ের কবিদের বিশেষ করে ফেসবুক সর্বস্ব কিছু কবির ভবিষ্যত নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তা হয় । যদিও আমি চিন্তা কিংবা দুশ্চিন্তা করার কর্তৃপক্ষ নই কিন্তু অন্য ভাবনার সাথে এ ভ...

সিঙ্গাপুর প্রবাসীদের বন্ধু নাবেল আল মাসরি

ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক :    সিঙ্গাপুর পুলিশের স্পেশাল কনস্টেবল করপোরাল (সিপিএল) বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাবেল আল মাসরি। এই তরুণ প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করতে সাহায্য করেছেন। সেই কৃতিত্বের কথা মলাটবন্দী হয়েছে সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল সার্ভিস প্রকাশিত একটি বইয়ে। প্রতিবেদন হয়েছে সিঙ্গাপুরের দ্য স্ট্রেইটস টাইমস পত্রিকায়। বাংলাদেশে বেড়াতে এসে শোনালেন আরও অনেক কথা। নাবেল আল মাসরির অভিজ্ঞতা থাকছে ছুটির দিনের প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে। প্রথমেই বললেন, ‘আমি একটু ইনট্রোভার্ট (অন্তর্মুখী)।’ এমন একটা বাক্য দিয়েই নাবেল আল মাসরির সঙ্গে আলাপের শুরু। তবে সংশয় কেটে গেল খানিক পরেই। বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা আর ব্যক্তিজীবনের নানা কথা যেভাবে এগোল, এরপর এই তরুণকে আর যা–ই বলা হোক, অন্তর্মুখী বলা যায় না। আলাপে ঢোকার আগে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই তরুণের কথা একটু বলে নেওয়া যাক। নাবেল আল মাসরি সিঙ্গাপুর পুলিশ ফোর্সের (এসপিএফ) স্পেশাল কনস্টেবল করপোরাল (সিপিএল)। অস্থায়ী এ পেশায় তিনি জড়িয়েছেন গত বছরের এপ্রিলে। তবে বছর দেড়েকের মধ্যেই একটি ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছেন তিনি। কেমন সেটা? যানজ...

সিঙ্গাপুরে তারেক রহমানের ৫৩ তম জন্মবার্ষিকী পালিত

ছবি
রকি পাটোয়ারি,সিঙ্গাপুর প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)'র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের ৫৩ তম জন্মবার্ষিকী পালন করেছে গত ২০শে নভেম্বর সিঙ্গাপুর যুবদল সিঙ্গাপুরের স্থানীয় রয়েল রোডের বাংলাদেশ সেন্টার, সিঙ্গাপুরে। সিঙ্গাপুর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব ইসমাইল হাছানের পরিচালনায় দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে তারেক রহমানের সুসাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে সিঙ্গাপুর যুবদলের  সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা কামালের নেতৃত্বে কেক কেটে একে অপরের প্রতি কেক খাওয়াইয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রধান অতিথি ছিলেন জনাব গিয়াস উদ্দিন সরকার সিঙ্গাপুর বিএনপি নেতা ও প্রধান উপদেষ্টা সিঙ্গাপুর যুবদল। বিশেষ অতিথি জনাব এডভোকেট মামুন অর রশিদ মামুন দপ্তর  সম্পাদক ফরিদপুর জেলা বিএনপি। আরো উপস্তিত ছিলেন সিঙ্গাপুর  যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইব্রাহিম মিয়া, সহ-সভাপতি নাদিম জাহান আজিম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আল আমিন,  যুগ্ম মহাসচিব ওয়াসিম শিকদার,পলাশ মাহমুদ, নূরুজ্জামান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জোবায়ের জিকু, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ রবিউল হক, কর্ম সংস্থান বিষয়ক সম্পাদক আক্তার সরকার...

ওয়ান ইলেভেনের অজানা কথা-১ :সত্যি খালেদাকে মাইনাস করতে চেয়েছিলেন মান্নান ভূঁইয়া?

ছবি
ওয়ান-ইলেভেন। ১১ জানুয়ারী ২০০৭ এ সেনাবাহিনী সমর্থিত বেসামরিক সরকার ক্ষমতায় আসে। এইদিনটিকে ওয়ান-ইলেভেন বলে আখ্যায়িত করা হয়। বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে রাজনীতিবিদদের জন্য একটি কলঙ্কিত অধ্যায়। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মতো প্রধান দু’টি দলের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক সমঝোতা না হওয়ায় দেশ যখন স্থবির হয়ে পড়ে তখন ওয়ান-ইলেভেন আসে।  রাজনীতির ওপর বীতশ্রদ্ধ সাধারণ জনগন প্রথমে ওয়ান-ইলেভেন সরকারের ওপর আস্থা রেখেছিলেন। তারা স্বস্তি পেয়েছিলেন। দেশের সেনাবাহিনী প্রথম বারের মতো সংবিধান স্থগিত করে সেনা শাসন জারি না করে দেশের সুশীল ব্যক্তিদের দিয়ে অরাজনৈতিক সরকার গঠন করে দেয়। স্বচ্ছ রাজনীতিবিদরা মনে করেছিলেন, ওয়ান-ইলেভেন দেশের রাজনীতিতে গুনগত পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে। কিন্তু তা হয়নি। বরং সংস্কারের নামে প্রধান দুইটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের মধ্যে পারষ্পরিক অনাস্থা, সন্দেহ, অবিশ্বাসের জন্ম হয়। যার রেশ এখনও কাটেনি। ওয়ান-ইলেভেনের ফখরুদ্দিন -মইন ইউ সরকার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে জেলে নিয়েছিলো। নেতাদের বিভক্ত করার পাশাপাশি ওয়ান-ইলেভেনের সরকার দলে...

নতুন প্রজন্মের এ কেমন বিজয় দিবস: রকি পাটোয়ারী

ছবি
নতুন প্রজন্মের এ কেমন বিজয় দিবস  রকি পাটোয়ারী ----------------------- বছর ঘুরে আসে ফিরে বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে, মোদের কাঙ্ক্ষিত মহান বিজয় দিবস হৃদয়ে তাই লাগে দোলা। বিজয় দিবস আসে আনন্দ উল্লাস ভরে নেতা নেত্রীদের ফুলের তোড়ার ভারে, যেন চলে যায় বিমর্ষ চিএে তড়িঘড়ি করে। রাত যখন ঠিক বারটা ঘড়ির কাটায় কাটায়, ফুল দেবে, কে আগে কে পরে, এ হুলস্থুল হুড়াহুড়ি আর ধাক্কা ধাক্কির জ্বালায়, শহীদের আত্মা মেকি হেসে ফিরে যায় লজ্জায়, আর যেন বলে যায় একি হচ্ছে সোনার বাংলায়। মোদের তরে বিজয়ের এ বার্তা এই যে অমর স্বাধীনতা, এনে দিতে যারা দিয়ে গেল প্রান এমনি করে বছরে একদিন কিছু ফুল দিয়ে, দিতে চাই কি মোরা তাদের রক্তের প্রতিধান। শহীদের আত্মা আজ কেঁদে কেঁদে ফিরে,  আর প্রশ্ন রেখে যায় নতুন প্রজন্মের তরে, কোথায় হারালো আজ সেই স্বাধীনতা যার জন্য দিয়েছি প্রান মোরা। স্বাধীনতা একি শুধু মুখের বুলি শুধুই রূপ কথা, বাস্তবে তাকি শুধুই মেকি শুধুই ভাষন আর বক্তৃতা। --------সমাপ্ত------

ছাত্রছাত্রীদের ল্যাপটপ অনুদান করেন কবি ওবাইদুল হক

ছবি
রাঙ্গুনিয়া সংবাদ দাতা ঃ রাঙ্গুনিয়া সাহাব্দীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের জন্য  গতকাল একটি ল্যাপটপ দান করেন রাঙ্গুনিয়া সাহাব্দীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র কবি ওবাইদুল হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্কুল কমিটির সদস্য জনাব ইসমাইল তালুকদার, কামাল হোসেন, সনজিত কুমার, প্রমুখ, অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সিনিয়র সহ-প্রধান শিক্ষক, নিজাম উদ্দিন,তুষার দাস,ইকবাল হোসেন,সহ উপস্থিত সবার হাতে ল্যাপটপ হস্থান্তর করেন। পরে ছাত্রছাত্রীদের ক্লাসে তাদের প্রাথমিক ধারনা দেয়া হয়। এতে ছাত্রছাত্রীরা বেশ আনন্দ উপভোগ করেন। এদিকে কবির সাথে একান্ত কথা বলে জানতে চাওয়া হয় কি উদ্দ্যেশে এই অনুদান। তিনি জানান, বাংলাদেশে অধিকাংশ ছেলেদের প্রবাসে পাড়ি হয়, কিন্তু কারিগরি দক্ষতা না থাকার কারনে অনেকেই জীবনের ভাগ্যের চাকা পরিবর্তন করতে পারছেনা। আগামী প্রজন্ম তাঁরা বিদেশে গিয়ে অনেক শিক্ষিত লোক লেভারের কাজ করতে হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা না থাকার কারনে। কবি ওবাইদুল হক মনে করেন বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে আমাদের অবশ্যই লেখা পড়ার দক্ষতা অর্জন করতে হবে। বিশ্বের ভিবিন্ন প্রান্তে বাংলাদেশের ছেলে গুলো সেই দক্ষতার জন্য ...

নিজের প্রকৃতির সাথে জগতভাব না মেশালে জীবন অর্থহীন, দর্শনহীন।

ছবি
সুখ যেখানে আছে, দুঃখ থাকে তার কাছে মানুষ সর্বদা ভবিষ্যতের আশায় বর্তমানকে অতিক্রম করে। তাই কল্পনার আবর্তে তার বসবাস। চরম বাস্তবতা হচ্ছে ভাগ্যের নিষ্ঠুর পরিহাস; যেখানে বিধি বাম। আর পরম বাস্তবতা হচ্ছে ভাগ্যের আনুকূল্য; যেখানে বিধি ডান।  যা চলে গেছে তা অতীত। আর যা হবে তা ভবিষ্যত্। ভবিষ্যত্ মাত্রই কল্পনা। সুতরাং বর্তমান অবস্থাই জীবন। আর মানুষ সেই অতীত, বর্তমান এবং অনাগত ভবিষ্যতের ধারক, বাহক। নিজেকে নিয়ে মানুষের এত চিন্তা ভাবনা, এটা সাময়িক নয়। অনাদিকাল থেকেই মানুষ নিজেকে নিয়েই চিন্তা করে, ভাবে।  নিজেকে সবসময় প্রমান করতে চায় তার লক্ষ্যমানে। নিজেকে না চিনলে অন্যকে বোঝা যায়না, প্রকৃতির আশ্চর্য সৌন্দর্যও উপলব্ধি করা যায়না, কাউকে ভালবাসা যায়না। যে নিজেকে জানেনা, চেনেনা সে তাকে সামলেও রাখতে পারেনা, অন্যকে কষ্ট দেয়, নিজে সংশয়ে থাকে, মানুষকে করুনার বেড়াজাল দিয়ে আটকে রাখার ভ্রান্ত চেষ্টা করে।  লালনের কথায়ই আছে, "আপোনারে চিনতে পারলে, যাবে অচেনারে চেনা। " মানুষ আমরা কখনই নিজের জন্য বাঁচিনা। মানুষ বলে মানুষ স্বার্থপর কিন্তু আদৌ কি মানুষ স্বার্থপরতাকেই আজীবন বেছে নেয়! ...