পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০১৮ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ছোট গল্প -তুমি আমার আপন মানুষ যে..

ছবি
লেখক-: জাকওয়ান হুসাইন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দুপুরটা আজ কেমন যেন বিষন্নতায় ভরা। সময় যেন থমকে দাঁড়িয়েছে। সকাল থেকে বেশ কয়েকটা লাশ এসেছে এ পর্যন্ত। চারদিকে অসংখ্য পুলিশ আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে সকাল থেকেই রাস্তায় ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা। সরকারের অগনতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে রাজপথে নেমে এসেছিল অসংখ্য ছাত্র তরুণ। মিছিলে পুলিশের হামলায় নিহত হয় অনেকেই। ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সুদীপ্ত শাহরিয়ার  সকাল থেকে ব্যস্ত লাশগুলোর পোষ্ট মর্টেম করা নিয়ে। আজ তার মন ভাল নেই। তার দীর্ঘ চিকিৎসক জীবনে বহু লাশের পোষ্টমর্টেম করেছেন। একটুও খারাপ লাগেনি। কিন্তু আজ তার নিপুন অভ্যস্ত হাতটা কেন যেন কাপছিল এই তরুণদের শরীরের ছুড়ি কাচি চালাতে। ৬টা লাশের পোষ্টমর্টেম শেষ করে ৭ নম্বরটার কাছে যেতেই প্যান্টের পকেটে অর্ধেক বের হয়ে আসা একটা মানিব্যাগ দেখতে পায়। অ্যাটেনডেন্টকে দেয়ার জন্য মানিব্যাগ তুলতেই একটা সাদা কাগজ দেখতে পায় মানিব্যাগে। কৌতুহলবশত কাগজটা খুলতেই বুঝতে পারে এটা একটা চিঠি। মনে পড়ে যায় আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর সেই বিখ্যাত ...

নীলিমা নীলু'র কবিতা কলম

ছবি
আমার আছে একমাত্র পরম বন্ধু তার নাম কলম এ যে শত্রুর যম কলম তুমি নও শুধু ক্ষুদ্র তুচ্ছ হাতিয়ার কাগজের বুকে খসখস শব্দে ধেয়ে চল সে শব্দ যেন চলমান ট্যাংক বহরের গর্জন নিধন কর শত্রু,জয় কর কত জনপথ রাজধানী। তোমার মহান আসন মানুষের হৃদয় বরাবর জামার এক ছোট্ট পকেটে তোমার আয়তন ত সুবিশাল নয় অথচ তোমার দাপট এটমের চেয়েও ভয়ংকর। ধ্বংস কর, কর নির্মাণ, কত মানব মন জ্ঞানী গুণীরাই জানে তোমার মহিমা অপার কেবল তারাই তোমাকে করে সদ্ব্যবহার, করে ধারণ আমরণ পণ...।

মিঠুন সাহা নরসিংদী ছাত্র-যুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত

ছবি
জহিরুল ইসলাম :  নরসিংদী হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সভায়, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য, সাবেক রাষ্ট্রদূত ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ড. নিমচন্দ্র ভৌমিক| উপস্থিত ছিলেন সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক নরসিংদী জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ| সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক নরসিংদী হিন্দু মহাজোট| সভাপতিত্ব করেন নরসিংদী হিন্দু-বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের অধ্যাপক অহিভূষন চক্রবর্তী, সভা সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক রঞ্জন সাহা| সভায় বক্তব্য রাখেন নরসিংদী জেলা যুবলীগের সভাপতি বিজয় কৃষ্ণ গোস্বামী সহ হিন্দু সমাজের নেতৃবৃন্দ| উক্ত সাধারণ সভায় নরসিংদী জেলা ছাত্র যুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি এলটন গোস্বামী মিঠুন সাহা কে সভাপতি ও সুমন ঘোষ কে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করে নরসংদী শহর শাখার কমিটি ঘোষণা করে|

কবিতা নীলিমা নীলু

ছবি
কবিতা!  তুমি আমার পরম আনন্দ আমার প্রিয়তম সখা আমার স্বপ্নচারিনী তুমি আমার কল্পনায় অদেখা। তুমি আমার অন্তরের সুখ বসন্তের সুস্নিগ্ধ সমীরণ দুঃখে বেদনায় তুমি জননীর আকুল স্নেহভাজন। সংগ্রামে সংকটে তুমি প্রেরণাদায়িনী একান্ত সুহৃদ তোমার সাধনায় জাগি নিরব রজনী চোখে নাই নিদ। চির সাথী হয়ে তুমি থাক মোর জীবনে মরণে অস্ত না যাওয়া গ্রহ তাঁরা তুমি আমার গগনে। আমার ভাষা আর শব্দের নৈপুণ্য হও মূর্তিমান জেগে থাকো তুমি হৃদয়ে উজ্জ্বল মহীয়ান।

ছোট গল্প আমার কথা গল্পকার মনি রায় ঘোষ

ছবি
"ছোটবেলা থেকেই আমি একটু সাহিত্য প্রেমী।যেকোন ধরনের গদ্য পদ্য দেখলেই জল দিয়ে গিলে খেতে ইচ্ছে করতো।কারো বাড়িতে গেলে যদি পছন্দের লেখকের বই দেখতাম তাহলে হ্যাংলার মত চেয়ে নিয়ে আসতাম।যদি না দিত তাহলে চুরি করে নিয়ে আসতাম।।।পড়ে আবার সময়মত ফেরতও দিয়ে আসতাম।একদম ই অভদ্র চোর ছিলাম না।একদিন পড়ার বই এর মধ্যে লুকিয়ে গল্পের বই পড়তে গিয়ে কাকিমার কাছে ধরা পড়ে গেছিলুম।সে বাপু এক কেলেঙ্কারি কান্ড হয়েছিল বটে।সেত প্রায় কান ধরে আমার মাতৃ দেবীর কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য উদ্যত। যাই হোক পায়ে ধরে কান্নাকাটি করে সে যাত্রা রক্ষা পেয়েছিলাম বটে।তবে সেই অভ্যাস টা কিন্তু ছিলই।শুধু আরেকটু সতর্ক হতে হয়েছিল এই যা। লুকিয়ে লুকিয়ে গল্পের বই কবিতার বই পড়ার অপরাধে কত যে মার খেয়েছি মা এর কাছে তা আর মনে না করাই ভাল।আসলে পড়া লেখাতে কোন কালেই বাবা মা কে খুশি করতে পারিনি আমি।কোনদিনই তাদের পছন্দ মত রেজাল্ট করতে পারিনি তাই একরকম বাধ্য হয়েই বোধহয় মা আমার সাহিত্য প্রেমের বিরুদ্ধা চারন করত।আমি বুঝতাম সেটা।কিন্তু কি করতাম।ওই পড়া শুনা নামক ব্যাপারটা আমার কাছে বরাবরেরই অপ্রিয় বিষয়বস্তু ছিল।তা আর কে বুঝত।কাকেই বা বোঝাতে পারতাম। ...

কবি লুফাইয়্যা শাম্মীর এক গুচ্ছ কবিতা

ছবি
 রাত ❑ আমি বিষণ্ণ রাত- চাঁদ হেলে পড়লে ঢলে পড়ি। এক হাতে সূর্য নিয়ে আমার বুকে ছুড়ে জিউস,উত্তপ্ত বিছানায় প্রেমিকার প্রত্যাখ্যানে।অভিশাপ দিতে দিতে সরে যাই,নেমে আসে দিন। ফিরে আসি বারংবার, প্রেমিকার টানে।একটা প্রগাঢ়  চুম্বন, কিছু বিষণ্ণ স্মৃতি ছুঁয়ে ভাবি-হয়তো আমি কোনো চর্বির পিণ্ড- যে ভার সইতে না পেরে জিউসপত্নী সরে যায় দূরে। নেমে আসে বিষণ্ণ রাত। স্বপ্ন ❑ আমার কোনো স্বপ্ন নেই- বৃষ্টির মত ঝরেছে যে ফুল সেখানে আমার কোনো গন্ধ নেই,শুধু মুগ্ধতার মায়া কান্নায় কেঁদে চলেছি স্রোতের মত। স্বপ্ন স্বর্ণলতার মত তরতর করে বেয়ে উঠেনা আমার ঘরের কার্নিশে, বাগানবিলাস আজকাল আর ফুটেনা তাই। এই যে আজ সত্যি কথার মত মেঘ ও আমায় বৃষ্টি হয়ে ছোঁয় না যেন আমি নিষিদ্ধ কোনো পাপ। তবুও আমার মেঘের মতো জমাট বাঁধা সেই স্বপ্ন ছুঁতে ইচ্ছে করে,জানতে ইচ্ছে করে তারা বৃষ্টি হয়ে ঝরে নাকি আকাশ হয়ে রয় মাথার উপর। আমি একটা আকাশ চাই,যেখানে বিস্তৃত থাকবে আমার অধিকার আর স্বপ্নেরা। ভালোবাসি ❑ শব্দের বাহুল্যতায় জটিল কাব্য তুমি, যেখানে ইচ্ছের ঘুরপাকে শব্দ সাজাতে যেয়ে পা পিছলে যাই বারংবার ;আঙুল ছুঁইয়ে যদি ভরসা দ...

নীলিমা নীলুর কবিতা উপমা

ছবি
উপমা সাগর আকাশ যখন দেখলো মোর চোখে... শুধালাম -কি  মনে হয়? বললো আমায় এবার হয়েছে পরাজয়।।          যখন  দেখলো মোর হাসি... বললাম নয়ন ভরে দেখো                          আমাকে  ম্লান করেছে এ কোথা থেকে এসে ।  স্বপ্নে যখন বললাম তাকাও ভালো করে      বললো শেষে,,,উপমা  দেই কিসে                    আমি যে হেরে গেছি তোমার রুপে                              তোমাকে  খোঁজার মতো দুটো চোখ  অপলক তাকিয়ে নয়নে নয়নে রেখে তোমার কপলে আলতো ছোঁয়া  এঁকে দিলেম মনের অজান্তে।।।

কবি ফারহানা নিমগ্ন দুপুর পেলেন বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান সম্মাননা স্মারক ২০১৮

ছবি
ফখরুল হাসান :-- কবি ফারহানা নিমগ্ন দুপুর পেলো বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান সাহিত্য সম্মাননা স্মারক-২০১৮  অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহামান্য বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান ও মিসেস মজিবুর। গ্লোরিয়াস চাইনিজ রেস্টুরেন্ট কাঁটাবন ১১-০৯-১৮ সন্ধ্যায় বেশ কয়েকজন তরুণ কবিদের এই সম্মাননা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন কবি ফারিহা রহমান স্নেহা। অনুষ্ঠানে আগত কবিদের উৎসাহ দেয়ার জন্য।  বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান বলেন। এটা আমার নিজস্ব আয়োজন , নবীন লেখকদের উৎসাহ দেয়াই একমাত্র উদ্দেশ্য । ষোল কোটি জনগণের এই দেশে হাতে গোনা গুটিকয়েক ভালো লেখক আছে । এখন থেকে ভালো লেখক তৈরি না হলে এই দেশ মেধাশূন্য হয়ে যাবে । তাই যারা লেখালেখি করছে তাদের উৎসাহ উদ্দীপনা দিয়ে। ভালো লেখক হওয়ার জন্যই আমার এই প্রচেষ্টা ।

কবি পথিক রানা পেলেন বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান সম্মাননা স্মারক ২০১৮

ছবি
ফখরুল হাসান :-- কবি পথিক রাানা পেলো বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান সাহিত্য সম্মাননা স্মারক-২০১৮  অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহামান্য বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান ও মিসেস মজিবুর। গ্লোরিয়াস চাইনিজ রেস্টুরেন্ট কাঁটাবন ১১-০৯-১৮ সন্ধ্যায় বেশ কয়েকজন তরুণ কবিদের এই সম্মাননা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন কবি  আরজুমুন। অনুষ্ঠানে আগত কবিদের উৎসাহ দেয়ার জন্য।  বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান বলেন। এটা আমার নিজস্ব আয়োজন , নবীন লেখকদের উৎসাহ দেয়াই একমাত্র উদ্দেশ্য । ষোল কোটি জনগণের এই দেশে হাতে গোনা গুটিকয়েক ভালো লেখক আছে । এখন থেকে ভালো লেখক তৈরি না হলে এই দেশ মেধাশূন্য হয়ে যাবে । তাই যারা লেখালেখি করছে তাদের উৎসাহ উদ্দীপনা দিয়ে। ভালো লেখক হওয়ার জন্যই আমার এই প্রচেষ্টা ।

উপন্যাসে ফারিহা রহমান স্নেহা পেলেন বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান সাহিত্য সম্মাননা ২০১৮

ছবি
ফখরুল হাসান :-- উপন্যাসের জন্য ফারিহা রহমান স্নেহা পেলো বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান সাহিত্য সম্মাননা স্মারক-২০১৮  অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহামান্য বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান ও মিসেস মজিবুর। গ্লোরিয়াস চাইনিজ রেস্টুরেন্ট কাঁটাবন ১১-০৯-১৮ সন্ধ্যায় বেশ কয়েকজন তরুণ কবিদের এই সম্মাননা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জনপ্রিয় লেখিকা ফারিহা রহমান স্নেহা। অনুষ্ঠানে আগত কবিদের উৎসাহ দেয়ার জন্য।  বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান বলেন। এটা আমার নিজস্ব আয়োজন , নবীন লেখকদের উৎসাহ দেয়াই একমাত্র উদ্দেশ্য । ষোল কোটি জনগণের এই দেশে হাতে গোনা গুটিকয়েক ভালো লেখক আছে । এখন থেকে ভালো লেখক তৈরি না হলে এই দেশ মেধাশূন্য হয়ে যাবে । তাই যারা লেখালেখি করছে তাদের উৎসাহ উদ্দীপনা দিয়ে। ভালো লেখক হওয়ার জন্যই আমার এই প্রচেষ্টা ।

কবি আরজুমুন পেলেন বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান সাহিত্য সম্মাননা ২০১৮

ছবি
ফখরুল হাসান:- কবি আরজুমুন পেলো বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান সাহিত্য সম্মাননা স্মারক-২০১৮  অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহামান্য বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান ও মিসেস মজিবুর। গ্লোরিয়াস চাইনিজ রেস্টুরেন্ট কাঁটাবন ১১-০৯-১৮ সন্ধ্যায় বেশ কয়েকজন তরুণ কবিদের এই সম্মাননা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন কবি ফারিহা রহমান স্নেহা। অনুষ্ঠানে আগত কবিদের উৎসাহ দেয়ার জন্য।  বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমান বলেন। এটা আমার নিজস্ব আয়োজন , নবীন লেখকদের উৎসাহ দেয়াই একমাত্র উদ্দেশ্য । ষোল কোটি জনগণের এই দেশে হাতে গোনা গুটিকয়েক ভালো লেখক আছে । এখন থেকে ভালো লেখক তৈরি না হলে এই দেশ মেধাশূন্য হয়ে যাবে । তাই যারা লেখালেখি করছে তাদের উৎসাহ উদ্দীপনা দিয়ে। ভালো লেখক হওয়ার জন্যই আমার এই প্রচেষ্টা ।

কবিতা আমার কাছে যতোটা শিল্প তার চেয়ে বেশি সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার :-- কবি হানিফ মোহাম্মদ

ছবি
হানিফ মোহাম্মদ। অন্তর্মুখী একজন মানুষ। সূর্যের মতো নিজেকে পুড়িয়ে জীবন জাগাতে ভালবাসেন। . ঢাকা জেলার ডেমরা শিল্পাঞ্চলে জন্ম ২৫ নভেম্বর একটি বাম প্রগতিশীল শ্রমিক পরিবারে। পিতা মরহুম ইদ্রিশ আলী ছিলেন লতিফ বাওয়ানী জুট মিলের প্রকৌশল বিভাগের শ্রমিক, মাতা হনুফা বেগম সাদামাটা গৃহকর্ত্রী। . বাওয়ানী আদর্শ বিদ্যালয়, ডেমরা থেকে এস,এস,সি এবং ঢাকা সিটি কলেজ থেকে এইচ,এস,সি পাশ করে ভর্তি হোন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে বি,এসসি'তে। প্রথম বর্ষ সমাপ্ত করেই ঝাঁপিয়ে পড়েন জীবনযুদ্ধে। সেই থেকে অবিরাম চলছে যুদ্ধ। . ১৯৮৮ সালে স্বৈরাচার-বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন এবং যোগ দেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)এ। . কর্মক্ষেত্রে স্কাইল্যান্ড এন্ড ফ্যাম লিঃ সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে সহকারী মাননিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা এবং মাননিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা পদে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।বর্তমানে বেসরকারি সাহায্যসংস্থা সামাজিক উন্নয়ন পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। . কবিতা, নাটক আর রাজনীতি নিয়েই তার কর্মমুখর জীবন। স্কুলে পড়ার সময় থেকেই লেখলেখির শুরু। তারপর থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে লিখে যাচ্ছেন বিভিন্ন পত্রিকায় এবং লিটল...

কবিতা প্রতিক্ষা কবি নীলিমা নীলু

ছবি
প্রতিক্ষায় এসেছিলে আজ  প্রাতে স্বপ্নে  আমার দুটি আঁখিপাতে ভরে গিয়েছিলো কোন এক গন্ধে ঘরের আঁধার কেঁপেছিল কি আনন্দে সে যে পাশে এসে বসেছিল স্বপ্নের মাঝে দিল স্বপ্নিল ছোঁয়া জেগে দেখি  পাগল  করা দক্ষিণ হাওয়া সে গন্ধই ভেসে বেড়ায়। কেন আমার রজনী যায় কাছে পেয়ে কাছে না পায় কেন বুকে লাগেনি পরশ ছোঁয়া আজ কত বেদনায় গভীর  বিরহ বেলায় কত প্রেম হায় কত বাসনায় কত সুখ কত দুখে সারা নিশি তাঁরায় তারাঁয় যদি এসে চোখে নিরবে দাঁড়ায় তবুও  জানো মন তোমারে চায় সব ছেড়ে সব পাবার আশায় মনে মনে মন তোমারে চায় জানবে শুধু নিরলে চেয়ে আছি তোমারি প্রতিক্ষায়।।

অনুগল্প রাখি গল্পকার মনি রায় ঘোষ

ছবি
সকাল থেকে পৌষালীর খুব মন খারাপ।শুধু কান্না পাচ্ছে।আজ রাখী পূর্নিমা ।গত বছর পৌষালীর দাদা বাইক অ্যাকসিডেন্টে মারা যায়।এ বছর ও কাকে রাখী পড়াবে? দাদা থাকতে এই দিনে কত আনন্দ হতো।দাদা রাখী পড়ে বলত এ মা তোর জন্য তো গিফট আনতেই ভুলে গেছি।এবার কি হবে?থাক পরের বছর দেবো।এটা শুনলেই পৌষালী তেলে বেগুনে জ্বলে উঠত।ও জানে দাদা মিথ্যে বলছে তবুও ও রেগে যাওয়ার ভান করত।ওর এই রাগটুকু দেখতেই তো দাদা এই মিথ্যে টা বলত।সেটা বুঝেই ও রেগে যেত।তারপর ওর রাগ ভাঙাতে একটা দারুণ গিফট ওর হাত দিয়ে গাল টা টিপে দিত আর বলতো।আমার পাগলী বোনটার জন্য গিফট না আনলে আমার রক্ষে আছে।তারপর চলত ভাইবোনের খুনসুটি।এই সাত বছর ধরে দাদা আর এসে গাল টিপে দেয়না চুল ধরে টানে না।মা এর কাছে ওর নামে নালিশ করেনা ওর প্লেট থেকে খাবার কেড়ে নিয়ে খায়না।হাউমাউ করে কেদেঁ ওঠে পৌষালী।কোথায় চলে গেলি দাদা।একটিবার আমার কাছে আয় তোকে রাখী পরাবো।দেখনা তোর পাগলী বোন টা রাখী নিয়ে বসে আছে।বড্ড কষ্ট হচ্ছে রে দাদা।কোথায় তুই।তুইতো বলতিস আমার চোখের জল দেখলে নাকি তোর কষ্ট হয় আমার কান্নার শব্দ তুই সহ্য করতে পারিস না তবে আজ কি তুই শুনতে পাচ্ছিস না।তোর বোন তোর জন্য কাদঁ...

কবিতা প্রতীক্ষা কবি নীলিমা নীলু

ছবি
রাত জেগে জেগে যদি দুচোখে পড়ে বিষাদের ছায়া, অভিমানের পালা শেষ না হলেও বুকে জমে থাকে মায়া, মনে রেখো আমি এখনো আছি তোমারি প্রতিক্ষায়। এমন ও অনেক দিন গেছে আমি অধির আগ্রহে অপেক্ষায় থেকেছি হেমন্তের পাতা ঝরার শব্দ শুনবো বলে নিঃশব্দে অপেক্ষায় করেছি কোন বনভূমিতে কোন বন্ধুর জন্য হয়তো বা কোন শুভাশিসর জন্য এমন অনেক দিন গেছে ম্যাসেজ এসেছে অপেক্ষা করো আমি আসছি হয়তো বা কেউ বলবে শীতের সকালে তোমায় নিয়ে হেঁটে অনেক পথ পাড়ি দিবো কুশায়ার চাদর জড়িয়ে। হয়তো বা বলবে তৈরি থাকিস সিনেমায় যাবো প্রতীক্ষা করবো শুধু তোমার জন্য প্রতীক্ষা শব্দটি শুধুই তোমার জন্য খুব যতনে বুকের তরঙ্গ এ তুলে রাখলাম আমি  তোমার জন্য পথে প্রান্তরে অনঃন্ত কাল ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকবো দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে কান্ত হবো তবু ও প্রতীক্ষার প্রহর শেষ হবে না বৃক্ষের মতো অনড় হয়ে প্রতীক্ষায় থাকবো। তেমনি... তুমি ও আমার জন্য প্রতীক্ষায় থেকো প্লিজ...

জন্মাষ্টমী ও শ্রীকৃষ্ণের জন্মকথা

ছবি
গোষ্টলাল দাস: 'কৃষ্ণ' শব্দটি 'কৃষ্' এবং 'ণ' এই দুটি মূল থেকে উৎপন্ন। 'কৃষ্ণ' শব্দটির সংস্কৃত অর্থ হলো-কালো, ঘন বা ঘন-নীল। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তিথিকে কেন্দ্র করেই শুভ জন্মাষ্টমী পালন করা হয়। জন্মাষ্টমীকে কৃষ্ণাষ্টমী, শ্রীকৃষ্ণ জয়ন্তী, গোকুলাষ্টমী ও অষ্টমী রোহিণী প্রভৃতি নামেও ডাকা হয়। জন্মাষ্টমী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন মন্দিরে পূজা অর্চনা, তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্তন ও তারকব্রহ্ম নামযজ্ঞেরও আয়োজন করা হয়। ঘরে ঘরে ভক্তরা উপবাস থেকে জন্মাষ্টমীতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা ও পূজা, গীতাযজ্ঞ, জন্মাষ্টমী মিছিল, কৃষ্ণপূজা, পদাবলি কীর্তন করে থাকেন। শাস্ত্রীয় বিবরণ অনুযায়ী, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ দ্বাপর যুগে ৩২২৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দের ১৮ অথবা ২১ আগস্ট বুধবার ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে যাদব(যদু) বংশে জন্মগ্রহণ করেন (মৃত্যু বরণ: খ্রিস্টপূর্ব ৩১০২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি)। দ্বাপরযুগের এইদিনে পাশবিক শক্তি যখন সত্য, সুন্দর ও পবিত্রতাকে গ্রাস করতে উদ্যত হয়েছিল, তখন সেই অসুন্দর, অসুর ও দানবীয় পাশবিক শক্তিকে দমন করে মানবজাতিকে রক্ষা এবং শুভশক্তিকে পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্...