পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০১৮ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আঁশটে গন্ধ -মনি রায় ঘোষ

ছবি
চারদিকে ইলিশ প্রেমীর অভাব নেই।বাঙালি মানেই ইলিশ ভক্ত তাতে যতই কাটা থাকুক না কেন।যতই আকাশ ছোঁয়া দাম হোক না কেন। একটা একটা করে কাটা বেছে বেশ রসিয়ে কষিয়ে খেতে হয় তবেই না ইলিশের আসল স্বাদ পাওয়া যায়।কিন্তু এই ইলিশ যদি খুব সস্তা হত যদি অন্য মাছের মত চাইলেই কেনা যেত তবে কি একইরকম  সম্মান পেত এই মাছের রানী?যদি রোজ দুবেলা ভাতের পাতে দেখা যেত চিরকাঙ্খিত এই লোভনীয় মাছ তবে কি স্বাদে গন্ধে একইরকম মন জয় করতে পারত?ঘরময় আঁশটে গন্ধ ছড়াতো।একটু একটু করে  ইলিশপ্রেমীরা ইলিশ থেকে দুরে সরে যেত।বাজারে গিয়ে ইলিশের দিকে কেউ ফিরেও তাকাত না।মাছের রানী বলে কেউ পূজোও করত না আর। ভালবাসা ও ঠিক তেমন।না চাইতেই পেয়ে গেলে এই বহুমূল্য শব্দ টাও মূল্য হারায়।কেউ যদি বারবার ভালোবাসি বলে কিংবা কেউ যদি বুঝতে পারে যে তাকে কেউ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি ভালবাসে। তবে ইলিশের মতোই আঁশটে গন্ধ ছড়ায় সেই ভালোবাসা থেকে। বারবার না বলে যদি অনুভবে বুঝে নেয়া যায় তবেই ইলিশের মত রসিয়ে কষিয়ে উপভোগ করা যায়।আর আঁশটে গন্ধ ও সম্পর্ক টাকে নষ্ট করেনা।

মহান কবি - মনি রায় ঘোষ

ছবি
এখন তুমি অনেক বড় কবি হয়েছো বিশ্বজোড়া নাম হয়েছে তোমার। পথ শিশুদের নিয়ে কবিতা লিখে, সেরা কবির সম্মান পেয়েছো বারবার। আজ মহান দরদী কবির শিরোপা নিতে মঞ্চে উঠেছো। সকলে তোমায় দুচোখ ভরে দেখছে, তোমার মুখে জয়ের হাসি ফুটে উঠেছে। নিজেকে তুমি ধরনীর রাজা ভাবছো। কত ক্যামেরা কত আলো তোমায় ঘিরে রয়েছে। জনসমুদ্রের ভিড়ে তুমিই তখন সর্বেসর্বা। শিরোপা হাতে নিয়ে তুমি মঞ্চ ছেড়ে নেমে এলে। দামী গাড়ি করে বাড়ির পথে রওনা হলে। কিছুটা দুর যেতেই দেখলে লোকজনের হইচই কত লোক রাস্তায় জমা হয়েছে। জিজ্ঞেস করে জানতে পারলে একটা পথশিশু গাড়ি চাপা পড়েছে। রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে রাস্তায়। পুলিশের ভয়ে কেউ ছুঁয়েও দেখছে না। কিন্তু তুমিতো দরদী কবি।এদের নিয়েই কবিতা লেখো।তুমি তো নিশ্চয়ই পুলিশের ভয়ে পিছিয়ে আসবে না।তুমি নিশ্চয়ই ওকে তোমার দামী গাড়ি করে হসপিটালে নিয়ে যাবে। কিন্তু কই তুমি তো গেলেনা ওর কাছে। অন্যদের মত বুদ্ধি করে এড়িয়ে গেলে। গাড়ির জানালার কাঁচ টা তুলে দিলে যাতে আর কিছু চোখে না পড়ে। চালক কে বললে ঘুরিয়ে অন্য পথ ধরতে। এসব ঝামেলায় যাওয়া নাকি মূর্খামি। কে না কে চাপা পড়েছে তার জন্য একজন সনামধন্য কবি রা...

কোয়েল নন্দী'র মাগ্নিফাইং গ্লাস

ছবি
এক পুরুষের কোলে মাথা,এক পুরুষের কাঁধে হাত এক পুরুষের শাড়ির টানে,রক্তে ভেজে ফুটপাত। এক পুরুষ যত্ন করে,খোঁপায় লাগায় ফুল এক পুরুষ খুলছে বেল্ট,ধরছে তোমার চুল। এক পুরুষ আগলে তোমায়,আদুরে নাম ডাকে এক পুরুষ দিচ্ছে ছ্যাঁকা,পা দুখানির ফাঁকে। এক পুরুষের লোমশ বুকে,ডুকরে কাঁদো তুমি এক পুরুষই কাঁদায় তোমায়,কান্না ভেজা জমি। এক পুরুষ আবেগ বোঝে,গল্প শোনে রাত দুপুরে এক পুরুষই,গল্প ভেঙে,যাচ্ছে ছেড়ে অনেক দূরে। এক পুরুষ বন্ধু পিতা, স্বামী প্রেমিক, হৃদয় মাঝে এক পুরুষই লম্পট বিশ্বাসঘাতক,ঘৃন্য ধর্ষক হয়ে বাঁচে। বেজায় কঠিন পুরুষ চেনা,ভীত হৃদয় পালায় ত্রাসে তাইতো নারী খুঁজছে পুরুষ মাগ্নিফাইং গ্লাসে।

সোমা বড়ুয়া রিমি গল্প অনুভূতি যখন অনুভবে

ছবি
হুড তুলে রিকশা চড়া কোনকালেই আমার পছন্দের ছিলো না।সেদিন বিকেলে পিচ্চি শায়নকে কোলে বসিয়ে রিকশা করে শপিং মলের দিকে যাচ্ছিলাম। রাস্তায় পরিচিত-অপরিচিত অনেকেই আগ্রহ নিয়ে তাকাচ্ছিলো।এসব  একেবারেই ভালো লাগেনা,সবসময় ওদের এতো কৌতূহল থাকবে কেন?যেখানে আমার লুকিয়ে যেতে ইচ্ছে করে,নাহ ওদের কৌতূহল তখন বেড়ে যাবে।মাত্র দেড়-দুই বছরের শায়নটা ও এতো কিউট হয়েছে,মানুষ কার দিকে তাকায় সেটাই বুঝে উঠতে পারিনা।তাও ওদের বুঝা উচিত ভূত দেখার মতো ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকা মানে অন্যকে অপ্রস্তুত করে ফেলা।শায়নকে কোল থেকে নামানোর ও কোন উপায় নেই,নামালেই অমনি হেঁটে হেঁটে এর ওর কাছে চলে যায়।তারপর, আবার এটা কি আপনার ছেলে,অনেক কিউট তো,এমন আরো কতশত প্রশ্ন।উত্তর দিয়ে দিয়ে পেরে না উঠলে তারপর এড়িয়ে যাই।   কিন্তু,কলিগ পলাশ বাবু আজ কি জানতে চাইলেন ওর ব্যাপারে অমন করে।ওকে আমি কি আসলেই ভালোবাসি?এর অর্থ কি?নাহ,একটু কেমন জানি লাগছে।নতুন চাকরি,নতুন পরিবেশ,নতুন সব কলিগ,নাহ সবার প্রতি আন্তরিক হয়ে উঠতে না পারলেই খুব অভদ্রতা হবে।অমনিই পলাশ বাবুকে মেসেঞ্জারে নক করলো নীলা। নীলা::হ্যালো স্যার ফ্রি আছেন? পলাশ::হাঁ বলুন,কেমন আছেন...

কবিতা হিজড়া কবি ফেরদৌসী খানম রীনা

ছবি
অামাদের এ সমাজে দেখি কত হিজড়া, এ সমাজের বঞ্চিত, অবহেলিত তারা। এক বিধাতার সৃষ্টি ওরা, মানুষ রূপে গড়া। তবু ওদের জীবনে নেই শান্তি, দুঃখ-বেদনায় ভরা। মানুষ হিসাবে তাদের ও  অাছে বাঁচার অধিকার। সবখানে ঘুরে বেড়ায়, করে সবার কাছে অাবদার। চায় টাকা নইলে যাবেনা, বসে থাকে একমনে। কেউ দেয় কেউ দেয় না হতাশা তাদের জীবনে। জন্মসূত্রে ওরা  মানুষ, কোন মা-বাবার সন্তান। শারীরিক বৈষম্যতার জন্য, তারা হয় অপমান। অামরা যদি তাদের প্রতি হই একটু সদয়। তবেই খুশি হবে হিজড়ারা, বাচঁতে পারবে এ দুনিয়ায়। হিজড়া হয়ে ওদের মনে, অাছে কত দুঃখ! সারা জীবন বয়ে কত যাতনা! পায়না কোন সুখ। তাই মনের দুঃখেই গান গায়, মাঝে মাঝে নাচ দেখায়, করে হাসি তামাসা, সবাইকে হাসায়। কেউ পরে শাড়ি অার চুড়ি, কানে পরে দুল। নিজেদের নাড়ী সাজাতে করে না ভুল। বিধাতা ওদের সৃষ্টি করেছেন, এমন রূপে। ছেলেও না মেয়েও অাশ্চর্য এক কারুকার্যে। মানুষ হিসেবে ওদের যদি দেই একটু অাধিকার। তবে খুশি হবে হিজড়ারা, সাধ জাগবে বাঁচার। হিজড়াদের অবহেলা না করে,  দিতে হবে কর্মসংস্থান।  কাজ শিখিয়ে যোগ্যতা বাড়িয়ে, দ...

ফাহমিদা ইয়াসমিনের একগুচ্ছ কবিতা

ছবি
১.আকাশের মেঘে হয়োনা আড়াল মন কাঁদে তোমারি জন্য তুমি হীনা একাকী আমি পৃথিবীর সব শূণ্য। ঘুরি উড়ে যায় আকাশের খুজে তোমাকে দেখি মেঘ মালায়। ২. শরতের কাশবনে এসো প্রিয় প্রেমের বাঁশি বাজাই তুমি ছাড়া আমি আমি ছাড়া তুমি অসহায়। ৩. চোখের জল বৃষ্টি হয় তোমার জন্য কাঁদে শীতের কুয়াশায় স্মৃতি তোমার পিছু ডাকে। একা বিকালে সূর্য নামে বসে থাকি সাগরের তীরে তুমারি প্রেমে সন্ধ্যা নামে বসে থাকি অপেক্ষার টানে।

আমি সাহিত্যিক নই - মনি রায় ঘোষ

ছবি
আমি সাহিত্যিক নই সাহিত্যের ধারেকাছেও আমার বিচরণ নেই। আমি কবি নই গুছিয়ে কবিতা লেখা,ছন্দের মারপ্যাঁচ বোঝা, আমার কম্ম নয়। আমি লেখিকাও নই প্রতিবাদী ভাষা আমার আসেনা কোনকালেই। আমি ধর্ষিতাকে কলমের গোড়ায় দাঁড় করাতে পারিনা। মোমবাতি জ্বালিয়ে মিছিলে যোগ দিতে পারিনা। কি লাভ করে?? পাতার পর পাতা ভরে কলমের কালি শেষ করেও শেষ পর্যন্ত লাভ টা কি হয়? অপরাধী রা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াবে। তাদের শাস্তি দেয়া এই কলমের কম্ম নয়। রোজ ধর্ষণ নিয়ে কত লেখালেখি হয় ধর্ষকেরা কত লেখকের জন্ম দেয়। কত লেখকের কলম প্রতিবাদে গর্জে ওঠে । সবিতো ওই দুদিনের খোরাক। সকালে উঠে খবরের কাগজে হামলে পড়ে খোরাক খোঁজে। বড় বড় চোখ করে অপরাধ খোঁজে, নতুন নতুন ধর্ষিতা দের খোঁজে। যৌতুকের অভাবে পুড়ে যাওয়া নিথর শরীর খোঁজে না পেলেই যেন মন কেমন করে । সকাল বেলা একটা ধর্ষণ কিংবা খুন কিংবা বধু নির্যাতনের খবর না পেলে জলখাবার টা ঠিক জমে ওঠেনা। লেখকদেরও কলম চলেনা আর পাঠক দেরও মন ভরেনা। আড্ডাবাজ দেরও আড্ডা জমেনা। মোটকথা দিনে একটা রসালো খবর ছাড়া বিনোদন অসম্ভব। এই সমাজ কে প্রতিনিয়ত খোরাক জুটিয়ে হিসেব মত অপরাধীরাও সমাজ সেবামূলক কাজ...

নিছক কল্পনা ইয়াসমীন নীলুফার

ছবি
। -হ্যালো... -হুম্, বলো। -আচ্ছা, তোমার একটা সবুজ  শাড়ী আছে না? -আছে। -সে শাড়ীটা পড়ে এক্ষুণি  চলে আসো নদীর কাছে। -শাড়ীটা ছিঁড়ে গেছে। -তোমার গোঁফওয়ালা দারোয়ানকে বলো সদর দরজা খুলতে। -কেন! -আমি তোমার জন্য সবুজ শাড়ী হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি সংগে তোমার প্রিয় বেলীফুলের মালা। উফ্ তোমার বাসাটা এত্তো উপরে কেন! আমার দম্ বন্ধ হয়ে যায়। আমাদের যখন বিয়ে হবে বাসা হবে নীচ তলায়.. আমি চড়ুই পাখির মতো ফুরুৎ করে এসে তোমায় দেখে আবার ফুরুৎ করে উড়ে চলে যাবো। -আমার শাড়ী? -এই যাহ্.. শাড়ীটাই তো কিনা হয়নি! টাকা নেই বুঝতে পেরেছো? তবে একটা সবুজ শাড়ী তোমার জন্যে আনবোই আনবো। -আর মালা? -আরে এই ভর দুপুরে মালা পাবো কোথায়! -আচ্ছা,এখন এসো। -তুমি কি এখনো রেগে আছো? -না। অনেক বছর চলে গেলো.. সে মানুষটা আর আমার রাগ ভাংগাতে আসে না। কারণ,আমার কল্পনা করার ক্ষমতাটাই হারিয়ে গেছে।

প্রথম দেখা ইয়াসমীন নীলুফার

ছবি
প্রথম যে দিন দেখা হয় তোমাতে আমাতে এতো ভালবেসেছিলে পারোনি বুঝাতে। একটুখানি চাহনি আর চোখের মদিরতা কাছে এসে ভাংতে পারোনি আমার নিরবতা। আমি একটু লাজুক বেশী তুমিও কি কম্ চুপি চুপি দেখছিলে তুমি ভেবেছি আমার ভ্রম্। আজকে যখন কাছে এলে আমার যাবার বেলায় সময় গুলো হারালাম হায় আমি অবহেলায়।

পারুল নিশার কবিতা এক হবো

ছবি
ঠোঁটের কোণে হাসি থাকলে ভালো থাকা কি বলে? তবে এভাবেই জীবন তরী যাচ্ছে দারুণ চলে! উপরে মানুষ খুব সাধারণ ভেতরে মানুষ সব পোকা জন্ম হতে আজ অবধি পেয়েছি কেবল ধোকা...! সব ছেড়ে আবার একা হবো একাকিনী নিশির মতো হয়তো একদিন ঝরে যাবো ঝলসানো রোদে শিশিরের মতো ---!

কবিতা আমার পাগলিটা কবি নুসরাত আক্তার শাহীন

ছবি
বড্ড বেশি পাগলামী করিস তুই? খুব বেশি খুশি হয়ে বাড়ীতে আগমন তোর! বাড়ী থেকে হোস্টেলে যাওয়াটাই আপত্তিকর! ওখানে আমার কেউ নেই  শুধুই পড়া আর পড়া, এখানে আমার মা আছে! মায়ায় সব ঘেরা! মায়ের আচঁলে সারাক্ষন তোর আনাগোনা, মাকে ছাড়া এক মুহূর্ত তোর বাহিরে চলে না! কখন যে এতটা বড় হয়ে গেলি রে,পাগলি, বলতো?কিভাবে আমি তোকে আগলে রাখি? তোর ছেলে মানুষি কিংবা আহ্লাদে আবদার, পাঠিয়ে হোস্টেলে কান্নায় ভাসে  দু চোখ আমার! পাগলিটা মায়ের শাড়ী পরে মা তুমি সেজেছি, জানো মা সবাই আমি বলে তোমার কার্বন কপি  হয়েছি!

কবিতা অপ্রেমিক কবি মনি রায় ঘোষ

ছবি
কিছু প্রমিক চিরকাল অপ্রেমিক থেকে যায় তাদের বোঝা দুষ্কর হয়ে দাঁড়ায়। তারা নিয়মের গন্ডি পেরিয়ে নিজেদেরকে অন্য রুপে আবিষ্কার করে। তারা প্রেমিকা কে আগলে রাখে মা এর মত। প্রয়োজনে বাবার মত শাসন করে। তারা বোনের মত বন্ধু হয়, আবার ভাইয়ের মত খুনসুটি ও করে। তারা প্রেম মানে শুধু শরীর খোঁজেনা। তারা মন দিয়ে মন ছুঁতে পারে। তারা সোনা মনা বাবু এসব বলে ডেকে মন ভোলাতে পারেনা। এরা দিনে দশবার আই লাভ ইউ ও বলেনা। এরা ভালবাসে নিজের মত করে। তাই এরা প্রেমিকার চোখে অপ্রেমিক হয়েই থেকে যায়।

নার্সিসাস-সোমা বড়ুয়া রিমি

ছবি
তুমি কি জানতে? আমি হবো কোন নির্ঘুম রাত, হবো জেগে থাকা বিষন্ন চাঁদ। জানতে কি? আমার বিশ্বাসের দেয়ালে অবিশ্বাসের দাগ, আত্মায় আছে শতবর্ষের অভিশাপ। কেন বললেনা-- প্রিয়ে ছেড়ে দিলাম লাজ,তুমি আমারই নার্সিসাস। হ্যা, হ্যা তুমি আমারই নার্সিসাস সাজো, বুঝলেনা, সেদিন ভালোবাসতে না পেরেও কেন ভুলতে পারিনি আজো।

ইয়াসমীন নীলুফার দুটি কবিতা

ছবি
খুঁজো না আমায় আজ আমি ভুলে গেছি ভুলে গেছি সব বসন্তের আগমনী  আর কোকিলের কলরব। আজ আমি চাই না কিছু কে দিলো দুখ আর কে দিলো সুখ দেনা পাওনার হিসাব যতো চাই না দেখতে ফিরে পিছু। এই তো আছি একলা বেশ যন্ত্রণা তোর কোথায় শুরু কোথায়'ই বা শেষ কাটবে কবে সব কিছুর রেশ! কখনো যদি যাই চলে অজানার পথে খুঁজো না আমায় মরু জল তটে যে ফুল হারায় পথের ধূলায় লাগে না যে তারে হায় কোনোই পূজায়। কেন মনে পরে কোলাহল মুখর দিনটা যখন হয় নিরব নিস্তব্ধ চোখের জলে বালিশ ভিজে নির্বাক আমি স্তব্ধ। অনেক মান আর অভিমানে আমরা দুজন দুই দিকেতে হাঁটি আমাদের মন জ্বলে পুড়ে যায় হয় না তবু খাঁটি। তোমার পৃথিবী অনেক বড় আজ শূন্য আমার মন তোমায় কেন মনে পরে গো আমার যখন তখন। আমাদের মাঝে দুরত্ব অনেক বাজে না যে সেই সুর ভিন দেশে চলে গেলে তুমি দূর হতে বহু দূর। আর কখনো হবে না দেখা তোমার আমার সনে চোখের জলে আমরা ভিজি সবার অলক্ষ্যে নির্জনে।

তোমায় পাবো -ইয়াসমীন নীলুফার

ছবি
এতো দিনে বুঝলাম আমি জীবন নদীর বাঁকে অতীত নিয়ে ভাগ্য যেনো একটা ছবি আঁকে। তুমি যখন পাশে ছিলে ছিলো সুখের মেলা এখন আমার দিবারাত্রি ভাসায় দুঃখের ভেলা। লিখতে গেলে কোন কিছু লেখা হয় যে দায় কেমন করে তোমায় ভুলি স্মৃতি পিছন ধায়। এমন করে বাকী জীবন হয়তো বেঁচে রবো এজনমে না হয়,না হোক তোমায় পরজনমে পাবো।

ফাহমিদা ইয়াসমিন এর এক গুচ্ছ রোমান্টিক কবিতা

ছবি
স্বপ্নে আসে মনের ঘরে চুরি করে থাকে যে অধরা। যায় না ছোঁয়া তার শরীরে মিশে থাকে হাওয়ায়, কানে কানে মধুর সুরে মিলনের সুর শোনায়। স্বপ্ন হয়েই থেকো প্রিয় স্বপ্নেই দেখা দিও, মনের গহীন থেকে সবটুকু প্রেম নিও। ভালবাসি তোমায় দু'চোখে  ফুলেরা আজ করুক হাসা হাসি মনেতে মন সাজিয়ে তোমায় ভালোবাসি। কোকিলের কুহু সুরে থাকো তুমি হৃদয়পুরে মাতুক মাতাল মন কাননে হৃদয়টাকে উজাড় করে। যাবো গো দেখে আকাশ বাঁকে হাসে কেমন শশি। কোকিলের সুর তোমার দিকে তাকিয়ে যখন  থাকি কত্ত কি যে ভাবতে আমি থাকি ভা্নাগুলো ডানা মেলে কত্ত কি যে বলে। হয়তো তুমি হারিয়ে যাবে দূরে নয়তো আমি হারাবো এক পুরে। তবুও তুমি ভাবনি হয়ে থাকো হৃদ মাঝারে আপর করো রেখো। তুমি আমার কিরণ চন্দ্র তারা ভোর তুমি আমার স্নিগ্ধ সকাল কোকিলেরি সুর।

নাজমীন মর্তুজার কবিতা আয়ত বাঁচা

ছবি
ব্যথার  জলে খেয়া ভাসিয়ে পৌঁছে গিয়েছি তোমার বুকের পারঘাটায় গোমতী ধলেশ্বরীর বাঁধ ভেঙে ভাঙা বেড়া কুঁড়ে ঘর হাঁকরে মনস্তাপের গোলকধাঁধায় । বিকাশ গায়েন ডেকে যায় বাঁশির সুরে উঠে দাঁড়িয়ে পড়লাম যখন ভাঙা আঙিনায়, এই যে রাখলে দূরে ঠেলে সমুহ বিনাশ মুছে, অন্তসারহীন পৃথিবীতে । কেবল হোঁচট খেয়ে ইউক্যালিপটাস গাছ, বিষণ্ণ ঝোপ ঝাড় অযত্নে খোলা খোঁপা । শেষ কথা শেষ ছোঁয়া কবে যেন ধারাপাত মনে নেই ঠিক; আদরের মত পাগল কেমন আছে ঠোঁট দুটো ? ছুঁয়ে যাও জন্ম তিলক বুকের মাঝখানে স্পর্শ ঘ্রাণে । ধুসর কুয়াশায় মোড়া মনসিজে আকরিক ডুবলে অনন্ত কুয়োর জলে ।

নরসিংদীর মাধবদীর আস্তানায় দুই নারী জঙ্গি আত্মসমর্পণ

ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক: আত্মসমর্পণ করেছেন নরসিংদীর মাধবদীর আস্তানার দুই নারী জঙ্গি। নরসিংদীর শেখেরচরের গতকাল নিহত দুই জঙ্গির সঙ্গে আত্মসমর্পণ করা ২ নারী জঙ্গির যোগাযোগ ছিল বলে  ব্রিফিং করেছে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। চার জঙ্গির মধ্যে তিনজনই মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী  উল্লেখ্য, নরসিংদীর শেখেরচরের ভগিরথপুর 'জঙ্গি আস্তানা' থেকে দু'জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোয়াতের অভিযানে নিহতরা নব্য জেএমবির সদস্য বলে ধারণা পুলিশের। কাউন্টার টেররিজম ইউনিট জানিয়েছে, জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানানো হলেও সাড়া না দেয়ায় ভগিরথপুরের আস্তানায় শুরু হয় অভিযান 'গরডিয়ান নট'। এর আগে মাধবদী ও শেখেরচরের বাড়ি দুটি ঘিরে রাখে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট ও র‌্যাব। রাতভর ঘিরে রাখার পর মঙ্গলবার ১২টার দিকে, নরসিংদীর মাধবদী উপজেলার গাঙপাড় এলাকার একটি ৭ তলা ভবন ও শেখেরচর উপজেলার ভগিরথপুর মাজার বাসস্ট্যান্ডের চেয়ারম্যান সড়কের ৫ তলা ভবনে অভিযান শুরু হয়। এতে অংশ নেয় পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট 'সোয়াত'। এসময় কয়েকটি গুলির শব্দ পাওয়া যায়। জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে সোমবার রাত ৯টার দিকে বাড়ি দুটি ঘিরে ফেলে ক...

আইরিন সুলতানা লিমা'র এক গুচ্ছ কবিতা

ছবি
অপরিণামদর্শী অতঃপর নিরুদ্দেশের পথে যাত্রা অগত্যা গন্তব্যহীন এ যাত্রা পথিমধ্যে থমকে দাঁড়ানো অতঃপর আবার পথ চলা কবিরা প্রেমবিলাসী, অপরিণামর্শী সমাজ সংসার তুচ্ছ অতি নিয়মের বেড়াজাল পেরিয়ে কল্পিত স্বর্গালোকে তাদের বসবাস। তবে সব লেখক কবি নন মনের কবিত্বই আসল কবিসত্বা। দু'কলম লিখলেই মেলেনা আসল কবির পরিচয় কত কবি কবিতা লেখে মনের জানালায় চুপটি করে কেউ দেখেনা, কেউ বোঝেনা কবিযে ভাষাজ্ঞানহীন। তুমি নেই বলে তুমি নেই বলে আনন্দলোকে আনন্দ নেই জলপুকুরে সাঁতার কাটে না সফেদ বকেরা। তুমি নেই বলে ধমনীতে নৃত্য হয় না, হৃদয়ে শিহরণ জাগে না প্রজাপতির ওড়াওড়িতে। তুমি নেই বলে ভোরের আলোয় ফুল ফোটে না, পাখির ডাকে ঘুম ভাঙে না সূর্যালোক ফিকে লাগে। তুমি নেই বলে রাতের জোনাকিরা আলো দেয় না দীঘির জল ঘোলাটে লাগে পূর্ণিমা রাত লাগে অমাবস্যা। তুমি নেই বলে দু'চোখ বেয়ে জল গড়ায় না ঠোঁট দুটো তাদের বন্ধন ছিড়ে না মৌচাকে মধু জমে না। তুমি নেই বলে কাশফুলেরা ছাঁই রং হয়ে গেছে নদীর উত্তাল থেমে গেছে দক্ষিণ হাওয়ায় মন মাতাল হয় না। তুমি নেই বলে বেসুরা লাগে শিল্পীর গান যামিনীর ন...

মনি রায় ঘোষ এর অনুগল্প মধ্যেবিত্ত

ছবি
মেয়েকে নিয়ে  কেনাকাটা করতে এসেছে বাবা।মেয়েটির বয়স খুব জোর দশ কি এগারো। বাবার হাত ধরেই ঘুরছে আর এটা সেটা কিনছে। হঠাত্ একটা মূর্তির গায়ে একটা পরানো জামা দেখে মেয়েটি ওখানেই দাড়িয়ে পরে বাবার হাত ছেড়ে।বাবা পেছন ঘুরে দেখে মেয়ে মূর্তি টার দিকে হা করে তাকিয়ে আছে।মেয়ের কাছে জিজ্ঞেস করল কিরে দাড়িয়ে পরলি যে?চল এবার আমার একটা জুতো কিনলেই কেনাকাটা মোটামুটি শেষ হবে।কিন্তু না মেয়েটি সেখান থেকে কিছুতেই নড়ছেনা।এক দৃষ্টে তাকিয়ে আছে মূর্তি টির দিকে। বাবা আবারও জিজ্ঞেস করল কিরে কি দেখছিস হা করে,চল মা নয়ত ফিরতে দেরী হয়ে যাবে যে। মেয়েটি আস্তে আস্তে বলল,বাবা এই জামা টা কিনে দেবে দেখ কি সুন্দর জামাটা,আমায় পড়লে খুব মানাবে।কথাটা বলে মেয়েটির চোখে একটা জিজ্ঞাসা চিন্হ ফুটে উঠল।বাবার কাছ থেকে উত্তরের প্রতীক্ষায় মেয়েটি ঘাড় উঁচু করে বাবার দিকে তাকালো।ইতিমধ্যে অন্য দোকান থেকে মেয়ের জন্য জামা জুতো কেনা হয়েছে।বাজেটও শেষ এবার শুধু নিজের জন্য একজোড়া জুতো কিনতে হবে।গতবছর ও কেনা হয়নি তার আগের বছরও না।বেশ কয়েকবছর ধরে এক জুতোতেই চলছে।সংসারের জাতাঁকলে নিজের সব চাহিদা গুলো কখন যেন চাঁপা পড়ে গেছে টেরও পায়নি।ছেলে মেয়ে স...

ফাহমিদা ইয়াসমিন এর এক গুচ্ছ দেশাত্মবোধ কবিতা

ছবি
 আমার বাড়ি     দেশের বাতাস দেশের মাটি আপনের আপন, স্বর্গ সুখে মন ভরে যায় নয়তো স্বপন। যে মাটিতে জেগে আছে অতীত বেলার গান, কত দিন পরে তার নিলাম আবার ঘ্রাণ। সাত সমুদ্র তেরো নদী দিলাম যখন পাড়ি, মনের মাঝে ঢেউ খেলেছে আসব আমার বাড়ি। আমার মাটি আমার বাড়ি লাল সবুজের দেশ, রক্ত মাংসে একটা নাম আমার বাংলাদেশ। নিরাপদ সড়ক চাই   নিরাপদ সড়ক চাই নিরাপদে প্রাণ আর কিছু চাইনা একটাই গান। মুছে যাক হাহাকার ঘুছে যাক কান্না, আর কিছু চাইনা একটাই বায়না। দেশের কথা দেশের কথা পড়লে মনে চোখ ভরে যায় জলে চোখ বুঁজে তাই দেখি মাগো নিবিড় নিরব ছলে। কেমন আছে মাযে আমার আছে কি সে ভালো, প্রবাস পাড়ে থাকি আমি দেখি না তো আলো। কেমন আছে স্রোতস্বিনী মনু নদী আমার, শিশুরাকি কাটে কাঁটে সাঁতার তুলে জলের ছাড়। শরতের কাশফুল   শরতের কাশফুলের ভীড়ে তুমি আমি হেঁটে যাবো দূর কোন এক ভোরের গাঁয়ে। চলে যাবো যেথা আছে সহজ সরল মেঠোপথের সুর। শরতের কুয়াশা মেখে দূর্বার নিবিড় প্রেমে হারাবো মোরা। শরতের কাশফুল বনে দেখে যাবো দু নয়নে বিশাল আকাশ মেখে যাবো জীবনের সুখ তারা...

কবি সোনাই মন্ডলের এক গুচ্ছ কবিতা

ছবি
লোলিহান নারীমাংস হাজার হাজার নারী মাংস একাকী দাঁড়িয়ে নীল নির্জনে নিল ল্যাম্পোষ্টের নীলের অন্তরালে, নীরবে নিভৃতে বাস ঐ ক্ষুধার রাজ্যে l ক্ষতবিক্ষত দেহতরী সাজিয়ে কামুক প্রতীকের বনলতা পেটের দায়ে উলঙ্গ নারী তাইতো রাজকুমারী পতিতা কিছু বিক্ষত বুভুক্ষ পথিক অস্ত্র চালিয়ে ক্রমাগত নখরে সদন্তে, রাতের আলেয়ায় সুখ খুঁজে চলে ওই লোলিহান স্তনবৃন্তে। অসংখ্য নিরব অশ্রুকণা সেও নাকি রঙিন মাদকের মতো ভাগ্যিস রঙিন তাইতো রঙের আবরণে ঢাকা পড়ে লিপস্টিকের বিষাক্ত ক্ষত। অশরীর বিস্তার নেই লাল লোলিহান সম্ভ্রম শূণ্য উঁচু নিচু ঢেউ খেলানো শরীর সদাই প্রেমাগ্নিতে পূর্ণ ভুল করে কিছু ভুল... প্রেমাগ্নি নয়, শরীর মাঝে কামুকরস খুঁজে চলা পথিক দিনের অন্ধকারে রুমালে চোখ চেপে রাতের আলোতে মত্ত অঙ্গ আঙিনা, উত্থাল পাত্থাল ঘৃণ্যিত প্রেমে ভাসায় পুরুষত্বের কিনারা। বিনিদ্র রাতের মুদ্রা সুখে বিকিয়ে পরম অনুভূতি প্রতিনিয়ত চলছে বুনন সুশীলের বিকৃত শতাব্দি ! হাজার টাকায় বিকিয়ে বস্ত্র দেওয়ালে দেওয়ালে সম্মানিত পোস্টার, খুদার রাজ্যে ফুঁপিয়ে কান্না নেয়নি কখনো দারিদ্রতার দায়ভার। নষ্টা কেবল ভদ্র সমা...

কবি সোনাই মন্ডলের গুচ্ছ কবিতা

ছবি
আঁধারের কুয়াশা শর্তহীন কিছু ভুলচুক,কিছু রজনীগন্ধার উত্তপ্ত বিষণ্ন উপহার হয়তো উদ্ভ্রান্ত জীবনশৈলী সৃষ্টিশীলতার জন্যই এই সুদীর্ঘ জীবন রাখাটা হয়তো বড়ই জরুরী।  রক্তের স্রোতে হেঁটে বেড়ায় এখনো তোমার কবরের বেদনাময় এপিটাফগুলোর কান্নাভেজা উপলদ্ধি, খেই হারানো ঝাপসা কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরের সূর্যদয় অবলোকন করা এখন শুধুই স্বপ্নবিলাসী । কুয়াশার দিগন্ত ছুঁয়ে অবিরাম প্রত্যক্ষকরা বেহিসাবি আদরমাখা ক্ষতচিহ্ন, প্রহর গুনে যাওয়া শিশিরসিক্ত অশ্রু কোটরে অনুভূতিরা ক্রমশ হয়ে চলেছে জরাজীর্ণ !  অনন্ত বসন্ত একাকী কাটিয়ে দেখা হয়নি কুয়াশাচ্ছন্ন ভোরের অপরূপ সৌন্দর্যের বৈভব্য, প্রতি শেষরাতের স্নিগ্ধতা সমর্পিত ওই নিষ্ঠুর কবরের রজনীগন্ধা সজ্জায়, গোলাপের ক্ল্যারিওনেট করেছি সংকীর্ণ । অন্তর্দহন                         অনু থেকে অনুপম সবই হৃদয় রাঙায় পোড়ামাটির রঙে, যেখানে পরিত্রাণের নিঃশব্দ নির্মাণ খুঁজে ফেরে নিগূঢ়তম আস্বাদনে। মোহের মধুরমধুরং ডাক দেয় প্রতিমুহূর্তে মৌনতার দিকে, কোমল মৌন অন্তর হেঁটে চলে ভালোবাসার মাত্রাহ...

বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত কবি পারুল নিশা'র এক গুচ্ছ কবিতা

ছবি
ষোলো কোটি কাতর হিয়া অথৈ সাগরে কতোই ডুবেছে  ক্ষুধা বঞ্চনায় দরিদ্রতা সব পার করেছো তোমার নায়ে। হাবুডুবু খাওয়া বাঙ্গালি যতো জীবন স্রোতে বান ভাসি, বিশ্ব দুয়ারে জয়ের জোয়ারে বাংলা ভাষি। বঞ্চিত মানুষের সঞ্চিত যতো বেদনা আহ্বান, সব ব‍্যথা বুকে নিয়ে জুড়ায়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান । মুজিব মানে একটি ,আদর্শ একটি দেশ সবুজের বুক চিরে সূর্য্য ওঠা বেশ। একটি পতাকা তোমারি কথা কয়। যতো নদী আর যতো প্রান, গায় তোমারি জয় গান। ওই রূপসা থেকে পাথুরিয়া, আজো খুঁজে ফেরে তোমায় অশ্রুর ফোঁটায় ফোঁটায় ষোলো কোটি কাতর হিয়া । ফিরে পেতে আগামী শুধু তোমার বাণী আর বিষাদ খানি, সাথে লয়ে আছি আজো, এখনো তুমি স্বপ্ন হয়ে মরমরে শুধু বাজো। হারালাম তোমায় রক্ত নেশা ঘাতকের গুলিতে , বার বার তুমি এসো ফিরে বাংলা মায়ের কোলে নবজাতকের হাসিতে । স্বাধ যা ছিল তোমায় রাখার ধরে, সাধ্য দিলনা তোমায় রাখতে মোরে। তাই সেদিনের মত আজো আকাশ গুমরে কাঁদে, বিষাদের কি স্বাদে তোমায় হারালাম, আবার ফিরে পাবো বলে। দেশ মাতৃকার সেদিনের দরিদ্র গণতন্ত্রের ভীড়ে তোমায় হারালাম কথা ছিল আবার আসবে ফিরে , তাই ...

এঞ্জেল নিপা'র কবিতা যার জন্য

ছবি
আজকে মনে খুশির নাচন সে এসেছে ফিরে, ঘৃণাটুকুন ভুলে গিয়ে আজ ফিরেছে প্রেমের নীড়ে। যাকে ছাড়া আমি ভাবি না কিছু যার জন্য বেঁচে থাকা, যার জন্য এই হৃদয়ের মাঝে প্রেম শুধু প্রেম রাখা। যার বিহনে আমার আমিকে অামি না পাই খুঁজে, সকাল দুপুর বিকাল রাত্রিতে যাকে শুধু মন বুঝে। যার মুখের ঐ মুচিকি হাসিতে স্বর্গ দেখে যাই, যার ছোঁয়াতে এই অঙ্গে আমার সুখের নৌকা বায়। সে এসেছে ফিরে আজিকে আমার হৃদয় মাঝে, তাই দুঃখ ভুলেছি ছিল যত এখন সুখের সাজে।

নরসিংদীতে উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন

ছবি
জহিরুল ইসলাম,নরসিংদী: সারাদেশের ন্যায় নরসিংদীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে নরসিংদী জেলা স্টেডিয়াম থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে গিয়ে শেষ হয়।পরে শিল্পকলা একাডেমীতে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারা দেশে উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন করা হয়। পরে অর্থ মন্ত্রনালয়ের সচিব মো. মফিজুল ইসলাম ও নরসিংদী জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন বেলুন উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন ঘোষনা করেন। পরে মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন অতিথিগণ।  এসময় জেলার পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন, সিভিল সার্জন হেলাল উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আব্দুল আউয়াল, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুষমা সুলতানাসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

কবি পারুল নূর এ নিশা'র গুচ্ছ কবিতা

ছবি
নিঃসঙ্গতার অনুষঙ্গ নিঃসঙ্গ জীবনের অনুষঙ্গ একাকিত্ব দেহ আর চিত্ত; জীবন নিজেই একটা দোতারা। কখনো প্রজ্জ্বলিত কখনো আঁধারময় কিছু বিরহের গান কিছু পিছুটান, হৃদের তানপুরা আর সেতারে একাকীত্বের সব সুর রটে যায় হৃদের বেতারে । নিমগ্ন মন যখন একাকীত্বে ডুবে তখন, স্বপ্নেরা সাথি হারা। দুঃসময় প্রাচীর ঘিরে একাকীত্ব বুক চিরে। আকাশে বাতাসে গোপনে কি প্রকাশে সব ছন্নছারা, ছন্দহারা। রাতের আকাশ পানে তাকালাম দেখি চন্দ্রাটাও  সাথী হারা, তাই দেখে হাসছে মিটি মিটি ধ্রুবতারা। দিবসের সূর্য্য ও একলা দিশেহারা, বিরহের যন্ত্রণার রোদ্দুরে পোড়ায় চারধারা। আমার একাকীত্ব সময় ভুলে থাকা তোমায় মর মরে ব‍্যথা জাগে দুর্নিবার বিষাদের হাওয়ায় উড়ে চলা শুকনো পাতার। নিদ্রাহীন দুটিচোখে ভেসে ওঠে বার বার ; সেদিনের সেই অকারণ...! আজ দোলা দিচ্ছে যে বিচ্ছেদের জাগরণ । মুজিব বাংলার চিরদিনের একটি আধার জাতির ভবিষ্যত, ঘুমের ঘোরে বিভোরে স্বপ্ন দেখতে  ঘাত প্রতিঘাত। সময় তোমায় অপেক্ষায় হারালো, বিবেক বিশ্বাসে বঙ্গবন্ধু। বিশ্বাস নদীর এপার ওপারে, পারাপারে ঠাই নাই মধ্য পথে ডাকাতি, চাঁরিদিকে বাঁচ...

শামীমা সুলতানা'র এক গুচ্ছ কবিতা

ছবি
কষ্টের ছুটি গিয়েছিলাম তোমার কাছে মেঘের পালকী চড়ে, অঝোর ধারায় ঝরেছি আমি শ্রাবণের বারি হয়ে, দাওনি তুমি হৃদয় দ্বারের একটি কপাটও খুলে। খুলেছিলে দ্বার গগণ পানে, ভেবেছিলে বুঝি যাবো না সেখানে ? আমি যে অধম! গগনেও তাই চেয়েছি নিতে ঠাই , আত্ম আড়াল করেছিলে সেদিন পাইনি খুঁজে তাই। ফিরেছো আজ! মেঘলা আকাশ থমথমে চারিদিক ... আউলা হাওয়ায় ভেঙেছে কুঁড়েঘর, হয়েছো তুমি খানিকটা পর। হাজারো শঙ্কা আর অনুতাপে তুমি আজ করেছো হৃদয় ভার। দুঃখের তটিনী... দুর্বার গতিতে দুঃখকে দিয়েছি ছুটি, সুখের দ্বারে আমি দিয়েছি হানা, সুখের সাথেই আজ বেঁধেছি জুটি। সব ভুলে তাই... তোমাকেও আজ নিতে হবে যে ছুটি ! মাতৃভূমি মাগো আমি তোমার আরো কদর দেখতে চাই, লাল সবুজ পতাকার যেন আরো ঊর্ধ্বে হয় ঠাই, স্বাধীন ভূমিতে স্বাধীনতার স্বাদ সবটুকুই যেন পাই। তোমাকে রক্ষার শপথ নিয়ে রাজপথে নেমেছিলো যারা, অনেকেই আজ নাই। আকাশে বাতাসে শহীদ ভাইদের রক্তের ঘ্রান পাই, ছেলেহারা মায়ের ক্রন্দনের আওয়াজ আজও শুনতে পাই, স্বাধীন ভূমিতে এখনো সবাই কেন স্বাধীন নাই ! মাগো তোমার স্বাধীনতার সবটুকু তবে কই ? লজ্জা,কষ্ট,ঘৃনায় তোমাকে সুধাই, স্বা...

এঞ্জেল নিপা'র এক গুচ্ছ কবিতা

ছবি
 নারী সত্ত্বা নারী সুহাসিনী নারী মহীয়সী নারী মমতার পথ, নারী সাহসীনি নারী পুষ্পশশী যুদ্ধ জয়ের রথ। একটি নারী একটি পৃথিবী মিলেমিশে একাকার, নারী সত্ত্বায় প্রশান্তি যেমন তেমনই হাহাকার। নারী মানে মায়ের রূপে ঈশ্বর আসা ভবে, নারী প্রেমে বাগান সৃষ্টি ক্রোধে ধবংস তবে। নারী মা, নারী বোন, নারী প্রেয়সী রূপে, নারী ফুল, নারী যোদ্ধা জীবন নামের ঝোপে। নারী কবির লেখার প্রেরণা নারী বুদ্ধিমত্ত্বা। কবিতার মাঝে খুঁজে পাবে হাজার নারীসত্ত্বা। শরীর সাজাই- নিমগ্ন মন চুরি যায় সারাক্ষন, জীবন জুয়ায় বাজি ধরে। অহেতুক মিথ্যে আলাপনে প্রলুব্ধ , জীবনকে করে তোলে কৌতুক। যে যার মত নিঃসংকোচে বলে যায়। নির্বোধ আমিত্বের দায় ভার কাঁধে তুলে, হিংসার ফাঁদে। খোলা আকাশের কাছে স্বপ্ন গুলো দাও দেখো কত রঙে  খেলে। বৈরী বাতাসের কাছে সপে দাও আঁচল, টেনে তোলে করে নাজেহাল। উন্মাদ শরীর দেখো তোমার চোখের কি জিজ্ঞাসায়। তারায় তারায় খচিত স্বপ্ন গুলো, জ্যোৎস্নার আলোর বিলাসিতায় রচিত। এখনো বসে আছি কাব্য কথায় ধ্রুপদী চেতনা বহির্ভূত সন্দিহান। সমাজের কাছে পরাভুত, আমার ইচ্ছার দায় ভার। ...

কবিতা দ্বিধা কবি এম তাহের খান

ছবি
আমাকে ছোঁতেই তোমার যত দ্বিধা অথচ তোমার দালান ঘেষে পথটাকে দেখো প্রতিটা অপরাহ্নে তার বুক ছুঁয়ে যায় তোমার পদযুগল। আমার চুমুতেই শুধু বাড়ে সংক্রমণ, অথচ তোমার বালিশটা প্রতি মধ্যরাতেই তোমার উষ্ট অধরের চুমু পাই। আমার কাছে আসলেই তোমার নির্মেঘ মুখ থেকে ঝরে কঠিন বজ্রপাত। অথচ তোমার আয়নাকে দেখো সে জমা রেখেছে তোমার অযুত লক্ষ হাসি। আমি জড়ালেই রুদ্ধ হয়ে আসে তোমার ঘন দীর্ঘশ্বাস। অথচ তোমার পরনে নীল শাড়িটাকে দেখো সে জড়িয়ে আছে তোমার সর্বাঙ্গে।

পরকীয়া - কবি মনি রায় ঘোষ এর কবিতা

ছবি
এক শরীর থেকে অন্য শরীর নারী পুরুষের অবাধ বিচরণ। প্রেম থাকুক বা না থাকুক শরীরী চাহিদা ভীষণ রকম। কেউ তো আবার জ্বালা মেটাতে সংসার ও ত্যাগকরে। হারিয়ে যায় একটু একটু করে অচেনা অন্ধকারে। রাধাকৃষ্ণ পারে যদি আমরা কেন নয়? তাদের প্রেমেরদোহাই দিয়ে মন শান্ত হয় । কেউ কি জানে তাদের মনে ছিলনা কোন কাম। মূর্খ যারা দিয়েছে তারা পরকীয়া নাম। বৈধতার নাম নিয়ে কামনার হয় জয়। প্রেম ভালবাসার মৃত্যু ঘটে পরিনতি শুধুই ক্ষয়।