পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারি, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল -বিপ্লব হোসেন মোল্লা

ছবি
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল -বিপ্লব হোসেন মোল্লা একটি গল্প বৃহৎ অল্প ১৩০৬ বাংলা,আঠারোশ নিরানব্বই আসিয়া ছিলো পৃথিবীতে ১১ই জ্যৈষ্ঠ,২৪শে মে সে মোর কবি কাজী নজরুল। কর্মক্ষেত্রে মুয়াজ্জিন লেটোগানের দলে রুটির দোকানে কাজ করেছে অন্ন পাবে বলে। অন্যায় অবিচার রুখতে দিয়েছে প্রেমময় গানের সুর সে মোর কবি কাজী নজরুল। সব্যসাচী, কমল কাটা, সাম্যবাদী অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, বিদ্রোহী সন্ধা, সন্ধাতারা, ফাল্গুনী ধুমকেতু, ঈশ্বর, প্রভাতী, নারী। মৃত্যুক্ষুধা, বনগীত, কুলি-মজুর সে মোর,সত্য কবি কাজী নজরুল। তুমি বিদ্রোহী আমি অবাধ্য আমি বুঝিনা কোথায় সুখের সমুদ্র বুঝিনা কোনটা সত্য-মিথ্যা বুঝিনা কোনটা বেদ-গীতা। বুঝিনা কে ঘাতক কে বিচারক বুঝিনা কে সুজন্মা কে জারজ বুঝিনা কে রক্ষক কে ভক্ষক বুঝিনা কেমনে জীবন স্বার্থক। বুঝিনা কোনটা আলো আধার বুঝিনা কোনটা মানবাধিকার বুঝিনা কোনটা দায়িত্ব কর্তব্য বুঝিনা কেমন মনুষ্যত্ব। আমি বুঝি তুমি ফুল বকুল তুমি মোর কবি কাজী নজরুল । আমি বুঝিনা কোনটা ঠিক-বেঠিক বুঝিনা কে ধর্মিক কে অধার্মিক । বুঝিনা কে হিন্দু...

কবি এ.আই রানা চৌধুরীর কবিতা ‘কেমন বাঙালি’

ছবি
কেমন বাঙালি এ.আই রানা চৌধুরী বাংলাতে না বলি কথা বাঙালি কেমন তবে? বাংলার বুকে জন্মে মোরা বাঙালি হবো কবে? কথায় কথায় ইংরেজিতে অনেকে বলে কথা, এসব শুনে হৃদয় আমার পেয়েছে হাজার ব্যথা। রফিক সালাম কেন তবে বিলিয়ে দিলো রক্ত? আমরা এমন জাতি হায়রে একুশেই শুধু ভক্ত। হাজার হাজার সালাম জানাই একুশে ফেব্রুয়ারি, অন্তরে নই বাঙালি যে বাঙালি বেশ যে ধরি। রচনা কাল:  ০৪/০২/২০২০খ্রিঃ

কবি হিমু রাশেদের কবিতা ‘পতিতা আমি’

ছবি
পতিতা আমি হিমু রাশেদ মানুষ...নয়! পতিতা আমি । আমি পতিতা বলেই গর্ববোধ করি। মানুষ হতে ইচ্ছে হয় সখের জীবন-করাত। পতিতা হওয়ায় এথেকে মুক্তি দেয় খুুব সহজে আমায়। আমি পতিতা বলেই গর্ববোধ করি। সতি; সেতো কেতোনা ছল-চাতুরী,টাল-বাহানা নীতি প্রঙ্গা চুুরি। আমার সেতো খোলা দোকান; পয়াস দিলেই মিলবে রসদ হাড়ী। আমি পতিতা বলেই গর্ববোধ করি। সাজো তুমি কার জন্যে? বাহিরে-অন্তরবাসে। বলিবে; স্বামীর নজর যেনো আসে। বলি; চোখ শুধু তার কপালেই? অন্যরা অন্ধকারে! আমি সাজি সবার হয়ে। আমি পতিতা বলেই গর্ববোধ করি। আমি কাজকরি- দেহ, রক্ত ঘাম ঝরায়ে সর্বে সজ্যে, তার তুলনা সুধইু কৃষক দিন মুজুর দ¦য়ে। আমি পতিতা বলেই গর্ববোধ করি। চাকুরীর দোহায় বাহির হও সাত সকালে, ফেরো সান্ধোপরে, বসকে খুশি রাখাতে, মায়নে বাড়াতে,  কতোনা রঙ্গিন চেহারায় থাকো ঘোরে। আমার সেতো সস্তা ক্রিম স্বল্প কাপুড়ের জামা,  আর একটু চোখে চোখ রাখলেই শিধে সখা। আমি পতিতা বলেই গর্ববোধ করি। অভিনয় করতে করতে বড়ই কøান্ত তুমি। আর আমার অভিনয় একই; সে পতিতা আমি। আমি পতিতা বলেই গর্ববোধ করি। বুঝলাম তোমার আয় হালাল,তারপরও মসজিদ গীরজা উপসনালয়ে দ...

'ফিরে এসো' এ বিশ্বাস দেলোয়ার

ছবি
ফিরে এসো   এ বিশ্বাস দেলোয়ার আমার খেয়ালে,আমার যতনে বসতি ছিলো হৃদমাঝারে খুব কাছের,চিরোচেনা মুখ ভুলে থাকতে সবকিছু। আত্মা থেকে আত্মার সঞ্চার পথ খুব সহজেই বোধগম্য অবাধ আসা যাওয়া ছিলো ইচ্ছের অনুকুলে। কোন অভিমানে চলে গেলে দুরে…..বহুদূরে হৃদয়ের পথ ধরে আরো দূরে….। এখনোও……………. ফিরে দেখি অশুণ্য স্মৃতিচারনে চেয়ে থাকি পথপানে ফিরে এসো সেই পথ ধরে।

নুরুল আলম বাকুর কবিতা 'বাংলা আমার মাতৃভাষা '

ছবি
বাংলা আমার মাতৃভাষা  নুরুল আলম বাকু বাংলায় হাসি বাংলায় কাঁদি বাংলায় জীবনের সুরতান বাঁধি বাংলায় গাই গান বাংলা আমার মাতৃভাষা বাংলা আমার প্রাণ। বাংলায় রচি প্রেমের পদবলি বাংলায় বলি বিরহের কথাকলি বাংলায় গাই জীবনের জয়গান বাংলা আমার মাতৃভাষা বাংলা আমার প্রাণ। নিদ জাগরনে অনুভব অনুরননে বাংলা করে পরম শান্তিদান বাংলা আমার মাতৃভাষা বাংলা আমার প্রাণ। বাংলা আমার হৃদয়ের কলতান যুগ যুগ ধরে দিয়েছে সম্মান বাংলা ভাষা জুড়ায় যে প্রাণ বাংলা আমার মাতৃভাষা বাংলা আমার প্রাণ। বাংলাস্রোতে ভেসে যাক জ্বরা বাংলাস্নানে সুচি হোক ধরা বাংলা দানুক নতুন প্রাণ বাংলা আমার মাতৃভাষা বাংলা আমার প্রাণ। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে দামাল ছেলেরা উদার মনে সালাম রফিক জব্বার বরকত অকাতরে দানিল প্রাণ বাংলা আমার মাতৃভাষা বাংলা আমার প্রাণ। মায়ের ভাষা রক্ষার তরে বীরেরা জীবন উৎসর্গ করে রাখলো দেশের মান বাংলা আমার মাতৃভাষা বাংলা আমার প্রাণ। যতদিন রবে বাংলা এ ভবে ততদিন যেন অনাদর অবহেলায় তাদের এ ত্যাগ হয়না কভু ম্লান বাংলা আমার...

'হঠাৎ' বখতিয়ার রহমান

ছবি
হঠাৎ বখতিয়ার রহমান হঠাৎ রফিক সাহেবের চিঠি এসে গেলো। রফিক সাহেব তার ট্রান্সফারের চিঠি হাতে নিয়ে খুলনা শহরের বয়রাই এসে উঠল গোধূলী সন্ধায়।জাগাটা নতুন, তবুও তাদের বেশ পছন্দ হলো। রফিক সাহেবের এক মেয়ে ও এক ছেলে, মেয়েটার নাম মিরা, আর ছেলেটার নাম হিরা। মিরা ক্লাস টুয়েল মানে ১২ ক্লাসে পড়ে, বাবার বার বার ট্রান্সফারের  জন্য মিরার ২ বছর জীবন থেকে নষ্ট হয়ে গেছে, তাই মিরা এবার এইচ. এস.সি পরিক্ষার্থী। আর হিরা তো হিরাই, ক্লাস এইটে ট্যালেন্ট ফুলিতে বৃত্তি পেয়ে ক্লাস নাইনে। মা গৃহিনী। থাকলো রফিক সাহেব, তিনি সরকারী কর্ম কর্তার বড় অফসার, তাই রফিক সাহেবকে দুই এক বছরের বেশি এক জাগাতে রাখেনা। ট্যানেচ ফারের চিঠি হাতে ধরিয়ে দিয়ে এ শহর থেকে ও শহর বদলি করে দেয়। নতুন বাসাতে উঠতেই যেন সব কিছু নতুন নতুন লাগছে তাদের কাছে। ঘরটা যেন শাত রঙের রং তুলিতে সাজানো। সারা রাত নতুন বাসা নিয়ে কথা বলা-বলি করতে করতে নিশী কেঁটে ভোরের সোনালী সৃর্য উদাই হলো। শুরু হলো নতুন জীবন।নিজেকে সাজানোর এক হঠাৎ সময়। যে সময় একবার চলে গেলে তা আর কখনো ফিরে আসেনা। সময়টা ছিলো গরমের, সকালের দক্ষিনা মৃদ্য বাতাসে মিরার দিঘন...

দনিয়া পাঠাগার-থিয়েটার হল

ছবি
বোরহান বিশ্বাস: দক্ষিণ দনিয়ার গোয়ালবাড়ি মোড়ের শাহী মসজিদ সড়ক, বায়তুস সালাম জামে মসজিদ সড়ক কিংবা গোয়াল বাড়ি সড়ক- তেমন প্রশস্ত নয়। তবে এ সরু সড়কগুলোর যে কোনো একটি দিয়েই চলে যাওয়া যায়  দনিয়া পাঠাগার ও দনিয়া স্টুডিও থিয়েটার হলে। পাড়া-মহল্লায় পাঠাগার থাকাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু স্টুডিও থিয়েটার হল? সুস্থ বিনোদনের জন্য যে তাও হতে পারে সেটি প্রমাণ করেছেন দনিয়ার কিছু সংস্কৃতিমনা তরুণ। অপেক্ষাকৃত কম উন্নত এলাকাও যে সাংস্কৃতিক চর্চার পীঠস্থান হতে পারে তা তারা করে দেখিয়েছেন। আশির দশকের একেবারে শেষ ভাগে কয়েকজন তরুণের প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠে দনিয়া পাঠাগার। গোয়ালবাড়ি মোড়ের সেদিনের সেই টিনের ঘরের পাঠাগার থেকেই গড়ে উঠেছে আধুনিক মানের স্টুডিও থিয়েটার হল। দনিয়া পাঠাগারের অধীনেই পরিচালিত হচ্ছে এটি। এখানে একসঙ্গে ১০০ জন দর্শক প্রদর্শিত নাটক কিংবা চলচ্চিত্র দেখতে পারেন। এই মঞ্চে এরই মধ্যে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সফল আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। আর প্রতিটি অনুষ্ঠানেই দর্শকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। গত বছর ৯ ফেব্রুয়ারি দনিয়া পাঠাগারের ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্...

কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতি বিজড়িত তেওতা জমিদার বাড়ি

ছবি
বোরহান বিশ্বাস: প্রমীলা-নজরুল সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কিছুদিন আগে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার তেওতা জমিদার বাড়ির মাঠ সংলগ্ন ‘নজরুল-প্রমীলা স্মৃতি মঞ্চে’ আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সাইফুল ভাইয়ের আমন্ত্রণে সেখানে যাওয়া  হয় আমার। স্থানীয় কিশোর-কিশোরীরা বিভিন্ন জায়গা থেকে জমিদার বাড়িতে বিকেল কাটাতে ছুটে এসেছে।  জেনেসিস থিয়েটারের নূর হোসেন রানা ভাই, ইমন, ইকবাল, সমুদ্র আর আমিও ছিলাম সেদিন। শুকিয়ে যাওয়া ছোট্ট খাল পেরিয়ে জমিদার বাড়ির পেছনের সবুজ ঘাসের মাঠে উঠতেই গোবর দিয়ে বানানো ঘুঁটে চোখে পড়লো। সূর্য ডুবু ডুবু। ইকবালের ক্যামেরায় পড়ন্ত বিকেলে জমিদার বাড়ির কিছু ছবি তুলে ফেললাম। বেশ পুরনো জমিদার বাড়ি। অনেক জায়গায় ইট খুলে পড়েছে। পলেস্তারা নেই অনেক দেয়ালেই। অযত্নে থাকার ছাপ সবখানে। বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতেই মূত্রের উৎকট গন্ধ নাকে এলো। ছোট পরিসরের দরজা দিয়ে ঘরের ভেতর তাকিয়ে মাটির ঢিবি চোখে পড়লো। অনেকদিন অব্যবহৃত থাকলে এমনটা হয়। জমিদার বাড়ির সামনের অংশে কাঁটা তারের বেড়া। যা তেমন কোনো কাজে আসে না বলে দেখে মনে...

আব্রাহাম লিংকনের ঐতিহাসিক চিঠি

ছবি
একদিন ক্লাসে একজন ম্যাডাম আমাদেরকে আমেরিকার ষোড়শ রাষ্ট্রপতির আব্রাহাম লিংকনের কাছে চিঠিটি পড়তে বললেন, যা তিনি তাঁর সন্তানের জন্য প্রধান শিক্ষকের জন্য লিখেছিলেন; সেই অনুসারে আমরা সেই ক্লাসে পড়েছি। পরের ক্লাসে, তিনি এসেছিলেন এবং চিঠিতে আমরা কতগুলি মানবিক গুণাবলি পেয়েছি তা জানতে চেয়েছিলাম। আমরা প্রত্যেকে প্রত্যেকেই উত্তর দিচ্ছিলাম, কিন্তু ম্যাডাম বোর্ডে একটি গোল চিহ্ন রেখে 'আব্রাহাম লিংকনের চিঠিতে মানবিক গুণাবলী' লিখেছিলেন এবং তারপরে বোর্ডে গিয়ে প্রত্যেককে চিঠিতে বর্ণিত একটি গুণ লিখতে বলেছিলেন। এক, দুই, তিনটি এভাবে লেখার সময় আমরা চিঠিটি সত্যিই কিছুটা বুঝতে পারি। আমি হাসছিলাম আর বলছিলাম আমরা কত বোকা; আমাদের কেবল একটি চিঠি বোঝার ক্ষমতা নেই। আমরা যে গুণটি প্রথম আবিষ্কার করেছি তা হ'ল জ্ঞান প্রতিটি আদর্শ মানুষের জন্য প্রয়োজনীয়। শুধুমাত্র তখন. লিংকন বলেছেন প্রত্যেককে খাড়া হওয়া উচিত; পাশাপাশি মনে করিয়ে দেওয়া, সমস্ত মানুষ সত্যবাদী হয় না। আমরা ভাবি না যে লোকেদের খারাপ হিসাবে আমরা জানি বা স্বীকৃতি দিয়েছি তারা ভুল বা আমরা ভাবতে পারি যে অন্যেরা যারা মন্দ বলে মনে কর...

বর্ষা মুখর দিন

ছবি
বৃষ্টি কখন যে শুরু হয়েছে আর কখনইবা থামবে- দুটোর কোনটারই ইয়ত্তা নেই। শহরে বর্ষা মানেই এক হাঁটু জল, কাদাপানি মাড়িয়ে অফিস ছুটতে থাকা। ভোগান্তির মাত্রা এমনই চরমে যে, রবি ঠাকুরের ‘ঝর ঝর মুখর বাদল’ উপভোগ্য হয়ে ওঠে না। ফুটপাত থেকে দালানের চৌকাঠ, সবখানেই জলের বাড়বাড়ন্ত। বর্ষা নগর জীবনে প্রাণের স্পন্দন থামিয়ে দিয়ে যায় যেন। অথচ শৈশবে এই বর্ষায়, একটা ‘রেইনি ডে’ আশীর্বাদ হয়ে আসতো। সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখ রগরাতে রগরাতে যেদিন অঝোর বৃষ্টির সাথে দেখা হতো, সেই দিনের মত আনন্দময় আর কিছুই যেন হয় না। মফস্বলের শেষ দিকটায় দিগন্ত জোড়া মাঠে একবার একটা মার্বেল কুড়িয়ে পেয়েছিলাম। স্কুলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ওই ছিল সর্বোচ্চ সুখকর স্মৃতি। কিন্তু বলা-কওয়াহীন এই বর্ষার আগমন সেই স্মৃতিকে এক ঝটকায় কোথায় যেন দমকা বাতাসের সাথে উড়িয়ে নিল। এমন দিনে মা বলতেন, ‘থাক আজ আর স্কুলে গিয়ে কাজ নেই’। এরপরই অপ্রত্যাশিত দিনটা কীভাবে কাটবে তার পরিকল্পনা শুরু হয়ে যেত। ঘরের দেরাজ, উঠোনের কোনা বা সিলিং থেকে বের হতো কিম্ভূত সব খেলনা। যেন গুপ্তধন। শৈশবের খেলনা বলতে তো সেই। প্ল্যাস্টিকের আধিক্য সেসময় ছিল না। হয় জোড়াতালি দেওয়া ...

কবি বিপ্লব হোসেন মোল্লা’র কবিতা ‘একমুঠো ভাত ’

ছবি
একমুঠো ভাত                       বিপ্লব হোসেন মোল্ল         কখনো কি কেঁদেছো তুমি              একমুঠো ভাতের জন্য কখনো কি পেতেছো তুমি,              পাঁচটি টাকার জন্য হস্ত?                      তবে কি বুঝবে! নদী মাঝে লঞ্চ চলে                         কাঁদে কত শিশু পথে পথে ভাত খুজতে                          হেঁটেছে কি যিশু? হাঁটেনি যিশু, কাঁদেনা কারো মন কাঁদে যত শিশু, তার অসহায় সজন!                     ধমক দেয় সাহেব দাতা                            টাকা দেবো না যা! ওরে সাহেব, তেহেরী কাচ্চি খাও অর্ধেক খাও ...

কবি জাহাঙ্গীর এ. মল্লিক’র কবিতা ‘ঘুম-প্রেম’

ছবি
ঘুম-প্রেম                                    জাহাঙ্গীর এ. মল্লিক মোহনীয় আর মায়াময় ঘুম-নেপথ্য ; সাধারন বিবরন-বর্জিত সুখাচ্ছন্নতায় ললিত    মিলিত মানব-মানবী বলিত......... ধীরে শুয়ে থাকিবার আহ্বল্লাদীয় ঘুম ।  ভাল বাসি আমি ; আমার..... শিঁকড়-বৃত্তের দহরম-মহরম হারানোর আগে খোঁজা শব্দম উল্টো রথের পীঠে সব হাজারময়ম                        ....শান্তি আশ্রম , পূর্বতম বংশ-গোষ্ঠী অহর্নিশ সরগরম                      ঘুম-ঘুম সহ্যম ....। মোহ আর মায়াময় প্রেম-নেপথ্য ; অসাধারন বিবর্তন-অর্জিত অবধারিত... ‘অলিত-গলিত’..পালিত........ বধিরে ঘুম-চুম বাসিবার প্রত্যায়িত, ভালবাসি অঅমি ; আমার...... সৌধিও বৃত্তের পরম-মরম, পাওয়া না পাওয়ার মর্মে শরম , সোজা-পথে ঘোরা ঘুম-প্রেম মম     প্রেম সাহসিক  ....শান্তি আশ্রম । পরতম অমরত্বময় সমাধ...

কবি মুন্সী কবির এর কবিতা ‘২১শে'র গজল’

ছবি
২১শে'র গজল -মুন্সী কবির ফাগুন আসি-আসি পলাশ বনে বড় উদ্বেল শত কু্ঁড়ি, ফুল হবে যবে তবে অঞ্জলী হবে ত্যাগের অহমে জ্বলবে ভাষার মিনারে গৌরবে। বাতাসে তখন শুধু একটাই তান আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো মাতৃভাষার গান। বিটোফেন হেরে যাবে এই গানে সুরের বাঁশীও নিভে যাবে অভিমানে, মিঞা তানসেনের সেই সে অগ্নি ধ্যানে তনয়া তানসেন করবে যে আলাপ তাতেও মেঘের চোখে শুধু বৃষ্টির বিলাপ। সারা বিশ্বে মাতৃভাষার লাগি শুধু একটাই গজল আজ প্রভাতফেরীর মিছিলে যা ঝরিছে অনর্গল হতবাক হবে বিশ্ব বেঁচে রবে যত পল! একুশের এই মন্ত্রবীজ উড়িছে সপ্ত গগনে বাংলা, বাঙালি,বাংলা ভাষা আজ বিশ্ব মহিমান্বে।।

এ.আই রানা চৌধুরী‘র কবিতা ‘মা এখন বৃদ্ধাশ্রমে’

ছবি
মা এখন বৃদ্ধাশ্রমে এ.আই রানা চৌধুরী ষাট বছর পেরিয়েছে, মা এখন বৃদ্ধাশ্রমে; পেছনে ক্রন্দনরত সোনালী অতীত। একটা সময় ছিল, মায়ের স্নেহের খোকা মা মা বলে সারা বাড়ি মাতিয়ে রাখতো। বাবা বকলে মায়ের আঁচলে মুখ লুকাতো। কেউ মারলে তবে নালিশ হতো- "মা দেখ, ছোটন আমায় মেরেছে।" স্কুলে যাবে না বলে গোটা ডজন বায়না, মায়ের কোলে মাথা রেখে ঘুমানোর স্বাদ নিতে এক চিলতে ভুল হতো না খোকার। ঘুম না আসলে- "একটা গল্প শোনাও না মা।" রাজা-রানি পরীর গল্প শুনে তবেই ঘুমের রাজ্যে পাড়ি জমাতো সেই ছোট্ট খোকা। ঘুম ভাঙলে আলতো করে চুমু পেত, প্রত্যুত্তরে মায়ের গালেও পড়তো ভালোবাসার দাগ। দিনে দিনে দিন বদলেছে, নতুন প্রেক্ষাপট জন্ম নিয়েছে জীবনের রংচঙে আঙিনায়। যৌবনে পদার্পণ করেছে সেদিনের সেই ছোট্ট খোকা। আর মা, এখন আর আগের মতো নেই। বার্ধক্য ছুঁয়েছে তাঁর অস্তিত্বকে; জন্ম নিয়েছে নতুন প্রেক্ষাপট। খোকা এখন সুখে থাকে অগাধ সম্ভ্রমে একলা একা পথ চলে মা এখন বৃদ্ধাশ্রমে।