পোস্টগুলি

মে, ২০১৯ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আজ সব্যসাচী লেখক সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল এর জন্মদিন

ছবি
বর্তমান বাংলা কবিতার মূলধারাকে তিনি শাণিত করছেন, বাঁক ও বিবর্তণে ভূমিকা রাখছেন। সব্যসাচী  লেখক সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় অবদান রাখার জন্য তিনি দেশ-বিদেশে পুরস্কৃত হয়েছেন। দুলাল ছাত্রাবস্থায় দৈনিক ইত্তেফাকের মফস্বল সংবাদদাতা হিসেবে সাংবাদিকতার জীবন শুরু। ১৯৮০ সালে সরকারি চাকরিতে যোগদান এবং ১৯৯৬-এ খালেদা জিয়ার শাসনামলে তাঁকে বাধ্যতামূলক অবসর দেয়া হয়। তারপর স্বাধীনভাবেলেখালেখি, সম্পাদনা ও প্রকাশনার কাজে মনোনিবেশ। প্রবাসী বাঙালিদের জন্য প্রতিষ্ঠা করেন নিউজ এজেন্সি ‘স্বরব্যঞ্জন’, সেই সাথে ‘পাঠশালা’র প্রকাশনা। দীর্ঘ দিন প্রবাসের পত্র-পত্রিকায় যুক্ত ছিলেন। টরেন্টো থেকে প্রকাশিত অধুনালুপ্ত সাপ্তাহিক বাংলা রিপোর্টারে প্রধান সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে দৈনিক ইত্তেফাকের কানাডাস্থ বিশেষ প্রতিনিধি। এছাড়াও আমাদের সাপ্তাহিক সিবিএন এবং সাপ্তাহিক বাংলা মেইলের উপদেষ্টা সম্পাদক। তিনি বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সঙ্গে জড়িত। বিটিভির শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি বিষয়ক অনুষ্ঠান ‘দৃষ্টি ও সৃষ্টি’র উপস্থাপক। তাঁর ল...

আজ শিশুসাহিত্যিক ও উপন্যাসিক শাম্মীতুলতুল এর জন্মদিন

ছবি
চট্টগ্রামের মেয়ে শাম্মী তুলতুল একজন লেখক, ঔপন্যাসিক ও শিশু সাহিত্যিক। পড়ছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে দেশ সেরা কলেজ চট্টগ্রাম কলেজে। বাংলাদেশের জনপ্রিয় তরুণ লেখকদের মধ্যে সে অন্যতম। একটা সাহিত্য, সাংস্কৃতিক,রাজনৈতিক, অভিজাত ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারে চট্টগ্রাম শহরে তার জন্ম। গ্রামের বাড়ি বিখ্যাত হালদা নদী ঘেষা গ্রাম রাউজান। পরিবারে সবাইকে একদিকে যেমন দেখেছে রাজনীতিতে অংশ গ্রহণ করতে, অন্যদিকে দেখেছে সমান তালে  সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনে অংশগ্রহণ করতে। বাবা  আলহাজ আবু মোহাম্মদ খালেদ ছিলেন তৎকালীন (রাউজান) সাহিত্য, সাংস্কৃতিক সংগঠন জাগরণী সংস্থার সভাপতি ও শিক্ষাবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা।বর্তমানে একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী।মা আলহাজ কাজী রওশন আখতার ছিলেন রাউজান কলেজ ছাত্র সংগঠনের নেত্রী, রাজনীতিবিদ ও একজন সমাজসবেক ছিলেন। তিনি একজন  রত্নাগর্ভা মাও। নানা ডাক্তার কাজী এজহারুল ইসলাম ছিলেন দৌলত কবির বংশধর। নানি কাজী লতিফা হক বিখ্যাত বেগম পত্রিকায় লেখালেখি করতেন, আর দাদু আলহাজ আব্দুল কুদ্দুস মাস্টার ছিলেন সুপরিচিত লেখক, কলামিস্ট,ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা, শিক্ষক ও কবি কাজী নজরুল ইসলামে...

ফখরুল হাসান এর রম্যছড়া আবুল চাচার স্বপ্ন

ছবি
আবুল চাচা মনে মনে চিন্তা করে ঘুমায় ঘুমের মাঝে ছেলেটাকে দুই গালেতে চুমায় আবুল চাচা স্বপ্নে দেখে ছেলে হলো নেতা সকাল বেলা উঠে দেখেন ছিঁড়া চাচার খেতা। . মেঝো ছেলের চিন্তা করে যেই না আবুল ঘুমে টাকার বান্ডিল দেখতে পেলো হাজার কোটি রুমে ছেলে তাহার হলো কি না মস্ত বড়ো অফিসার ঘুমের ঘোরে আবুল বলে ভাঙলে কেন আমার ঘাড় . ছোট ছেলে অন্য রকম সবার কাছে কদর পায় এক ইশারায় গুলি করে মানুষ বুঝি নিরুপায় এই ছেলেটা উজ্জ্বল করবে আবুল চাচার মুখ পুলিশ এলেই ধড়ফড় করে আবুল চাচার বুক।

দলছুট মেঘ চুম্বন আয়েশা মুন্নি

ছবি
শিল্পসাহিত্যঃ   দলছুটমেঘের গহীনে জলরঙে আঁকা ছোপছোপ ষোড়শীর আঁচলের চিত্র ন্যাওরা চুলে গুঁজে নেব সাদা মেঘফুল একমুঠো মেঘ ছুঁয়ে হবো পবিত্র। হৃদপিন্ডে স্থবিরতা মেঘমাল্লার গানে অমিত্রাক্ষরে ছন্দ কাব্যাঙ্কন, ভাগ্যরেখার শঙ্খমালায় ভালবাসায় আকাশ ছুঁয়ে করবো দৃঢ়পণ। অঞ্জলি ভরে মেঘের সৌন্দর্য প্রবাহ খুঁজি আমার প্রতিচ্ছবি মেঘ চুম্বনের চানক্য স্পর্শে শিহরন মুগ্ধ বিহ্বলে হবো কবি।

কবি শাহীন রেজা'র এক গুচ্ছ কবিতা

ছবি
শিল্পসাহিত্যঃ  সংযম শাহীন রেজা তিনি বলেছেন, সংযমী হও। তোমার সামনে ছড়িয়ে থাকবে সকল প্রলোভন কিন্তু তুমি কিছুতেই নিজেকে হতে দেবেনা তাদের আহার। দেহের চেয়েও যে হৃদয় পরিশুদ্ধ জরুরি তা আমাদের বুঝতে হবে এই মাসটিতেই। সংযমী হতে হতে আমাদের পরিনত হতে হবে সেই বিশুদ্ধ হীরকখন্ডে; যার দ্যূতিতে আলোময় সমগ্র বিশ্ব সকল চরাচর। রমযান মানে সংযমের খেরোখাতা; সে খাতায় বাঁধতে হবে পঞ্চইন্দ্রিয়কে এবং সত্য ও বোধনমন্ত্রে জাগ্রত বিবেককে তুলে দিতে হবে তাঁর সেই বিশালত্বে আর বিলীন হয়ে যেতে যেতে উচ্চারণ করতে হবে তাঁরই কীর্তিগাঁথা আপন খেয়ালে। রিপু দমনের মাস রমযান, সংযমী হতে হতে তাঁর করুণা লাভের এইমাসে এসো আমরা বিনয়ী হই, কঠিন ও কঠোর প্রার্থনায় সঁপে দেই আমাদের মুহূর্তগুলো। ______________________ তাহলে সে কথাই থাকল শাহীন রেজা তাহলে সে কথাই থাকল; নক্ষত্রপুর থেকে সূর্যগাড়িতে চড়ে তুমি পা রাখবে ছায়াবীথিতে আর আমি অগ্নিশ্বর থেকে মেঘঘুড়িতে চেপে যথাসময়ে জলসবুজের আস্তানায়; নুহাশপল্লীতে আমাদের স্বাগত জানাবেন স্বয়ং হুমায়ূন আর তারসাথে বাঁশীতে সুর তুলে অশ্রুযাদুকর বারী সিদ্দিকী। নাহ আমরা বিষণ্ন হবনা ম...

কবিতা কেন এমন হয় কবি ফাহমিদা ইয়াসমিন

ছবি
তোমাকে ভালবাসি কি না জানি না তবে প্রতিটি মুহুর্তে তোমাকে অনুভব করি। তোমার বিরহে অন্তর পুড়ে! একটি পলক না দেখলে দৃষ্টির আঙিনা জুড়ে অন্ধকার নামে। কেন এমন হয়? এ যেন অদ্ভুত টান! বুকের গহীণে নাড়া দেয়... কিছু বুঝার আগেই এলোমেলো হয়ে যায় সব।

কবিতা - কিছু কথার গল্প হয় কবি - আরজুমুন

ছবি
শিল্পসাহিত্যঃ   নিঃশ্বাসের প্রতিধ্বনিতে মিশে আছে তালপাতার ঝিরিঝিরি বাতায়ন গাছের ফাঁকে ফাঁকে উঁকি দেয় কথামালা, কিছু কথা গল্প হয়,কিছু গল্প উপন্যাসে এসে মিশে তালপাতার বাতাসে মৃদু মৃদু গরম অনুভূত হয় হাত থেকে ঝরে পড়ে কবিতাগুচ্ছ নীরবতায় হৃদয়মেলে বসে থাকে অনেকের হাতছানি স্মৃতি বিস্মৃতিগুলো তালপাতার ছাউনি তুলে মনের দেয়ালে ভিতরটা অন্তঃসার কোনভাবেই দখিনা আকাশে চোখ পড়ে না ঝাপসা হতে থাকে পিয়ানোর ঝংকার কেটে যায় বিক্ষত বিক্ষোভ আপেক্ষেরা চিৎকার করে রাখালের মন করে আনচান দূর হতে একটা আর্তনাদ কানে ভাসে অথচ নিরুত্তাপ দেখে,বিক্ষোভরা মিছিল করে পিয়ানোর সুরে একদিন তোমার বিচার বসবে হাটতলায়, জটলা করবে কিছু মিথ্যার দগদগে ঘা তথাপি তালপাতার বাঁশি বাজবে না বাঁশিটা বিমর্ষ খুব যতনে হেলান দিবে সত্যরা আক্ষেপে সত্য কোন না একদিন জয় পাবে পাখাটা মুক্তি পাবে এক জহ্নুকন্যার সুরতহালে।

বিবেক-কে নাড়া দেয়া উপন্যাসের নাম আপনালয় 'ফখরুল হাসান'

ছবি
শিল্পসাহিত্যঃ ফখরুল হাসান   বৃদ্ধাশ্রমের করুণ কাহিনি নিয়ে লেখা একটি সামাজিক উপন্যাস আপনালয়। লেখকের বর্ণনায় ২০৪৬ সালে রাজধানী ঢাকার চিত্র খুবই ভয়াবহ। ঢাকার কোথাও যৌথ পরিবার নেই। সর্বত্র নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি। একক পরিবার। ঢাকার সকল পরিবারে কোনো বৃদ্ধ-বৃদ্ধা নেই। সবাই ওল্ডহোমে। বৃদ্ধাশ্রমে। শ্রমে-রক্তে গড়ে তোলা বাড়ি-ঘরে নিজেরা থাকতে পারছে না। কষ্টে-দুখে লালন করা সন্তানরা বৃদ্ধ মা-বাবাকে রাখছে না নিজেদের সাথে। ২০৪৬ সালের এমনই অবিশ্বাস্য চিত্র লেখকের কলমে ধরা পড়লো। লেখক সেসব অবিশ্বাস্য ভয়াবহ চিত্র বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরলেন! যা আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। লেখকের আশংকা, বর্তমানে যে হারে বৃদ্ধাশ্রমগুলোয় বয়স্ক মানুষ দিয়ে পূর্ণ হতে চলেছে, না জানি এ ধারাটা বাড়তে বাড়তে এক সময় সমাজের পরিবারগুলোর অবস্থা লেখকের উক্ত বর্ণনার ২০৪৬ সালের চিত্র হয়ে দাঁড়ায়। ২০৪৬ সালে ঢাকা শহরের চিত্রটা যেন এমন, সব মানুষ উদোম হয়ে গেছে। ফিরে গেছে সেই আদিম যুগে। কারো শরীরে নেই জামা-কাপড়। ঠিক সেই নাজুক সময়ে একজন লোককে দেখা গেলো ব্যতিক্রমী। জামা-কাপড় পরা আপাদমস্তক এক সাধু পুরুষ। সব লোক জড়ো হলো তাকে দেখত...

'বিবেক-কে নাড়া দেয়া এক উপন্যাসের নাম আপনালয়' ফখরুল হাসান

ছবি
শিল্পসাহিত্যঃ বৃদ্ধাশ্রমের করুণ কাহিনি নিয়ে লেখা একটি সামাজিক উপন্যাস আপনালয়। লেখকের বর্ণনায় ২০৪৬ সালে রাজধানী ঢাকার চিত্র খুবই ভয়াবহ। ঢাকার কোথাও যৌথ পরিবার নেই। সর্বত্র নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি। একক পরিবার। ঢাকার সকল পরিবারে কোনো বৃদ্ধ-বৃদ্ধা নেই। সবাই ওল্ডহোমে। বৃদ্ধাশ্রমে। শ্রমে-রক্তে গড়ে তোলা বাড়ি-ঘরে নিজেরা থাকতে পারছে না। কষ্টে-দুখে লালন করা সন্তানরা বৃদ্ধ মা-বাবাকে রাখছে না নিজেদের সাথে। ২০৪৬ সালের এমনই অবিশ্বাস্য চিত্র লেখকের কলমে ধরা পড়লো। লেখক সেসব অবিশ্বাস্য ভয়াবহ চিত্র বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরলেন! যা আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। লেখকের আশংকা, বর্তমানে যে হারে বৃদ্ধাশ্রমগুলোয় বয়স্ক মানুষ দিয়ে পূর্ণ হতে চলেছে, না জানি এ ধারাটা বাড়তে বাড়তে এক সময় সমাজের পরিবারগুলোর অবস্থা লেখকের উক্ত বর্ণনার ২০৪৬ সালের চিত্র হয়ে দাঁড়ায়। ২০৪৬ সালে ঢাকা শহরের চিত্রটা যেন এমন, সব মানুষ উদোম হয়ে গেছে। ফিরে গেছে সেই আদিম যুগে। কারো শরীরে নেই জামা-কাপড়। ঠিক সেই নাজুক সময়ে একজন লোককে দেখা গেলো ব্যতিক্রমী। জামা-কাপড় পরা আপাদমস্তক এক সাধু পুরুষ। সব লোক জড়ো হলো তাকে দেখতে। বিভিন্ন চ্যানেল, পত্রিকা, নি...

সাকসেসফুল অনুষ্ঠান করলো ' বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতি সংসদ।

ছবি
শিল্পসাহিত্যঃ-  ‘নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সংস্কৃতির ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা, স্বরচিত কবিতাপাঠ এবং আবৃত্তি-অনুষ্ঠান হয়ে গলো পাবলিক লাইব্রেরি সেমিনার কক্ষে বৃহস্পতিবার   বিকাল ৪ টায়। কবি অসীম সাহার সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি  ছিলেন মোস্তাফা জব্বার, মন্ত্রী, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়। উদ্বোধক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডা. মো. মুরাদ হাসান এমপি, প্রতিমন্ত্রী, তথ্য মন্ত্রণালয়। সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, সাবেক উপাচার্য, ঢাবি। মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন কবি ও সাংবাদিক সোহরাব হাসান। আলোচনায় ছিলেন কবি কাজী রোজী এমপি, অধ্যাপক ড. সাজেদুল আউয়াল। ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ, কবি আসলাম সানী। স্বাগত বক্তব্য : কবি ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মাসুদ পথিক, সাধারণ সম্পাদক, বঙ্গীয় সাহিত্য-সংস্কৃতি সংসদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন. ড. শাহাদাৎ হোসেন নিপু। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কবি মাসুদ পথিক  আমাদের বাংলাদেশ ডটনেট কে জানালেন ঈদের পর  সমগ্র বাংলাদেশে সংগঠনটির জেলা কমিটি ও বহিবিশ্বে কমিটি ঘোষণা করা হবে।      ...

অমীমাংসিত জিজ্ঞসা কবি আয়েশা মুন্নি

ছবি
শিল্পসাহিত্যঃ   ষোল বছরের যে প্রেমের আবেগ আমায় ভাসিয়েছিল, চলমান জীবনের গতিপথ আজ ভিন্নরূপে চিত্রায়িত। এখন আবেগের দরজায় তালা লাগানো। সময়ের স্রোতে ভেসে ভালবাসাও কি স্থানান্তরিত হয়? তবে কি মনমাঝি তার ভেলা বাইতে বাইতে নতুন তীরে নাও ভিড়ায়? আর সে নাওয়ের পালে হাওয়া লেগে মনটা দুলতে থাকে। দুলন্ত মনটা মাঝেমাঝে স্মৃতির বন্ধ ঘরে উঁকি দেয়। জীবন নামক গ্রন্থের ওজনটা কেজি দরে দাঁড়িপাল্লায় যদি মাপা যেত! তবেই হয়ত বুঝতাম কি পেয়েছি! কি হারিয়েছি! কি পাইনি! কতটা পেলে মনটা ভালবাসাময় হয়? কতটা পথ পেরুলে মনটা তৃপ্ত হয়? নাকি অদৃষ্টের লিখন খন্ডন করে নিয়তি আমার একটিবার রঙিণ প্রজাপতির ডানায় ভর করে ভাসবে না ! একটি ফুলেল ভালবাসার মুগ্ধতা আমার কাছে অতৃপ্তই রয়ে যাবে আজন্মকাল।

কবি ফখরুল হাসান এর কবিতা কাপুরষ হবে না যুবক

ছবি
শিল্পসাহিত্যঃ   ফুল হাতে নিয়ে পেছনে ডেকো না প্রিয়তমা ক্ষতি নেই যদি আর দেখা না হয় দুজনার লড়াইয়ের মাঠ থেকে ফিরে আসি যদি লাল সবুজের সাথে তোমাকে করে নেব প্রতিমা। . বেকারত্বের আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে প্রতি ঘরে ঘুষ আর দুর্নীতির ধ্বংসস্তুপে ডুবছে স্বদেশ! লড়াই লড়াই এসো প্রিয়সী লড়াইয়ে মাঠে দেখা হবে লাখো মানুষের কাফেলায় হবে মিছিলের চুম্বন বেশ। . তোমার প্রণয়ের ছোঁয়ায় আর কাপুরুষ হবে না যুবক স্বদেশ ডাকছে সাইরেন বাজে সামনে যুদ্ধের ময়দান তোমাকেই বলছি যুবক দুর্নীতির চেয়ারে দাও আগুন প্রতিরোধে কূচক্রিদের কাছে যায় যদি যাক এ জান। . ফুল নিয়ে এসো না প্রিয়তমা সামনে আরো দুর্দিন পুঁজিবাদের প্রবল স্রোতে হারাচ্ছে মনুষ্যত্বের দেশ শান্তির বাণী সিন্ধুকে রেখে লড়াই করো যুবক তবেই হবে ঘুষখোর আর দুর্নীতি চিরতরে শেষ।

সুখে থাকবে বাংলাদেশ ফাহমিদা ইয়াসমিন

ছবি
শিল্পসাহিত্য ঃ   মনের ভেতর কেবল ঘুরপাক খায় অনেক জানার ভেতর  অজানা কথাগুলো বারবার ফিরে আসে স্মৃতির মুকুরে। তোমার অনুভূতি জানতে পারিনি আজও। কত মানুষের কত দুঃখ বেদনার কথা কত মানুষের সর্বস্ব বিলীন হওয়ার কথা কত মানুষের প্রেম বিরহের কথা কত সত্য এখনও অগোচরে পড়ে আছে অজানা অন্তরে। আমি জানতে চাই স্বাধীনতার কাছে দেশের গরিব দুঃখী মেহনতি মানুষের অভাব ঘুছবে কবে অনাহারী মানুষের সংখ্যা কমবে ঘরে ঘরে কবে? মূছে যাবে দারিদ্রের দুরাশার দুর্দিন আমি সেই সত্যের প্রতীক্ষায় অপেক্ষমান খেটে খাওয়া মানুষের হাড়ে হাড়ে যে দাগ পড়ে গেছে কালি ও কয়লার মত দূষিত ভাইরাসে আমি তার মূলৎপাটন চাই। বিলাসি জীবনের অন্তরালে যে প্রেতাত্মারা হাসে তাদের বিনাশ চাই। শ্রমিকের ন্যায্যতা নিয়ে যেদিন ঘরে যাবে শ্রমিক সকল সেদিন হয়তো স্বাধীন বাংলা আনন্দে আয়েশে রাত্রিযাপন করবে কলরবে। সুখে থাকবে বাংলাদেশ।

অনন্ত অপেক্ষায় - তানিয়া নিগার

ছবি
  শিল্পসাহিত্যঃ  ঐ নীল সাগর হাতছানি দেয় বলছে শুধুই প্রীতির মায়ায় চোখ ভরা নোনা জল! সইতে না পারার বুঝি বুক ফাঁটা ফল! আয় কাছে আয়  দেখবি চেয়ে দুধার বেয়ে লালন করেছি লবণাক্ত আজন্মের শোকে চলেছি সয়ে আদি হতে অনন্তকাল, বেদনা তিথি অশান্ত বিকাল ছুটে যাই মোহনায় নির্জনে কেন তবে অশান্ত আনমনে? হয়তো অনন্ত অপেক্ষায়, বসে আছে পথ টি চেয়ে ছুটবো সেদিন বল্গাহীন সাগরের পথ বেয়ে।

কবিতা লীন কবি আয়েশা মুন্নি

কষ্টের নীল সাগরে ভাসে অপূর্ণতার স্মৃতির ভেলা। দৃষ্টির সীমান্ত জুড়ে অদ্ভুত আলোর নীলে প্রতীকী প্রেম। স্বপ্নের শৈল্পিক শব্দরা তোলে রক্তকণিকায় সূরের মূর্ছনা। উপেক্ষিত মিঠে বর্ণগুলো অস্তিত্বজুড়ে ছড়ায় কলতান। স্মৃতিচারণে ভ্রষ্টার পাখনায় সবুজ স্মৃতির মাদুর পাতা। অদৃশ্য আবছায়ার স্বপ্নময়তায় কষ্টকাব্যের মলিন প্রচ্ছদ। বিবর্ণ বিস্মৃত স্মৃতির সমীরণে মরুর মায়ায় আকাশ ছোঁয়া জলন্ত দুঃসময়ে ভোরের ভ্রুণে ঢালা বিভ্রান্তির কুৎসিত শোষণ। পর্ণপুটে মুড়ে রাখা বিচিত্রতায় লীন হওয়া জীবনের রঙ। জাগতিক রহস্যময়তার বেনামী পত্র হলুদ খামে গন্তব্যহীন।

কবিতা রাজারবাগ ৭১ কবি আয়েশা মুন্নি

ছবি
আজ আমি কবিতা বলছি না গল্প বা উপন্যাসের স্মৃতিচারণও নয় আমি আজ বলছি বীরত্ব গাঁথা একটি ইতিহাস জন্মের কথা... ২৫ মার্চ ১৯৭১ সাল রাত প্রায় সাড়ে ১০ টা সেই কালরাত্রির ইতিহাসে বাংলার প্রথম প্রতিরোধের কথা বলছি ... পুলিশ লাইন ওয়্যারলেস বেজ ষ্টেশনের বেতারযন্ত্রে ভেসে আসা কথাগুলো বলছি-- ' চার্লি সেভেন ফর বেজ, অ্যাবাউট থার্টি ফাইভ টু থার্টি সেভেন ফর বেজ, অ্যাবাউট থার্টি ফাইভ টু থার্টি সেভেন ট্রাকস উইথ পাক আর্মি অ্যাপ্রোচিং টু আওয়ার ঢাকা সিটি ফরম ক্যান্টনমেন্ট, ওভার। বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ঢাকা তখন এক ভুতুরে শহর এক বিশাল মৃত্যুকূপ, শুধু মাত্র ওয়্যারলেস সেটেই ছড়িয়ে পড়ল সারাদেশে রাজারবাগ হামলার কথা। প্রস্তুত তখন রাইফেল সহ প্রায় সব পুলিশ সদস্য। তবে শোন... বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে জ্বলে উঠলো পুলিশ বাহিনীও, স্বাধীনতার আলোচনায় মসগুল... চললো সলাপরামর্শ স্বপ্নের বাংলাদেশ সৃষ্টিতে... বনর্না করছি বাংলার ইতিহাসের প্রথম গুলি, প্রথম প্রতিরোধ প্রতিশোধের প্রথম ধারাপাত... স্বাধীনতার একখণ্ড ইতিহাস, প্রথম অধ্যায়ের প্রথম আত্মত্যাগ। বঙ্গবন্ধু  যখন ঢাকা হামলার সংবাদ পাঠ...

কবিতা দুর্ভিক্ষ চলছে কবি আইরিন সুলতানা লিমা

ছবি
শিল্পসাহিত্যঃ দুর্ভিক্ষ চলছে নিঃশ্বাসের দুর্ভিক্ষ দুর্ভিক্ষ চলছে ভালোবাসার দুর্ভিক্ষ এ শহরে দুর্ভিক্ষ চলে লজ্জা ও কৃতজ্ঞতার। এখানে কেউ এসো না, এরা সবাই অহংকারী। দুর্ভিক্ষ চলছে সত্যের দুর্ভিক্ষ এখানে কেউ এসো না কেউ কথা রাখবে না। চেয়ে দেখো এটা মৃত্যুর মিছিল এখানে পরাজয় নেই আছে ধ্বংস হওয়া। ঠিক যেমন আর্নেস্ট হেমিংওয়ে তিনিও পরাজিত হতে চাননি অথচ ধ্বংস হয়েছিলেন লড়াই করতে করতে। আর ধ্বংসের পরতো পরাজয় আসতে বাধ্য তাইতো আর্নেস্ট ধ্বংসের পর হয়েছেন পরাজিত। অতএব, অন্ধকার এ শহরে অন্ধকার গহ্বরে এসো না। এখানে কতগুলো কীট সর্বদা মৃত্যুর মিছিল করে এখানে ধ্বংস নিশ্চিত। জেনে রেখো ধ্বংসের পরেইতো আসে পরাজয়।

সোমা বড়ুয়া রিমির ছোট গল্প আনন্দ বিরহ

ছবি
শিল্পসাহিঃ আকাশের জমাটবাঁধা মেঘটা অনেকক্ষণ থেকেই এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে মনে হচ্ছে এখনি ঝরে পরবে।অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও সে জলধারার দেখা না পেয়ে খুব অভিমান হলো তিলার।রুমে ঢুকে ফোন হাতে নিতেই দেখে অভ্রর মেসেজ।তিলা তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে শিল্পকলার পথে হাঁটতে লাগলো।তিলার হাঁটার অভ্যাস আছে,তবে সে এখন হেঁটে যাচ্ছে একটা রিকশা ও পাচ্ছে না তাই।তার তাড়াতাড়ি পৌঁছাতে হবে যেকোন ভাবেই হোক।শিল্পকলায় গিয়ে দেখে অভ্র কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে কিছুটা খুশি হয়ে আর কিছুটা উদ্বেগে দাঁড়িয়ে আছে।।তিলা আসতেই অভ্র ওর হাতের ব্যাগটা নিয়ে রিকশা ডাকলো।রিকশায় ওরা দুজন শুধু টাকা পয়সার কথাই বললো,আর কিছু না।টাকা-পয়সা খুব মানিয়ে গুছিয়ে খরচ করতে হবে ওদের এখন।রিকশা কাজী অফিসের সামনে এসে থামলো।অভ্র তিলার হাত ধরেই নামালো,এতো ভারী শাড়ি তিলা এই প্রথম পরলো।তিলাকে অনেক সুন্দর লাগছে,বউ বউ লাগছে।তিলা একদমই সাজেনি,শুধু লিপস্টিক পরেছে।কাজলে ওর এলার্জি আছে তাই শখ করেও পরেনা,ভীষণ রকম যন্ত্রণা হয় চোখে।অভ্র তিলাকে ডাকলো। -কিছু বলবে? -হুম। -বলে ফেলো তাড়াতাড়ি। -তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে বলেই একগুচ্ছ সাদা বুনো ফুল এগিয়ে দিলো তিলার দিকে।উইল ইউ ম্যা...

তাসলিমা কবির রিংকির কবিতা বাসন্তী আগুন

ছবি
চাইলেই ভালবাসা প্রেম হয়ে যেতে পারে এতোটুকু ইচ্ছায়, খেয়াল বা ব্যস্ততা বিদির্ণ করে। কেউ কি ডাকে গভীর মমতায়! যে ডাকতো তার মত করে... আমার তো ক্ষন কাটে মাটির চোখে বিলীন জীবনের মীমাংসা খুজে। পুড়ে বাসন্তী আগুনে মন তাই দেখে চাঁদ হেসে খান খান বদলে যায় আকাশ ঘ্রাণে বিভোর হাসনাহেনা তবুও অভিমানীর মান ভাঙাবে না? সপ্ত ঋষির ধ্যানাসনে মন্ত্রপাঠে গঙাজলের স্নানে শুভ্র ভালবাসার কঠোর  অঙ্গীকারে এসো একবার শুধু একবার ছুঁয়ে দিয়ে যাও ঐ সাগর জল পর্বত হিমালয় ছেড়ে ।